চান্দিনা প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা অংশের কাঠেরপুলে ফুটওভারব্রিজের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা। প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধের পর স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে মহাসড়ক থেকে সরে দাঁড়ায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশের সহযোগিতায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আজ রোববার দুপুর ১২টায় চান্দিনার কাঠেরপুল এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে চান্দিনা ও দেবীদ্বার উপজেলার কয়েক গ্রামের মানুষ। এতে মহাসড়কের ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী উভয় পাশে অন্তত ৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে দুপুর ১টায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ আশরাফুল হকসহ উপজেলা প্রশাসন, থানা ও হাইওয়ে পুলিশ। এসময় মহাসড়ক অবরোধের বিষয়ে উত্তেজিত জনতার কথা শুনেন তারা। স্থানীয় সাংসদ ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলে মহাসড়ক থেকে সরে যায় আন্দোলনকারীরা।
হাইওয়ে পুলিশ ময়নামতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন জানান, দুপুর ১টায় অবরোধ তুলে নিলে আমাদের হাইওয়ে পুুলিশের প্রচেষ্টায় যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এক ঘণ্টার যানজটের ফলে যান চলাচলে কিছুটা ধীর গতি রয়েছে। তবে এক ঘণ্টার মধ্যে সেটাও স্বাভাবিক হবে।
এর আগে ১ এপ্রিল ওই স্থানে মহাসড়ক পারাপারের সময় লরিচাপায় প্রাণ হারায় চান্দিনার বড়গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ইবনে তাইম। ওই ঘটনার পর গত ৩ এপ্রিল কাঠেরপুল এলাকায় মানববন্ধন করে চান্দিনা ও দেবীদ্বার উপজেলার সাতটি গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
আন্দোলনকারী চান্দিনার রারিরচর গ্রামের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান রাসেল জানান. মহাসড়কের কাঠেরপুলের অংশের একপাশে দেবীদ্বার উপজেলা এবং অপর পাশে চান্দিনা উপজেলা। দেবীদ্বার উপজেলার অন্তত ৫টি গ্রামের মানুষ ওই অংশটি অতিক্রম করে প্রতিদিন চান্দিনা বাজার ও স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। এছাড়া চান্দিনার রারিরচর ও গোবিন্দপুর গ্রামের মানুষও বেশিরভাগ ওই অংশ দিয়ে মহাসড়ক অতিক্রম করে। গত তিন বছরে ওই স্থানে ৪জন স্কুল শিক্ষার্থীসহ অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। দ্রুত ওই স্থানে ফুটওভারব্রিজ, ইউলুপ বা আন্ডারপাস তৈরি স্থানীয় সমাধান করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
তবে আন্দোলনকারীদের ওই দাবিকে অযৌক্তিক বলে মনে করেন প্রশাসন ও স্থানীয় সচেতন মহল। কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মহাসড়কের চান্দিনার ২৫ কিলোমিটার এলাকায় পাঁচটি ফুটওভারব্রিজ রয়েছে। সেগুলোই যথাযথ ভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। কয়েকটি ফুটওভারব্রিজে প্রতিদিন একজন মানুষও উঠে না! সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনা বৃদ্ধি করা জরুরি।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কুমিল্লা নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা জানান, মহাসড়কের কোনো স্থানে যদি ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ বা ইউলুপ করার প্রয়োজন হয় তাহলে মহাসড়ক অবরোধ করার আগে আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করার প্রয়োজন। আমরা সেই আবেদনটি আমাদের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর পর সেখান থেকে একটি টেকনিক্যাল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মতামত দিবেন। তার পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা না করে যদি কেউ মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন জানান, মহাসড়কের কাঠেরপুল এলাকায় একটি ইউলুপ দরকার। তবে সেটি সময় সাপেক্ষ। আমরা চেষ্টা করব দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা অংশের কাঠেরপুলে ফুটওভারব্রিজের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা। প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধের পর স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে মহাসড়ক থেকে সরে দাঁড়ায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশের সহযোগিতায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আজ রোববার দুপুর ১২টায় চান্দিনার কাঠেরপুল এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে চান্দিনা ও দেবীদ্বার উপজেলার কয়েক গ্রামের মানুষ। এতে মহাসড়কের ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী উভয় পাশে অন্তত ৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে দুপুর ১টায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ আশরাফুল হকসহ উপজেলা প্রশাসন, থানা ও হাইওয়ে পুলিশ। এসময় মহাসড়ক অবরোধের বিষয়ে উত্তেজিত জনতার কথা শুনেন তারা। স্থানীয় সাংসদ ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলে মহাসড়ক থেকে সরে যায় আন্দোলনকারীরা।
হাইওয়ে পুলিশ ময়নামতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন জানান, দুপুর ১টায় অবরোধ তুলে নিলে আমাদের হাইওয়ে পুুলিশের প্রচেষ্টায় যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এক ঘণ্টার যানজটের ফলে যান চলাচলে কিছুটা ধীর গতি রয়েছে। তবে এক ঘণ্টার মধ্যে সেটাও স্বাভাবিক হবে।
এর আগে ১ এপ্রিল ওই স্থানে মহাসড়ক পারাপারের সময় লরিচাপায় প্রাণ হারায় চান্দিনার বড়গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ইবনে তাইম। ওই ঘটনার পর গত ৩ এপ্রিল কাঠেরপুল এলাকায় মানববন্ধন করে চান্দিনা ও দেবীদ্বার উপজেলার সাতটি গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
আন্দোলনকারী চান্দিনার রারিরচর গ্রামের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান রাসেল জানান. মহাসড়কের কাঠেরপুলের অংশের একপাশে দেবীদ্বার উপজেলা এবং অপর পাশে চান্দিনা উপজেলা। দেবীদ্বার উপজেলার অন্তত ৫টি গ্রামের মানুষ ওই অংশটি অতিক্রম করে প্রতিদিন চান্দিনা বাজার ও স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। এছাড়া চান্দিনার রারিরচর ও গোবিন্দপুর গ্রামের মানুষও বেশিরভাগ ওই অংশ দিয়ে মহাসড়ক অতিক্রম করে। গত তিন বছরে ওই স্থানে ৪জন স্কুল শিক্ষার্থীসহ অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। দ্রুত ওই স্থানে ফুটওভারব্রিজ, ইউলুপ বা আন্ডারপাস তৈরি স্থানীয় সমাধান করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
তবে আন্দোলনকারীদের ওই দাবিকে অযৌক্তিক বলে মনে করেন প্রশাসন ও স্থানীয় সচেতন মহল। কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মহাসড়কের চান্দিনার ২৫ কিলোমিটার এলাকায় পাঁচটি ফুটওভারব্রিজ রয়েছে। সেগুলোই যথাযথ ভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। কয়েকটি ফুটওভারব্রিজে প্রতিদিন একজন মানুষও উঠে না! সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনা বৃদ্ধি করা জরুরি।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কুমিল্লা নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা জানান, মহাসড়কের কোনো স্থানে যদি ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ বা ইউলুপ করার প্রয়োজন হয় তাহলে মহাসড়ক অবরোধ করার আগে আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করার প্রয়োজন। আমরা সেই আবেদনটি আমাদের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর পর সেখান থেকে একটি টেকনিক্যাল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মতামত দিবেন। তার পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা না করে যদি কেউ মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন জানান, মহাসড়কের কাঠেরপুল এলাকায় একটি ইউলুপ দরকার। তবে সেটি সময় সাপেক্ষ। আমরা চেষ্টা করব দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে।