চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনায় ঘুমন্ত বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ কওে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হাট থেকে কেনা ধান কাটার শ্রমিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। হত্যার পর নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায় শ্রমিকেরা।
আজ রোববার সকালে চান্দিনা উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত বৃদ্ধা সমীরণ বেগম (৬৮) ওই গ্রামের আবদুল বাতেন মোল্লার স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, ধান কাটার জন্য গত ২৭ এপ্রিল বিকেলে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার শ্রমিকের হাট থেকে চারজন শ্রমিক ভাড়া আনেন। শনিবার একজন শ্রমিক তাদের পরিবারের একটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর ওই শ্রমিকরা রাতে আরও একজনকে ভাড়া আনেন। শ্রমিকরা তাদের বসতঘরের মাঝের কক্ষে থাকতেন। একপাশের কক্ষে বৃদ্ধা সমীরণ বেগম ও অপর পাশের কক্ষে তার স্বামী আবদুল বাতেন মোল্লা ঘুমাতেন। একমাত্র ছেলে আলাদা ঘরে থাকতেন।
নিহতের ছেলে বশির মোল্লা জানান, প্রতিদিন ভোরে উঠে মা ফজরের নামাজ আদায় করতেন। শ্রমিকেরাও খুব সকালে উঠে কাজ শুরু করত। রোববার সকালে আমরা ঘুম থেকে উঠে দেখি শ্রমিকরা নেই এবং পাশের কক্ষের বিছানায় আমার মায়ের হাত-পা বাঁধা এবং গলায় পর্দার কাপড় পেঁচিয়ে রাখা। আমরা ডাক চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ এগিয়ে আসেন।
শ্রমিকদের নাম ও পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন- তাদের কারও নামই আমাদের জানা নেই বা তারাও বলেনি। তবে তাদের বাড়ি চাঁদপুর ও ঢাকা জেলায় বলে জানান।
ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন সরকার জানান, বাতেন মোল্লা আমাদের এলাকার বেশ সম্পদশালী। এক ছেলে ও তিন মেয়ে তার। প্রতি বছর ক্যান্টনমেন্ট থেকে শ্রমিক এনে কাজ করান। প্রতিবারের ন্যায় এবারও শ্রমিক আনার পর শ্রমিকরা বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর নগদ প্রায় ৭০ হাজার টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও অনেক মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে আমরা ওই বাড়িতে আসি এবং পুলিশে খবর দিই।
চান্দিনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্ত শ্রমিকেরাই ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্যান্টনমেন্ট থেকে শ্রমিক আনতে সকলেই সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রত্যেক শ্রমিকের আইডি কার্ড ও ছবি রাখা জরুরি বলে মনে করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

কুমিল্লার চান্দিনায় ঘুমন্ত বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ কওে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হাট থেকে কেনা ধান কাটার শ্রমিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। হত্যার পর নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায় শ্রমিকেরা।
আজ রোববার সকালে চান্দিনা উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত বৃদ্ধা সমীরণ বেগম (৬৮) ওই গ্রামের আবদুল বাতেন মোল্লার স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, ধান কাটার জন্য গত ২৭ এপ্রিল বিকেলে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার শ্রমিকের হাট থেকে চারজন শ্রমিক ভাড়া আনেন। শনিবার একজন শ্রমিক তাদের পরিবারের একটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর ওই শ্রমিকরা রাতে আরও একজনকে ভাড়া আনেন। শ্রমিকরা তাদের বসতঘরের মাঝের কক্ষে থাকতেন। একপাশের কক্ষে বৃদ্ধা সমীরণ বেগম ও অপর পাশের কক্ষে তার স্বামী আবদুল বাতেন মোল্লা ঘুমাতেন। একমাত্র ছেলে আলাদা ঘরে থাকতেন।
নিহতের ছেলে বশির মোল্লা জানান, প্রতিদিন ভোরে উঠে মা ফজরের নামাজ আদায় করতেন। শ্রমিকেরাও খুব সকালে উঠে কাজ শুরু করত। রোববার সকালে আমরা ঘুম থেকে উঠে দেখি শ্রমিকরা নেই এবং পাশের কক্ষের বিছানায় আমার মায়ের হাত-পা বাঁধা এবং গলায় পর্দার কাপড় পেঁচিয়ে রাখা। আমরা ডাক চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ এগিয়ে আসেন।
শ্রমিকদের নাম ও পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন- তাদের কারও নামই আমাদের জানা নেই বা তারাও বলেনি। তবে তাদের বাড়ি চাঁদপুর ও ঢাকা জেলায় বলে জানান।
ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন সরকার জানান, বাতেন মোল্লা আমাদের এলাকার বেশ সম্পদশালী। এক ছেলে ও তিন মেয়ে তার। প্রতি বছর ক্যান্টনমেন্ট থেকে শ্রমিক এনে কাজ করান। প্রতিবারের ন্যায় এবারও শ্রমিক আনার পর শ্রমিকরা বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর নগদ প্রায় ৭০ হাজার টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও অনেক মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে আমরা ওই বাড়িতে আসি এবং পুলিশে খবর দিই।
চান্দিনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্ত শ্রমিকেরাই ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্যান্টনমেন্ট থেকে শ্রমিক আনতে সকলেই সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রত্যেক শ্রমিকের আইডি কার্ড ও ছবি রাখা জরুরি বলে মনে করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।