নিজস্ব প্রতিবেদক

‘আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নাই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন।’ - ছেলে অপ্রতিমের সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গতকাল শুক্রবার রাতে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও কথাসাহিত্যিক ড. নাহিদা বেগম।
গতকাল রাত থেকে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাবেক শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের অসংখ্য ব্যক্তি, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অপ্রতিমের সন্ধান চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আসছেন। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এ ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি ( জিডি) করা হয়েছে। কিন্তু নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পরও হদিস মেলেনি কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত বর্ডার গার্ড পাবলিক হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিমের (১৩)।
গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপ্রতিমের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, গায়ের রং শ্যামলা। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে পাঞ্জাবি ছিল।
পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। তার লোকেশন ট্র্যাকিং করে গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অপ্রতিমের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কেউ অপ্রতিমের সন্ধান পেলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে— শাহরিয়ার (বাবা): ০১৭১৯-৬২৫৬৯০, ড. নাহিদা বেগম (মা): ০১৭১৯-৯০০৭৬৯।
এদিকে এ ঘটনার সর্বশেষ অবস্থা জানতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে আজ দুপুরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁরা ফোন রিসিভ করেননি।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, আমার ছেলে হারানোর মতো না। ওরে কেউ নিয়ে গেছে। দুই বছর বয়স থেকে এ এলাকায় বসবাস।

‘আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নাই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন।’ - ছেলে অপ্রতিমের সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গতকাল শুক্রবার রাতে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও কথাসাহিত্যিক ড. নাহিদা বেগম।
গতকাল রাত থেকে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাবেক শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের অসংখ্য ব্যক্তি, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অপ্রতিমের সন্ধান চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আসছেন। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এ ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি ( জিডি) করা হয়েছে। কিন্তু নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পরও হদিস মেলেনি কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত বর্ডার গার্ড পাবলিক হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিমের (১৩)।
গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপ্রতিমের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, গায়ের রং শ্যামলা। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে পাঞ্জাবি ছিল।
পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। তার লোকেশন ট্র্যাকিং করে গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অপ্রতিমের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কেউ অপ্রতিমের সন্ধান পেলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে— শাহরিয়ার (বাবা): ০১৭১৯-৬২৫৬৯০, ড. নাহিদা বেগম (মা): ০১৭১৯-৯০০৭৬৯।
এদিকে এ ঘটনার সর্বশেষ অবস্থা জানতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে আজ দুপুরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁরা ফোন রিসিভ করেননি।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, আমার ছেলে হারানোর মতো না। ওরে কেউ নিয়ে গেছে। দুই বছর বয়স থেকে এ এলাকায় বসবাস।