চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর দক্ষিণ বাজারে গভীর রাতে অগ্নিকান্ডে অন্তত ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের। শুক্রবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারের মরহুম জসিম মজুমদারের মালিকানাধীন একটি কাঠের মিল সংলগ্ন কাঠের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। গভীর রাতে দোকানের ভেতর আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে কাঠ ও দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই পাশের দোকানগুলো গ্রাস করে।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে তাহেরের তিনটি, আতিকের দুটি এবং ইউনুছের একটি কাঠের দোকানসহ আরও বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দোকানে থাকা কাঠ, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু শেষ হয়ে গেছে-কোনোকিছুই বের করার সুযোগ পাননি তাঁরা। তাদের দাবি, এই অগ্নিকান্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আগুনের ভয়াবহতায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে সবাইকে।
তারা আরও বলেন, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া তাদের কিছুই করার ছিল না। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত পৌঁছালে হয়তো ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা হলেও কমানো যেত।
ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার মাধ্যমে আগুন অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
তবে অভিযোগ উঠেছে যে, চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
জানতে চাইলে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা অমিত হাসান বলেন, মূলত ঘটনাস্থলটি আমাদের স্টেশন থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। এছাড়া মাধাইয়া-রহিমানগর সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব না। তিনি আরও বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিস টিমকে অবহিত করা হয় এবং তারাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা অসাবধানতাজনিত কোনো ঘটনা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর দক্ষিণ বাজারে গভীর রাতে অগ্নিকান্ডে অন্তত ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের। শুক্রবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারের মরহুম জসিম মজুমদারের মালিকানাধীন একটি কাঠের মিল সংলগ্ন কাঠের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। গভীর রাতে দোকানের ভেতর আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে কাঠ ও দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই পাশের দোকানগুলো গ্রাস করে।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে তাহেরের তিনটি, আতিকের দুটি এবং ইউনুছের একটি কাঠের দোকানসহ আরও বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দোকানে থাকা কাঠ, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু শেষ হয়ে গেছে-কোনোকিছুই বের করার সুযোগ পাননি তাঁরা। তাদের দাবি, এই অগ্নিকান্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আগুনের ভয়াবহতায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে সবাইকে।
তারা আরও বলেন, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া তাদের কিছুই করার ছিল না। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত পৌঁছালে হয়তো ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা হলেও কমানো যেত।
ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার মাধ্যমে আগুন অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
তবে অভিযোগ উঠেছে যে, চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
জানতে চাইলে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা অমিত হাসান বলেন, মূলত ঘটনাস্থলটি আমাদের স্টেশন থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। এছাড়া মাধাইয়া-রহিমানগর সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব না। তিনি আরও বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিস টিমকে অবহিত করা হয় এবং তারাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা অসাবধানতাজনিত কোনো ঘটনা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।