চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার চান্দিনাুদোল্লাই নবাবপুর সড়কের সংস্কারকাজ ধীরগতিতে চলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চান্দিনার দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ চললেও প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, চালক, ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা।
চান্দিনার দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগের প্রধান তিনটি সড়কের মধ্যে দুটি সড়কেই বর্তমানে সংস্কারকাজ চলছে। উপজেলা সদরেই চান্দিনা থানা, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকায় প্রতিদিন এসব সড়ক দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ চলায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চান্দিনা মোকামবাড়ী থেকে বদরপুর পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশের অবস্থা বেহাল। চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ। তবে এখন পর্যন্ত চান্দিনা মোকামবাড়ী থেকে বেলাশ্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের মসজিদ পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার অংশে আরসিসি ঢালাই করা হয়েছে। এছাড়া আওড়াল থেকে সিদ্ধেশ্বরী ব্রিকস ফিল্ডসংলগ্ন পুল পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি অংশে তেমন কোনো কাজ হয়নি।
বিশেষ করে ডুমুরিয়া বড় পুল এলাকা থেকে ‘নিজেরা করি’ অফিস পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কের অবস্থা ভয়াবহ। বর্ষা মৌসুমে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় যানবাহন চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়ভাবে ইট-কংক্রিট দিয়ে কিছু অংশ মেরামত করা হলেও তা স্থায়ী হচ্ছে না। ডুমুরিয়া বাজার এলাকায় সড়কের এক পাশ দেবে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
সিএনজি অটোরিকেশা চালক মো. ফরিদ মিয়া বলেন, ‘রাস্তার অবস্থা ভয়াবহ। অনেক দিন ধরে কাজ চলছে। কিন্তু যে গতিতে কাজ হচ্ছে, তাতে কাজ কবে শেষ হবে বলা মুশকিল। দ্রুত কাজ না করায় দিন দিন এ সড়ক দিয়ে চলাচল কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
আরেক সিএনজি অটোরিকশা চালক শাহীদ মিয়া বলেন, ‘রাস্তার কাজ খুব ধীরগতিতে চলছে। এভাবে চললে কয়েক বছরেও কাজ শেষ হবে না। দ্রুত কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’
ব্যবসায়ী মো. নূরে আলম বলেন, ‘সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই ব্যবসায়িক মালামাল বহনকারী গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে মালামাল নষ্ট হয়। রাস্তা খারাপ হওয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভাড়া দিয়েও মালামাল পরিবহন করা যায় না। ব্যস্ত এই সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করা জরুরি।’

যাত্রী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘চান্দিনায় চাকরি করার কারণে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। রাস্তা খারাপ হওয়ায় প্রায়ই গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়। দ্রুত কাজ শেষ করে মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা উচিত।’
এ বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘জনভোগান্তির বিষয়টি উল্লেখ করে আমার দপ্তর থেকে ঠিকাদারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জেলা দপ্তর থেকে ঠিকাদারের নিরাপত্তা জামানত নগদায়নের জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য আমার দপ্তর থেকে জোর নজরদারি করা হচ্ছে।’

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার চান্দিনাুদোল্লাই নবাবপুর সড়কের সংস্কারকাজ ধীরগতিতে চলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চান্দিনার দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ চললেও প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, চালক, ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা।
চান্দিনার দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগের প্রধান তিনটি সড়কের মধ্যে দুটি সড়কেই বর্তমানে সংস্কারকাজ চলছে। উপজেলা সদরেই চান্দিনা থানা, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকায় প্রতিদিন এসব সড়ক দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ চলায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চান্দিনা মোকামবাড়ী থেকে বদরপুর পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশের অবস্থা বেহাল। চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ। তবে এখন পর্যন্ত চান্দিনা মোকামবাড়ী থেকে বেলাশ্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের মসজিদ পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার অংশে আরসিসি ঢালাই করা হয়েছে। এছাড়া আওড়াল থেকে সিদ্ধেশ্বরী ব্রিকস ফিল্ডসংলগ্ন পুল পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি অংশে তেমন কোনো কাজ হয়নি।
বিশেষ করে ডুমুরিয়া বড় পুল এলাকা থেকে ‘নিজেরা করি’ অফিস পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কের অবস্থা ভয়াবহ। বর্ষা মৌসুমে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় যানবাহন চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়ভাবে ইট-কংক্রিট দিয়ে কিছু অংশ মেরামত করা হলেও তা স্থায়ী হচ্ছে না। ডুমুরিয়া বাজার এলাকায় সড়কের এক পাশ দেবে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
সিএনজি অটোরিকেশা চালক মো. ফরিদ মিয়া বলেন, ‘রাস্তার অবস্থা ভয়াবহ। অনেক দিন ধরে কাজ চলছে। কিন্তু যে গতিতে কাজ হচ্ছে, তাতে কাজ কবে শেষ হবে বলা মুশকিল। দ্রুত কাজ না করায় দিন দিন এ সড়ক দিয়ে চলাচল কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
আরেক সিএনজি অটোরিকশা চালক শাহীদ মিয়া বলেন, ‘রাস্তার কাজ খুব ধীরগতিতে চলছে। এভাবে চললে কয়েক বছরেও কাজ শেষ হবে না। দ্রুত কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’
ব্যবসায়ী মো. নূরে আলম বলেন, ‘সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই ব্যবসায়িক মালামাল বহনকারী গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে মালামাল নষ্ট হয়। রাস্তা খারাপ হওয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভাড়া দিয়েও মালামাল পরিবহন করা যায় না। ব্যস্ত এই সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করা জরুরি।’

যাত্রী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘চান্দিনায় চাকরি করার কারণে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। রাস্তা খারাপ হওয়ায় প্রায়ই গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়। দ্রুত কাজ শেষ করে মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা উচিত।’
এ বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘জনভোগান্তির বিষয়টি উল্লেখ করে আমার দপ্তর থেকে ঠিকাদারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জেলা দপ্তর থেকে ঠিকাদারের নিরাপত্তা জামানত নগদায়নের জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য আমার দপ্তর থেকে জোর নজরদারি করা হচ্ছে।’