নিজস্ব প্রতিবেদক

নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর লালমাই পাহাড়ের ঝোপ-জঙ্গলে পাওয়া গেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও কথাসাহিত্যিক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিমের (১৩) লাশ। আজ শনিবার বেলা একটায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে ম্যাজিক প্যারাডাইজ পার্কের পেছনের একটি টিলার ঝোপ-জঙ্গলে ওই মরদেহ পাওয়া গেছে। এ সময় অপ্রতিমের পরনে পাঞ্জাবি ও পায়জামা ছিল। তবে তার মুখে, বুকে রক্তের কালো ছোপ আছে। হাত-পা ছড়ানো ছিল।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার শীলা ও সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ রাজু আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কুমিল্লা বিম্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত এ ঘটনার তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে দ্রুত ময়না তদন্ত করার উদ্যোগ নেন।
এদিকে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী খবর পেয়ে কোটবাড়ি যান।
এর আগে ছেলে অপ্রতিমের সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গতকাল শুক্রবার রাতে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও কথাসাহিত্যিক ড. নাহিদা বেগম।
এতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নাই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন।’
গতকাল রাত থেকে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাবেক শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের অসংখ্য ব্যক্তি, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অপ্রতিমের সন্ধান চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। কিন্তু আজ দুপুরের পর মিলল মরদেহ।
অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে বর্ডার গার্ড পাবলিক হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর লালমাই পাহাড়ের ঝোপ-জঙ্গলে পাওয়া গেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও কথাসাহিত্যিক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিমের (১৩) লাশ। আজ শনিবার বেলা একটায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে ম্যাজিক প্যারাডাইজ পার্কের পেছনের একটি টিলার ঝোপ-জঙ্গলে ওই মরদেহ পাওয়া গেছে। এ সময় অপ্রতিমের পরনে পাঞ্জাবি ও পায়জামা ছিল। তবে তার মুখে, বুকে রক্তের কালো ছোপ আছে। হাত-পা ছড়ানো ছিল।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার শীলা ও সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ রাজু আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কুমিল্লা বিম্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত এ ঘটনার তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে দ্রুত ময়না তদন্ত করার উদ্যোগ নেন।
এদিকে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী খবর পেয়ে কোটবাড়ি যান।
এর আগে ছেলে অপ্রতিমের সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গতকাল শুক্রবার রাতে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও কথাসাহিত্যিক ড. নাহিদা বেগম।
এতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নাই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন।’
গতকাল রাত থেকে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাবেক শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের অসংখ্য ব্যক্তি, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অপ্রতিমের সন্ধান চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। কিন্তু আজ দুপুরের পর মিলল মরদেহ।
অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে বর্ডার গার্ড পাবলিক হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।