• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> চান্দিনা

ফ্যামিলি কার্ডের নামে ৫৯ নারী থেকে টাকা ও কাগজপত্র নেওয়ার অভিযোগ

আবু সাঈদ, চান্দিনা
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ২৯
logo

ফ্যামিলি কার্ডের নামে ৫৯ নারী থেকে টাকা ও কাগজপত্র নেওয়ার অভিযোগ

আবু সাঈদ, চান্দিনা

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ২৯
Photo

সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু হওয়ার আগেই কুমিল্লার চান্দিনায় কার্ড করে দেওয়ার নামে অসহায় ও দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মহিচাইল ইউনিয়নের জামিরাপাড়া, জোরপুকুরিয়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামের অন্তত ৫৯ জনের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগের তির স্থানীয় যুবদল ও বিএনপির দুই নেতার দিকে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে গত ১৬ আগস্ট চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়। তবে অভিযোগের প্রায় এক মাস পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এমনকি পরে ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে তারা জানতে পারেন, তাদের দেওয়া অভিযোগের নথি সেখানে পাওয়া যাচ্ছে না।

অভিযুক্তরা হলেন-মহিচাইল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম ও জোড়পুকুরিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা আবুল হোসেন।

ভুক্তভোগী জোড়পুকুরিয়া গ্রামের রাশিদা বেগমের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিএনপি নেতা আবুল হোসেন তাঁর এবং তাঁর দুই পুত্রবধূর কাছ থেকে ছবি, এনআইডির ফটোকপি ও জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নেন। প্রায় দুই মাসেও কার্ড না পেয়ে যোগাযোগ করলে বিভিন্ন কথা বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

রাশিদা বেগম বলেন, পরে এলাকার কয়েকজনকে বিষয়টি জানালে তারা ভুক্তভোগীদের পক্ষে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

একই ধরনের অভিযোগ করেছেন জামিরাপাড়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামের আয়েশা, হালিমা ও নূরজাহানসহ কয়েকজন নারী। তাদের অভিযোগ, কার্ড পাওয়ার আশায় টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়ার পরও তারা কোনো কার্ড পাননি।

অভিযোগকারী শামীম আহমেদ মজুমদারের দাবি, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভিজিডি ও ভিজিএফের চাল বিতরণেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ১৬ আগস্ট স্মারক নম্বরসহ ইউএনও কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, প্রায় এক মাসেও অভিযোগের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা আবার ইউএনও কার্যালয়ে যান। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের দেওয়া লিখিত অভিযোগটি নথিতে নেই। এ ঘটনায় তারা হতাশ।

তবে অভিযুক্ত যুবদল নেতা খোরশেদ আলম টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, জোরপুকুরিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের কথামতো ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছেন। তাঁর দাবি, চান্দিনা সদরে যাতায়াত এবং অনলাইনে আবেদন করার খরচ হিসেবে ওই টাকা নেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আবুল হোসেনও টাকা ও কাগজপত্র নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তিন গ্রাম থেকে মোট ৫৯টি আবেদনের জন্য কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছেন। টাকা ও কাগজপত্র এখনও তাঁর কাছে রয়েছে। যারা টাকা ফেরত চাইবেন, তাদের ফেরত দেওয়া হবে।

চান্দিনায় এখনও ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছে কি নাÑএমন প্রশ্নের জবাবে আবুল হোসেন বলেন, আগে কাগজপত্র ও টাকা নিয়ে রেখেছেন; কর্মসূচি চালু হলে তখন কার্ড দেওয়া হবে।

এদিকে, বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন মহিচাইল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, খোরশেদ আলম ৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেও আবুল হোসেনের দলের কোনো পদ-পদবি নেই। তারা এ ধরনের কাজ করে থাকলে দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে তাঁর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করা হয়ে থাকলে আবেদনটি দেখে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Thumbnail image

সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু হওয়ার আগেই কুমিল্লার চান্দিনায় কার্ড করে দেওয়ার নামে অসহায় ও দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মহিচাইল ইউনিয়নের জামিরাপাড়া, জোরপুকুরিয়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামের অন্তত ৫৯ জনের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগের তির স্থানীয় যুবদল ও বিএনপির দুই নেতার দিকে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে গত ১৬ আগস্ট চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়। তবে অভিযোগের প্রায় এক মাস পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এমনকি পরে ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে তারা জানতে পারেন, তাদের দেওয়া অভিযোগের নথি সেখানে পাওয়া যাচ্ছে না।

অভিযুক্তরা হলেন-মহিচাইল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম ও জোড়পুকুরিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা আবুল হোসেন।

ভুক্তভোগী জোড়পুকুরিয়া গ্রামের রাশিদা বেগমের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিএনপি নেতা আবুল হোসেন তাঁর এবং তাঁর দুই পুত্রবধূর কাছ থেকে ছবি, এনআইডির ফটোকপি ও জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নেন। প্রায় দুই মাসেও কার্ড না পেয়ে যোগাযোগ করলে বিভিন্ন কথা বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

রাশিদা বেগম বলেন, পরে এলাকার কয়েকজনকে বিষয়টি জানালে তারা ভুক্তভোগীদের পক্ষে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

একই ধরনের অভিযোগ করেছেন জামিরাপাড়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামের আয়েশা, হালিমা ও নূরজাহানসহ কয়েকজন নারী। তাদের অভিযোগ, কার্ড পাওয়ার আশায় টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়ার পরও তারা কোনো কার্ড পাননি।

অভিযোগকারী শামীম আহমেদ মজুমদারের দাবি, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভিজিডি ও ভিজিএফের চাল বিতরণেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ১৬ আগস্ট স্মারক নম্বরসহ ইউএনও কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, প্রায় এক মাসেও অভিযোগের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা আবার ইউএনও কার্যালয়ে যান। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের দেওয়া লিখিত অভিযোগটি নথিতে নেই। এ ঘটনায় তারা হতাশ।

তবে অভিযুক্ত যুবদল নেতা খোরশেদ আলম টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, জোরপুকুরিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের কথামতো ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছেন। তাঁর দাবি, চান্দিনা সদরে যাতায়াত এবং অনলাইনে আবেদন করার খরচ হিসেবে ওই টাকা নেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আবুল হোসেনও টাকা ও কাগজপত্র নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তিন গ্রাম থেকে মোট ৫৯টি আবেদনের জন্য কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছেন। টাকা ও কাগজপত্র এখনও তাঁর কাছে রয়েছে। যারা টাকা ফেরত চাইবেন, তাদের ফেরত দেওয়া হবে।

চান্দিনায় এখনও ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছে কি নাÑএমন প্রশ্নের জবাবে আবুল হোসেন বলেন, আগে কাগজপত্র ও টাকা নিয়ে রেখেছেন; কর্মসূচি চালু হলে তখন কার্ড দেওয়া হবে।

এদিকে, বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন মহিচাইল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, খোরশেদ আলম ৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেও আবুল হোসেনের দলের কোনো পদ-পদবি নেই। তারা এ ধরনের কাজ করে থাকলে দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে তাঁর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করা হয়ে থাকলে আবেদনটি দেখে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

জুলাই সনদে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের কথা বলা আছে

২

কুমিল্লা দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং মহানগর বিএনপির মতবিনিময় সভা

৩

কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধে ফুপু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা

৪

কুমিল্লায় যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার

৫

ফ্যামিলি কার্ডের নামে ৫৯ নারী থেকে টাকা ও কাগজপত্র নেওয়ার অভিযোগ

সম্পর্কিত

জুলাই সনদে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের কথা বলা আছে

জুলাই সনদে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের কথা বলা আছে

২ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং মহানগর বিএনপির মতবিনিময় সভা

কুমিল্লা দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং মহানগর বিএনপির মতবিনিময় সভা

২ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধে ফুপু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধে ফুপু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লায় যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার

কুমিল্লায় যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার

৩ ঘণ্টা আগে