পরিবারের সঙ্গে কথা বললেন শেখ হাসিনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া মাদ্রাসা ছাত্র তাসমীরের (১৯) পরিবারের সঙ্গে জুম কলে কথা বলেছেন পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত শনিবার রাত সাড়ে নয়টায় কথা বলেন তাঁরা। এ সময় তাসমীরের মা কুলসুমা আক্তার, বাবা শাহজাহান ও বোন তাসফিয়া কথা বলেন। আওয়ামী লীগ কর্মীসমর্থকদের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, অল ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট এম নজরুল ইসলাম জুম কলটি পরিচালনা করেন। কথোপকথনের বিষয়টি মুঠোফোনে গতকাল রোববার নিশ্চিত করেন তাসরীমের বাবা মো. শাহজাহান ওরফে লিটন ড্রাইভার। তিনি বলেন, রাত সাড়ে নয়টার সময় আমাদের কথা হয়। তিনি (শেখ হাসিনা) আমাদের সান্ত্বনা দেন। শাহজাহান আরো বলেন, আমার ছেলে এবার গুণবতী ফাজিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিয়েছে। গত ১৭ জুলাই রাত আটটার সময় বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার সময় কে বা কারা তাসমীরকে হত্যা করে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়। ওইদিন রাত নয়টা ১০ মিনিটের সময় রেললাইনের পাশে তার লাশ পাওয়া যায়। অনেকেই রেলের আঘাতে মৃত্যু বলে প্রচার করে। ছেলের মৃত্যুতে আমি বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরদিন সকাল ১০টায় তাসরীমকে দাফন করা হয়। এরপর ছবিতে দেখি ছেলের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন। তারপর মামলা দায়ের করতে আমি থানায় যাই। থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আমি আদালতে দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি দিয়ে মামলা দায়ের করি। ভিডিওতে তাসরীমের মাকে বলতে শোনা যায়, আমার দুই মেয়ে এক ছেলে। এক ছেলেকে তো আল্লাহ নিয়ে গেছে। তখন শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, আল্লাহ নেয়নি খুনিরা হত্যা করেছে। এ সময় শেখ হাসিনা আরো বলেন, ৫ আগস্ট আমাকেও হত্যা করতে এসেছিল। আধা ঘন্টার জন্য আমাকে হত্যা করতে পারেনি। জুলাই-আগস্টে তারা অনেক মায়ের বুক খালি করেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াত আমির মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, কথোপকথনের বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি। এটা স্পষ্ট ইস্যু, থানা পুলিশ জানে এ বিষয়ে। ওই ছেলের (তাসরীম) পিতাকে থানার ওসি মামলা করবেন কি না বলেছেন, তিনি তখন বলেছিলেন, আমার ছেলে রেললাইনে মারা গেছে রেলের আঘাতে। তার কোনো অভিযোগ তখন ছিল না। ফ্যাসিস্টরা এখন তাকে প্রলুব্ধ করতেছে হয়তো। তারা পলাতক থেকে রাজনৈতিক খেলা খেলতেছে। এলাকার লোকেরা জানে, ক্লিয়ার সবার কাছে: এটা কোনো হত্যাকাÐ নয়। কথোপকথন প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শাহ আলম রাজু বলেন, এটা ফেসবুকে দেখেছি। রাজনৈতিক রূপ দেয়ার জন্য এটা বানোয়াটভাবে বানানো হয়েছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে এ দেশের জনগণ আর গ্রহণ করবে না। সে নিজের সকল অপরাধ কাঁধে নিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসাইন বলেন, তাসরীমের পরিবারের সঙ্গে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নে রেললাইনের পাশ থেকে একই ইউনিয়নের নারায়নপুর (দশবাহা) গ্রামের শাহজাহান ওরফে লিটন ড্রাইভারের ছেলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তাসমীরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তার পরিবার কোনোরকম অভিযোগ ছাড়া তড়িগড়ি করে লাশ দাফন করে। গত কয়েকদিন আগে তাসমীরের বাবা বাদী হয়ে আদালতে দুইজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তাসমীরের পরিবারের দাবি সে ছাত্রলীগের কর্মী ছিল।