চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা ও মেয়ে নিহত ও অপর চারজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- পৌর এলাকার বালুজুড়ি গ্রামের নুর ইসলাম মিয়ার স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৪২) ও মেয়ে নুসরাত জাহান (৪)। আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নবগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বালুজুড়ির জেসমিন আক্তার, তাঁর মেয়ে নুসরাত জাহান, নাটাপাড়া গ্রামের জাফর আহম্মেদের স্ত্রী মমতাজ বেগম, একই গ্রামের ফুল মিয়ার স্ত্রী সাফিয়া বেগম ও এতিম আলীর স্ত্রী কহিনুর বেগম সোমবার দুপুর ১২টার সময় চৌদ্দগ্রাম বাজারে পারিবারিক খরচ শেষে নাটাপাড়ার নিজাম উদ্দিনের অটোরিকশায় উঠে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নবগ্রাম এলাকায় উল্টোপথে যাওয়ার সময় কে কে ট্রাভেলসের যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে অটোরিকশাটি সজোরে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে নিহত হন অটোরিকশা যাত্রী বালুজুড়ির জেসমিন আক্তার।
আহত হন অটোরিকশা চালক নিজাম উদ্দিনসহ অপর পাঁচজন যাত্রী। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লায় নেওয়া হয়েছে। অপর দিকে গুরতর আহত নুসরাত জাহানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যায় মারা যায় সে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জেসমিন আক্তার নামের এক নারী হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়া আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় প্রেরণ করা হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মনির হোসেন বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল তৈরি করে সঙ্গে সঙ্গে স্বজনদের নিকট নিহতের লাশ হস্তান্তর করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি উদ্ধার শেষে থানায় নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা ও মেয়ে নিহত ও অপর চারজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- পৌর এলাকার বালুজুড়ি গ্রামের নুর ইসলাম মিয়ার স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৪২) ও মেয়ে নুসরাত জাহান (৪)। আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নবগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বালুজুড়ির জেসমিন আক্তার, তাঁর মেয়ে নুসরাত জাহান, নাটাপাড়া গ্রামের জাফর আহম্মেদের স্ত্রী মমতাজ বেগম, একই গ্রামের ফুল মিয়ার স্ত্রী সাফিয়া বেগম ও এতিম আলীর স্ত্রী কহিনুর বেগম সোমবার দুপুর ১২টার সময় চৌদ্দগ্রাম বাজারে পারিবারিক খরচ শেষে নাটাপাড়ার নিজাম উদ্দিনের অটোরিকশায় উঠে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নবগ্রাম এলাকায় উল্টোপথে যাওয়ার সময় কে কে ট্রাভেলসের যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে অটোরিকশাটি সজোরে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে নিহত হন অটোরিকশা যাত্রী বালুজুড়ির জেসমিন আক্তার।
আহত হন অটোরিকশা চালক নিজাম উদ্দিনসহ অপর পাঁচজন যাত্রী। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লায় নেওয়া হয়েছে। অপর দিকে গুরতর আহত নুসরাত জাহানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যায় মারা যায় সে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জেসমিন আক্তার নামের এক নারী হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়া আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় প্রেরণ করা হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মনির হোসেন বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল তৈরি করে সঙ্গে সঙ্গে স্বজনদের নিকট নিহতের লাশ হস্তান্তর করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি উদ্ধার শেষে থানায় নেওয়া হয়েছে।