চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকার ফ্যাসিজমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের সে পথ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করছি।
আজ শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত ইউনিট সভাপতিদের সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পরে বিকেল তিনটায় কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলে জেলা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষাশিবিরে বক্তব্য রাখেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা ও বিএনপিসহ অনেকগুলো রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছিলাম। সেখানে উল্লেখ ছিল, নির্বাচিত সরকার ১৮০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু ক্ষমতায় এসে সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তারা এখন জুলাই সনদকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে। সেপ্টেম্বরে ১৮০ দিন পূর্ণ হবে। আমরা আশা করব, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অধিবেশন ডেকে সে সনদকে বাস্তবায়ন করবে। অন্যথায়, আমরা এদেশের জনগণকে নিয়ে সনদ বাস্তবায়নে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেব।

তিনি বলেন, সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যাচ্ছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদসহ সব উন্নয়ন ক্ষেত্রে দলীয়করণ করা হচ্ছে, এটা অসাংবিধানিক। আজকে যদি, দেশে কোনো দলীয় সরকার না থাকতো, তাহলে প্রশাসক নিয়োগটা বৈধতা ছিল। কিন্তু এখন দলীয় নির্বাচিত সরকার রয়েছে, তারা এটা পারে না। সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে জনপ্রতিনিধির নির্বাচন করার সুযোগ দিলে জনগণের ভোগান্তি কমবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে গোলাম পরওয়ার বলেন, এদেশে সব বিষয়ক একজন মন্ত্রী রয়েছে। তিনি সব মন্ত্রণালয় নিয়ে কথা বলেন। জাতীয় সংসদের বিরোধী দলকে ছোট করে তিনি বক্তব্য রাখেন, অথচ তার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা আইনশৃঙ্খলার অবনতির দিকে তার খেয়াল নাই।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি না। সব দিকে শুধু সরকারদলীয় লোকদের মারামারি দেখতে পাচ্ছি। দেশে উন্নয়নের বৈষম্য চলছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের আসনে সুষম বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না।
ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্য তার এলাকায় সব উন্নয়ন করবে, উদ্বোধন করবে, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সরকার বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের এলাকায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদেরকে দারোয়ান হিসেবে উন্নয়ন তদারকির দায়িত্ব প্রদান করেছে, যা বেমানান। এতে করে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আরও খাটো করা হচ্ছে।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে পরওয়ার বলেন, বিরোধী দলের ১৩ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রয়েছে। তাহলে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় আমাদের নারী সংসদ সদস্যদেরকে তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হোক।
কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুমের সভাপতিত্বে অঞ্চল সহকারী পরিচালক ও কুমিল্লা মহানগরী আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ পরিচালনা শিক্ষাশিবিরে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়া।
এর আগে জামায়াতের ইউনিট প্রতিনিধি সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ শাহজাহান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকার ফ্যাসিজমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের সে পথ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করছি।
আজ শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত ইউনিট সভাপতিদের সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পরে বিকেল তিনটায় কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলে জেলা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষাশিবিরে বক্তব্য রাখেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা ও বিএনপিসহ অনেকগুলো রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছিলাম। সেখানে উল্লেখ ছিল, নির্বাচিত সরকার ১৮০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু ক্ষমতায় এসে সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তারা এখন জুলাই সনদকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে। সেপ্টেম্বরে ১৮০ দিন পূর্ণ হবে। আমরা আশা করব, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অধিবেশন ডেকে সে সনদকে বাস্তবায়ন করবে। অন্যথায়, আমরা এদেশের জনগণকে নিয়ে সনদ বাস্তবায়নে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেব।

তিনি বলেন, সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যাচ্ছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদসহ সব উন্নয়ন ক্ষেত্রে দলীয়করণ করা হচ্ছে, এটা অসাংবিধানিক। আজকে যদি, দেশে কোনো দলীয় সরকার না থাকতো, তাহলে প্রশাসক নিয়োগটা বৈধতা ছিল। কিন্তু এখন দলীয় নির্বাচিত সরকার রয়েছে, তারা এটা পারে না। সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে জনপ্রতিনিধির নির্বাচন করার সুযোগ দিলে জনগণের ভোগান্তি কমবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে গোলাম পরওয়ার বলেন, এদেশে সব বিষয়ক একজন মন্ত্রী রয়েছে। তিনি সব মন্ত্রণালয় নিয়ে কথা বলেন। জাতীয় সংসদের বিরোধী দলকে ছোট করে তিনি বক্তব্য রাখেন, অথচ তার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা আইনশৃঙ্খলার অবনতির দিকে তার খেয়াল নাই।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি না। সব দিকে শুধু সরকারদলীয় লোকদের মারামারি দেখতে পাচ্ছি। দেশে উন্নয়নের বৈষম্য চলছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের আসনে সুষম বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না।
ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্য তার এলাকায় সব উন্নয়ন করবে, উদ্বোধন করবে, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সরকার বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের এলাকায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদেরকে দারোয়ান হিসেবে উন্নয়ন তদারকির দায়িত্ব প্রদান করেছে, যা বেমানান। এতে করে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আরও খাটো করা হচ্ছে।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে পরওয়ার বলেন, বিরোধী দলের ১৩ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রয়েছে। তাহলে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় আমাদের নারী সংসদ সদস্যদেরকে তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হোক।
কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুমের সভাপতিত্বে অঞ্চল সহকারী পরিচালক ও কুমিল্লা মহানগরী আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ পরিচালনা শিক্ষাশিবিরে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়া।
এর আগে জামায়াতের ইউনিট প্রতিনিধি সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ শাহজাহান।