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া মাদ্রাসা ছাত্র তাসমীরের (১৯) পরিবারের সঙ্গে জুম কলে কথা বলেছেন পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত শনিবার রাত সাড়ে নয়টায় কথা বলেন তাঁরা। এ সময় তাসমীরের মা কুলসুমা আক্তার, বাবা শাহজাহান ও বোন তাসফিয়া কথা বলেন। আওয়ামী লীগ কর্মীসমর্থকদের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, অল ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট এম নজরুল ইসলাম জুম কলটি পরিচালনা করেন। কথোপকথনের বিষয়টি মুঠোফোনে গতকাল রোববার নিশ্চিত করেন তাসরীমের বাবা মো. শাহজাহান ওরফে লিটন ড্রাইভার। তিনি বলেন, রাত সাড়ে নয়টার সময় আমাদের কথা হয়। তিনি (শেখ হাসিনা) আমাদের সান্ত্বনা দেন। শাহজাহান আরো বলেন, আমার ছেলে এবার গুণবতী ফাজিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিয়েছে। গত ১৭ জুলাই রাত আটটার সময় বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার সময় কে বা কারা তাসমীরকে হত্যা করে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়। ওইদিন রাত নয়টা ১০ মিনিটের সময় রেললাইনের পাশে তার লাশ পাওয়া যায়। অনেকেই রেলের আঘাতে মৃত্যু বলে প্রচার করে। ছেলের মৃত্যুতে আমি বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরদিন সকাল ১০টায় তাসরীমকে দাফন করা হয়। এরপর ছবিতে দেখি ছেলের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন। তারপর মামলা দায়ের করতে আমি থানায় যাই। থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আমি আদালতে দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি দিয়ে মামলা দায়ের করি। ভিডিওতে তাসরীমের মাকে বলতে শোনা যায়, আমার দুই মেয়ে এক ছেলে। এক ছেলেকে তো আল্লাহ নিয়ে গেছে। তখন শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, আল্লাহ নেয়নি খুনিরা হত্যা করেছে। এ সময় শেখ হাসিনা আরো বলেন, ৫ আগস্ট আমাকেও হত্যা করতে এসেছিল। আধা ঘন্টার জন্য আমাকে হত্যা করতে পারেনি। জুলাই-আগস্টে তারা অনেক মায়ের বুক খালি করেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াত আমির মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, কথোপকথনের বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি। এটা স্পষ্ট ইস্যু, থানা পুলিশ জানে এ বিষয়ে। ওই ছেলের (তাসরীম) পিতাকে থানার ওসি মামলা করবেন কি না বলেছেন, তিনি তখন বলেছিলেন, আমার ছেলে রেললাইনে মারা গেছে রেলের আঘাতে। তার কোনো অভিযোগ তখন ছিল না। ফ্যাসিস্টরা এখন তাকে প্রলুব্ধ করতেছে হয়তো। তারা পলাতক থেকে রাজনৈতিক খেলা খেলতেছে। এলাকার লোকেরা জানে, ক্লিয়ার সবার কাছে: এটা কোনো হত্যাকাÐ নয়। কথোপকথন প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শাহ আলম রাজু বলেন, এটা ফেসবুকে দেখেছি। রাজনৈতিক রূপ দেয়ার জন্য এটা বানোয়াটভাবে বানানো হয়েছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে এ দেশের জনগণ আর গ্রহণ করবে না। সে নিজের সকল অপরাধ কাঁধে নিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসাইন বলেন, তাসরীমের পরিবারের সঙ্গে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নে রেললাইনের পাশ থেকে একই ইউনিয়নের নারায়নপুর (দশবাহা) গ্রামের শাহজাহান ওরফে লিটন ড্রাইভারের ছেলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তাসমীরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তার পরিবার কোনোরকম অভিযোগ ছাড়া তড়িগড়ি করে লাশ দাফন করে। গত কয়েকদিন আগে তাসমীরের বাবা বাদী হয়ে আদালতে দুইজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তাসমীরের পরিবারের দাবি সে ছাত্রলীগের কর্মী ছিল।