গভীর রাতে মসজিদের দানের টাকা চুরির ঘটনায় কিশোরের মাথা ন্যাড়া
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন
চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার চিলোড়া বাজারে মসজিদের দানের টাকা চুরিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এলডিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। সংঘর্ষের সময় দোকানপাট, বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এ সময় একটি মোটর সাইকেলে আগুন ও চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আজ রোববার বেলা ২ টা থেকে প্রায় ৪ টা পর্যন্ত দফায় দফায় ওই সংঘর্ষ ঘটে।

খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। হামলাকারীরা এ সময় পুলিশের উপরও হামলা করে। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির- এলডিপির অঙ্গ সংগঠন গণতান্ত্রিক যুবদল বাড়েরা ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম (৩৫) কে কুপিয়ে জখম করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

সংঘর্ষের সময় বাড়েরা ইউনিয়ন গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দল সহ-সভাপতি ছোটন এর খাবার হোটেল, গণতান্ত্রিক যুবদল বাড়েরা ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম এর ভাই হোসাইন এর একটি চা দোকান ভাঙচুর হয়। এছাড়া ছোটনের খাবার হোটেল থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা লুট হয়। এছাড়া বসত বাড়ি ভাঙচুর করে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বাড়েরা ইউনিয়ন গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দল সহ-সভাপতি ছোটন জানান, চিলোড়া বাজার জামে মসজিদের উন্নয়নের দানের যে টাকা পাওয়া যায় সেগুলো গণতান্ত্রিক যুবদল বাড়েরা ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলামের মুদি দোকানে রাখা হয়। গতকাল শনিবার দিনগত রাত ২ টা ৩০ মিনিটে দোকানের সাটারের তালা ভেঙে ফেলা হয়। এ সময় ওই দোকানের ক্যাশ ভেঙে মসজিদ ও দোকানের টাকা নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরা যাচাই করে দেখা যায় পার্শ্ববর্তী এতবারপুর গ্রামের মৎস্যজীবী দল নেতা মো. রোকনের ছেলে মো. রিফাত (১৫) ওই টাকা চুরি করে।

আজ রোববার দুপুরে অভিযুক্ত রিফাতকে চিলোড়া বাজারে পেয়ে আটক করা হয়। এসময় উত্তেজিত মানুষ রিফাতকে মারধর করে মাথা ন্যাড়া করে দেয়। ওই ঘটনার জের ধরে রিফাতের গ্রাম এতবারপুর, পৌরসভার হারং ও মহারং এলাকার বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক যুবদল বাড়েরা ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম এর বসত বাড়িতে হামলা করে তাঁকে বেধরক মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে মারধর এবং দোকান ভাঙচুর করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

তিনি অভিযোগ করেন- চান্দিনা পৌর যুবদল আহ্বায়ক হাজী নূরু, পৌর ছাত্রদল আহ্বায়ক দোলন, এতবারপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান এর নেতৃত্বে ওই হামলা চালায় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
অভিযুক্ত চান্দিনা পৌর যুবদল আহ্বায়ক হাজী নূরুল ইসলাম মুন্সী বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন- আমার মা অসুস্থ থাকায় আমি সারাদিন কুমিল্লাতে আছি। এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। অন্যরাও অভিযোগ অস্বীকার করেন।
উপজেলা এলডিপির সভাপতি একেএম শামসুল হক বলেন, বিএনপি সম্প্রতি সারাদেশে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে কোন প্রার্থী দেয়নি দলটি। যুগপৎ আন্দোলনে আমরা বিএনপির সাথে স্বৈরাচার বিরোধী সকল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। ফলে এই আসনে আমাদের দলের মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাবনা দেখা দিলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাওন ও তাঁর লোকজন ইচ্ছাকৃত ভাবে এলডিপির নেতাকর্মীদের সাথে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমরা সব সময় সংঘর্ষ এড়িয়ে চলতে চাই। তবে, আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ বলেন, সন্দেহজনক ভাবে ১২ বছরের একটি ছেলেকে মারধর করার খবর পেয়ে আমাদের কিছু নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের ৪-৫ জন নেতাকর্মীকে মারধর করে।
এতবারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যায়নি বলে তিনি দাবি করেন। এতে পাঁচটি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেয় বলে তিনি দাবি করেন।
চান্দিনা থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, চুরির ঘটনা থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার চিলোড়া বাজারে মসজিদের দানের টাকা চুরিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এলডিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। সংঘর্ষের সময় দোকানপাট, বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এ সময় একটি মোটর সাইকেলে আগুন ও চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আজ রোববার বেলা ২ টা থেকে প্রায় ৪ টা পর্যন্ত দফায় দফায় ওই সংঘর্ষ ঘটে।

খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। হামলাকারীরা এ সময় পুলিশের উপরও হামলা করে। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির- এলডিপির অঙ্গ সংগঠন গণতান্ত্রিক যুবদল বাড়েরা ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম (৩৫) কে কুপিয়ে জখম করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

সংঘর্ষের সময় বাড়েরা ইউনিয়ন গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দল সহ-সভাপতি ছোটন এর খাবার হোটেল, গণতান্ত্রিক যুবদল বাড়েরা ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম এর ভাই হোসাইন এর একটি চা দোকান ভাঙচুর হয়। এছাড়া ছোটনের খাবার হোটেল থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা লুট হয়। এছাড়া বসত বাড়ি ভাঙচুর করে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বাড়েরা ইউনিয়ন গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দল সহ-সভাপতি ছোটন জানান, চিলোড়া বাজার জামে মসজিদের উন্নয়নের দানের যে টাকা পাওয়া যায় সেগুলো গণতান্ত্রিক যুবদল বাড়েরা ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলামের মুদি দোকানে রাখা হয়। গতকাল শনিবার দিনগত রাত ২ টা ৩০ মিনিটে দোকানের সাটারের তালা ভেঙে ফেলা হয়। এ সময় ওই দোকানের ক্যাশ ভেঙে মসজিদ ও দোকানের টাকা নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরা যাচাই করে দেখা যায় পার্শ্ববর্তী এতবারপুর গ্রামের মৎস্যজীবী দল নেতা মো. রোকনের ছেলে মো. রিফাত (১৫) ওই টাকা চুরি করে।

আজ রোববার দুপুরে অভিযুক্ত রিফাতকে চিলোড়া বাজারে পেয়ে আটক করা হয়। এসময় উত্তেজিত মানুষ রিফাতকে মারধর করে মাথা ন্যাড়া করে দেয়। ওই ঘটনার জের ধরে রিফাতের গ্রাম এতবারপুর, পৌরসভার হারং ও মহারং এলাকার বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক যুবদল বাড়েরা ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম এর বসত বাড়িতে হামলা করে তাঁকে বেধরক মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে মারধর এবং দোকান ভাঙচুর করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

তিনি অভিযোগ করেন- চান্দিনা পৌর যুবদল আহ্বায়ক হাজী নূরু, পৌর ছাত্রদল আহ্বায়ক দোলন, এতবারপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান এর নেতৃত্বে ওই হামলা চালায় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
অভিযুক্ত চান্দিনা পৌর যুবদল আহ্বায়ক হাজী নূরুল ইসলাম মুন্সী বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন- আমার মা অসুস্থ থাকায় আমি সারাদিন কুমিল্লাতে আছি। এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। অন্যরাও অভিযোগ অস্বীকার করেন।
উপজেলা এলডিপির সভাপতি একেএম শামসুল হক বলেন, বিএনপি সম্প্রতি সারাদেশে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে কোন প্রার্থী দেয়নি দলটি। যুগপৎ আন্দোলনে আমরা বিএনপির সাথে স্বৈরাচার বিরোধী সকল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। ফলে এই আসনে আমাদের দলের মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাবনা দেখা দিলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাওন ও তাঁর লোকজন ইচ্ছাকৃত ভাবে এলডিপির নেতাকর্মীদের সাথে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমরা সব সময় সংঘর্ষ এড়িয়ে চলতে চাই। তবে, আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ বলেন, সন্দেহজনক ভাবে ১২ বছরের একটি ছেলেকে মারধর করার খবর পেয়ে আমাদের কিছু নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের ৪-৫ জন নেতাকর্মীকে মারধর করে।
এতবারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যায়নি বলে তিনি দাবি করেন। এতে পাঁচটি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেয় বলে তিনি দাবি করেন।
চান্দিনা থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, চুরির ঘটনা থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।