বুড়িচং প্রতিনিধি

বুড়িচংয়ে ভারতীয় মাদককারবারিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পূর্ণমতি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুড়িচং থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ণমতি এলাকায় সীমান্ত থেকে একটি টয়োটা প্রাইভেটকার তল্লাশি করে গাড়ির ভিতর থেকে ৩৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় গাড়িতে দুই ব্যক্তিকে তল্লাশি চালিয়ে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। দুইজনই ভারতীয় নাগরিক।
তারা হলো—ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া সাব-ডিভিশনের কলমচূড়া থানার আশাবাড়ী এলাকার মো. হানিফের ছেলে সালাউদ্দিন ওরফে ছেরা উদ্দিন (২৩) এবং কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম রাব্বি (২১)। রাব্বি পেশায় প্রাইভেটকারের চালক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ধারণা করছে , সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে মাদকের চালানটি দেশের অভ্যন্তরে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে মাদকের চালানটি কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, আটক দুজনের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসা, পরিবহন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

বুড়িচংয়ে ভারতীয় মাদককারবারিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পূর্ণমতি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুড়িচং থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ণমতি এলাকায় সীমান্ত থেকে একটি টয়োটা প্রাইভেটকার তল্লাশি করে গাড়ির ভিতর থেকে ৩৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় গাড়িতে দুই ব্যক্তিকে তল্লাশি চালিয়ে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। দুইজনই ভারতীয় নাগরিক।
তারা হলো—ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া সাব-ডিভিশনের কলমচূড়া থানার আশাবাড়ী এলাকার মো. হানিফের ছেলে সালাউদ্দিন ওরফে ছেরা উদ্দিন (২৩) এবং কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম রাব্বি (২১)। রাব্বি পেশায় প্রাইভেটকারের চালক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ধারণা করছে , সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে মাদকের চালানটি দেশের অভ্যন্তরে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে মাদকের চালানটি কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, আটক দুজনের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসা, পরিবহন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।