ভরাসার বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফুলেল শুভেচ্ছা ও চোখের জলে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাজী ফেরদৌসী আক্তারকে বিদায় দিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ সময় অভিভাবকেরাও উপস্থিত ছিলেন। গত ১১ জুন তাঁকে বিদায় দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালের অক্টোবরে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেছিলেন কাজী ফেরদৌসী আক্তার। শিক্ষক হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ভাল। বিদায় বেলায় প্রিয় শিক্ষকের জন্য কেঁদেছেন সহকর্মী ও খুদে শিক্ষার্থীরা।

কাজী ফেরদৌসী আক্তার ১৯৮১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার মুগগাঁও হাইস্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৮৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন। ১৯৮৭ সালে তিনি বিবাহ সূত্রে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় স্বামীর বাড়িতে চলে আসেন। ১৯৮৯ সালে তিনি বিএড পাস করেন। ১৯৯১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি কালিরবাজারে একটি স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ওই বছর অক্টোবর মাসে তিনি ভরাসারে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেন।

অভিব্যক্তি প্রকাশ করে কাজী ফেরদৌসী আক্তার বলেন, আমার সহকর্মীরা ও শিক্ষার্থীরা আমাকে সুন্দর ভাবে বিদায় দিয়েছে। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে অনেকের ভালোবাসা পেয়েছি। বিদায়বেলায় তাঁরা আমাকে মাইক্রোবাসে করে বাসায় পৌঁছে দিয়েছেন। আমার ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

কাজী ফেরদৌসী আক্তারের স্বামী কলেজ শিক্ষক সিরাজুল হক ২০১৯ সালে অবসরে যান। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।

ফুলেল শুভেচ্ছা ও চোখের জলে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাজী ফেরদৌসী আক্তারকে বিদায় দিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ সময় অভিভাবকেরাও উপস্থিত ছিলেন। গত ১১ জুন তাঁকে বিদায় দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালের অক্টোবরে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেছিলেন কাজী ফেরদৌসী আক্তার। শিক্ষক হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ভাল। বিদায় বেলায় প্রিয় শিক্ষকের জন্য কেঁদেছেন সহকর্মী ও খুদে শিক্ষার্থীরা।

কাজী ফেরদৌসী আক্তার ১৯৮১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার মুগগাঁও হাইস্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৮৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন। ১৯৮৭ সালে তিনি বিবাহ সূত্রে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় স্বামীর বাড়িতে চলে আসেন। ১৯৮৯ সালে তিনি বিএড পাস করেন। ১৯৯১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি কালিরবাজারে একটি স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ওই বছর অক্টোবর মাসে তিনি ভরাসারে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেন।

অভিব্যক্তি প্রকাশ করে কাজী ফেরদৌসী আক্তার বলেন, আমার সহকর্মীরা ও শিক্ষার্থীরা আমাকে সুন্দর ভাবে বিদায় দিয়েছে। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে অনেকের ভালোবাসা পেয়েছি। বিদায়বেলায় তাঁরা আমাকে মাইক্রোবাসে করে বাসায় পৌঁছে দিয়েছেন। আমার ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

কাজী ফেরদৌসী আক্তারের স্বামী কলেজ শিক্ষক সিরাজুল হক ২০১৯ সালে অবসরে যান। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।