বুড়িচং প্রতিনিধি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ১৪ মাস পর শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৬ হাজার ৫০০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ নীল ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। সবমিলিয়ে ৫৮ হাজার ৫০০ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। আজ রোববার সকালে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মালেকুল আলতাফ ভ‚ঁইয়া ।
উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সোলেমান হক, ডা. রাসেল আহমেদ জুনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, ডা. ফরহাদ আবেদীন ভূঁইয়া, আবাসিক মেডিকেল অফিসার, এইচআই ইনচার্জ লাকী বেগম, এমটিইপিআইএম দেলোয়ার হোসেনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১টি স্থায়ী কেন্দ্রসহ ৯ ইউনিয়নে ২১৯টি কেন্দ্রে একযোগে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। কার্যক্রমটি সফল করতে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মালেকুল আলতাফ ভঁ‚ইয়া বলেন, আমাদের ১টি স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি আরও ২১৯টি অস্থায়ী কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত কর্মীরা শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াচ্ছেন। নির্ধারিত বয়সের প্রতিটি শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ১৪ মাস পর শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৬ হাজার ৫০০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ নীল ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। সবমিলিয়ে ৫৮ হাজার ৫০০ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। আজ রোববার সকালে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মালেকুল আলতাফ ভ‚ঁইয়া ।
উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সোলেমান হক, ডা. রাসেল আহমেদ জুনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, ডা. ফরহাদ আবেদীন ভূঁইয়া, আবাসিক মেডিকেল অফিসার, এইচআই ইনচার্জ লাকী বেগম, এমটিইপিআইএম দেলোয়ার হোসেনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১টি স্থায়ী কেন্দ্রসহ ৯ ইউনিয়নে ২১৯টি কেন্দ্রে একযোগে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। কার্যক্রমটি সফল করতে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মালেকুল আলতাফ ভঁ‚ইয়া বলেন, আমাদের ১টি স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি আরও ২১৯টি অস্থায়ী কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত কর্মীরা শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াচ্ছেন। নির্ধারিত বয়সের প্রতিটি শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।