চান্দিনা প্রতিনিধি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে দাবিতে কুমিল্লায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
চান্দিনা প্রতিনিধি জানান, ইসলামী ব্যাংক চান্দিনা শাখার সামনে ইসলামী ব্যাংক ব্যবসায়ী সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংক ব্যবসায়ী সমাজ চান্দিনার আহ্বায়ক মাওলানা খাইরুল বাশার, গ্রাহক হাবিবুল্লাহ বাহার, মাওলানা মাজহারুল ইসলাম আতেকি, ইলিয়াস হোসাইন, দলিলুর রহমান দুলাল।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের আস্থা ইসলামী ব্যাংক। বিগত স্বৈরাচার সরকার ব্যাংকটি এসআলম গ্রুপসহ কয়েকটি গ্রুপের মাধ্যমে লুটপাট করেছে। ব্যাংকটি অনেকটা তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হয়। সেখান থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাংকটি আবার যোগ্য কর্মকর্তাদের হাত ধরে পূর্বের অবস্থানে ফিরতে সক্ষম হয়।
তারা আরও বলেন, এখন আবার ব্যাংক থেকে বহিষ্কৃত লোককে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হচ্ছে। এই চেয়ারম্যানকে কোনো গ্রাহকেই মেনে নিবে না। সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান ব্যাংকটিতে যাতে হস্তক্ষেপ না করা হয়। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন ও কর্মসূচি হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
এ সময় মাহবুবুর রহমান সরকার, মিজানুর রহমান, আলমগীর হোসেন, শাহ আলম, জহিরুল ইসলাম, আবু তাহের সহ ব্যবসায়ী ও ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা উপস্থিত ছিলেন।
দাউদকান্দি প্রতিনিধি জানান, বেলা ১১টায় দাউদকান্দি পৌর বাজারে ইসলামী ব্যাংকের শাখা কার্যালয়ের সামনে ইসলামী ব্যাংক ব্যবসায়ী সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে এলাকার ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও গ্রাহকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা যায়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী নেতা বিল্লাল মিয়াজী, রেজাউল হক সরকার, আবু বকর সিদ্দিক এবং ইসমাঈল হোসেন তালুকদার।
বক্তারা বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে ইসলামী ব্যাংক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ব্যাংকের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। এসব বিষয় নিশ্চিত হলে ব্যাংকের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তারা মত প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন আহমেদ।
মানববন্ধন শেষে বক্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ব্যাংকের স্বার্থ ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ব্যবসায়ী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানানো হয়।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে দাবিতে কুমিল্লায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
চান্দিনা প্রতিনিধি জানান, ইসলামী ব্যাংক চান্দিনা শাখার সামনে ইসলামী ব্যাংক ব্যবসায়ী সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংক ব্যবসায়ী সমাজ চান্দিনার আহ্বায়ক মাওলানা খাইরুল বাশার, গ্রাহক হাবিবুল্লাহ বাহার, মাওলানা মাজহারুল ইসলাম আতেকি, ইলিয়াস হোসাইন, দলিলুর রহমান দুলাল।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের আস্থা ইসলামী ব্যাংক। বিগত স্বৈরাচার সরকার ব্যাংকটি এসআলম গ্রুপসহ কয়েকটি গ্রুপের মাধ্যমে লুটপাট করেছে। ব্যাংকটি অনেকটা তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হয়। সেখান থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাংকটি আবার যোগ্য কর্মকর্তাদের হাত ধরে পূর্বের অবস্থানে ফিরতে সক্ষম হয়।
তারা আরও বলেন, এখন আবার ব্যাংক থেকে বহিষ্কৃত লোককে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হচ্ছে। এই চেয়ারম্যানকে কোনো গ্রাহকেই মেনে নিবে না। সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান ব্যাংকটিতে যাতে হস্তক্ষেপ না করা হয়। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন ও কর্মসূচি হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
এ সময় মাহবুবুর রহমান সরকার, মিজানুর রহমান, আলমগীর হোসেন, শাহ আলম, জহিরুল ইসলাম, আবু তাহের সহ ব্যবসায়ী ও ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা উপস্থিত ছিলেন।
দাউদকান্দি প্রতিনিধি জানান, বেলা ১১টায় দাউদকান্দি পৌর বাজারে ইসলামী ব্যাংকের শাখা কার্যালয়ের সামনে ইসলামী ব্যাংক ব্যবসায়ী সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে এলাকার ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও গ্রাহকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা যায়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী নেতা বিল্লাল মিয়াজী, রেজাউল হক সরকার, আবু বকর সিদ্দিক এবং ইসমাঈল হোসেন তালুকদার।
বক্তারা বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে ইসলামী ব্যাংক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ব্যাংকের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। এসব বিষয় নিশ্চিত হলে ব্যাংকের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তারা মত প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন আহমেদ।
মানববন্ধন শেষে বক্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ব্যাংকের স্বার্থ ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ব্যবসায়ী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানানো হয়।