দাউদকান্দি প্রতিনিধি

ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লার দাউদকান্দিতেও শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। আজ রোববার সকালে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরীন আক্তার।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, দাউদকান্দিতে এবারের ক্যাম্পেইনে ৮ হাজার ১৪৮ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ৫৬ হাজার ৪৬৭ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করতে পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নে সর্বমোট ৩৮৪টি টিকাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে শিশুদের টিকা প্রদানে ৭৬৮ জন স্বেচ্ছাসেবক, ৪৮ জন সুপারভাইজার এবং ৩৫ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করছেন। এবার বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ যাত্রীদের সুবিধার্থে দাউদকান্দি টোল প্লাজায় একটি ‘ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র’ স্থাপন করা হয়েছে। যাতে কর্মব্যস্ততা বা দীর্ঘ যাত্রার কারণে কোনো শিশু যেন এই টিকা থেকে বঞ্চিত না হয়। সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত মৃত্যু কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের লক্ষ্য হলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রতিটি শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা। টোল প্লাজায় ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রসহ আমরা সবধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি যাতে কোনো শিশুই বাদ না পড়ে।
উল্লেখ্য, সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কার্যক্রম বিকেল ৪টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। ক্যাম্পেইন চলাকালীন প্রতিটি কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লার দাউদকান্দিতেও শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। আজ রোববার সকালে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরীন আক্তার।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, দাউদকান্দিতে এবারের ক্যাম্পেইনে ৮ হাজার ১৪৮ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ৫৬ হাজার ৪৬৭ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করতে পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নে সর্বমোট ৩৮৪টি টিকাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে শিশুদের টিকা প্রদানে ৭৬৮ জন স্বেচ্ছাসেবক, ৪৮ জন সুপারভাইজার এবং ৩৫ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করছেন। এবার বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ যাত্রীদের সুবিধার্থে দাউদকান্দি টোল প্লাজায় একটি ‘ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র’ স্থাপন করা হয়েছে। যাতে কর্মব্যস্ততা বা দীর্ঘ যাত্রার কারণে কোনো শিশু যেন এই টিকা থেকে বঞ্চিত না হয়। সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত মৃত্যু কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের লক্ষ্য হলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রতিটি শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা। টোল প্লাজায় ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রসহ আমরা সবধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি যাতে কোনো শিশুই বাদ না পড়ে।
উল্লেখ্য, সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কার্যক্রম বিকেল ৪টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। ক্যাম্পেইন চলাকালীন প্রতিটি কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।