নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার চান্দিনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে ভিডিও করার ঘটনায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠান এসিল্যান্ড ফয়সাল আল নূর। একই সঙ্গে দুই সাংবাদিকের সঙ্গে এসিল্যান্ড থানায় যান। সেখানে ওসির সামনে সাদা কাগজে মুচলেকা নেন। ঘটনার দিন দুই সাংবাদিককে তুই তুকারি করেন। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে একদিনের ব্যবধানে ওই এসিল্যান্ডকে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বদলি করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. বরমান হোসেন স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার দেবীদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি রাসেল সরকার এবং দৈনিক আমার শহর পত্রিকার দেবীদ্বার প্রতিনিধি আব্দুল আলীম।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুল আলীম বলেন, আমার আপন খালাতো বোনের নামজারি নিয়ে গত ১ বছর ধরে ঘুরাচ্ছেন এসিল্যান্ড ফয়সাল আল নূর। বুধবার ওই নামজারির শুনানির দিন ছিল। আমাকে তিনদিন আগে আমার খালাতো বোন ফোন করে উপস্থিত থাকার জন্য বলেন। আমি আমার সহকর্মী মানবজমিনের প্রতিনিধি রাসেলকে নিয়ে চান্দিনায় যাই। এর আগে চান্দিনায় কর্মরত আমার পরিচিত সাংবাদিকদের ফোন করি। কিন্তু তাঁরা বিভিন্ন কাজে চান্দিনার বাইরে অবস্থান করায় কাউকে পাইনি। বুধবার ১১টার দিকে আমরা ভূমি অফিসে যাই। দুপুর দুইটা বাজার ২০ মিনিট আগে আমরা এসিল্যান্ডকে জিজ্ঞেস করি শুনানিটা আজ হবে কি না। এসময় এসিল্যান্ড উত্তেজিত হয়ে আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করেন। আমি পকেট থেকে মোবাইল ফোন বের করে তার খারাপ আচরণের ভিডিও ধারণের সময় তিনি টের পান। এসময় আমার কাছ থেকে জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিতে চাইলে আমি বাধা দিই। তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি পুলিশ ফোন করে এনে আমাকে এবং সাংবাদিক রাসেল সরকারকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যেতে পুলিশকে আদেশ দিলে পুলিশ আমাদের হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, থানায় নেওয়ার পর আমার কাছ থেকে জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় মোবাইলের লক খুলে গ্যালারির সব ছবি এবং ভিডিও ডিলিট করে দেন। পরে আমরা এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করব না মর্মে জোর করে আমাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে আমাদের মুক্ত করে দিলে আমরা দেবীদ্বার চলে আসি।

কুমিল্লার চান্দিনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে ভিডিও করার ঘটনায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠান এসিল্যান্ড ফয়সাল আল নূর। একই সঙ্গে দুই সাংবাদিকের সঙ্গে এসিল্যান্ড থানায় যান। সেখানে ওসির সামনে সাদা কাগজে মুচলেকা নেন। ঘটনার দিন দুই সাংবাদিককে তুই তুকারি করেন। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে একদিনের ব্যবধানে ওই এসিল্যান্ডকে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বদলি করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. বরমান হোসেন স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার দেবীদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি রাসেল সরকার এবং দৈনিক আমার শহর পত্রিকার দেবীদ্বার প্রতিনিধি আব্দুল আলীম।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুল আলীম বলেন, আমার আপন খালাতো বোনের নামজারি নিয়ে গত ১ বছর ধরে ঘুরাচ্ছেন এসিল্যান্ড ফয়সাল আল নূর। বুধবার ওই নামজারির শুনানির দিন ছিল। আমাকে তিনদিন আগে আমার খালাতো বোন ফোন করে উপস্থিত থাকার জন্য বলেন। আমি আমার সহকর্মী মানবজমিনের প্রতিনিধি রাসেলকে নিয়ে চান্দিনায় যাই। এর আগে চান্দিনায় কর্মরত আমার পরিচিত সাংবাদিকদের ফোন করি। কিন্তু তাঁরা বিভিন্ন কাজে চান্দিনার বাইরে অবস্থান করায় কাউকে পাইনি। বুধবার ১১টার দিকে আমরা ভূমি অফিসে যাই। দুপুর দুইটা বাজার ২০ মিনিট আগে আমরা এসিল্যান্ডকে জিজ্ঞেস করি শুনানিটা আজ হবে কি না। এসময় এসিল্যান্ড উত্তেজিত হয়ে আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করেন। আমি পকেট থেকে মোবাইল ফোন বের করে তার খারাপ আচরণের ভিডিও ধারণের সময় তিনি টের পান। এসময় আমার কাছ থেকে জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিতে চাইলে আমি বাধা দিই। তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি পুলিশ ফোন করে এনে আমাকে এবং সাংবাদিক রাসেল সরকারকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যেতে পুলিশকে আদেশ দিলে পুলিশ আমাদের হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, থানায় নেওয়ার পর আমার কাছ থেকে জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় মোবাইলের লক খুলে গ্যালারির সব ছবি এবং ভিডিও ডিলিট করে দেন। পরে আমরা এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করব না মর্মে জোর করে আমাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে আমাদের মুক্ত করে দিলে আমরা দেবীদ্বার চলে আসি।