নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বৃষ্টিতে ভিজে, পানিতে নেমে, নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা যান। এক কথায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। শহরের প্রধান অপ্রধান ও গলির সড়কে পানি। বাসা বাড়িতে পানি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি।
জানতে চাইলে আবহাওয়া অফিস কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আরিফুর রহমান বলেন, আজ সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৩৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত কুমিল্লায় রেকর্ড করা হয়েছে। আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেনি অনেক পরীক্ষার্থী। রাস্তাঘাটে থৈথৈ পানির কারণে অনেক জায়গায় যানবাহন চলাচল কমে গেছে। এ অবস্থায় নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে ঢুকছে দেখা গেছে পরীক্ষার্থীদের।

নগরের মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ভেতর শিক্ষার্থীদের জন্য নৌকার ব্যবস্থা করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নৌকায় করে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে দেখা গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেছেন, ‘কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সহানুভ‚তির সঙ্গে দেখছে।’
মহিলা কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী তাছলিমা আক্তার বলেন, ‘এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগে সকল বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত রাখা উচিত ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে। এ সময় অধিকাংশ পরীক্ষার্থীকে ভেজা কাপড়ে কেন্দ্রে যেতে দেখা যায়। ডুবে যাওয়া সড়কে কাউকে কাউকে পড়ে যেতেও দেখা গেছে। বর্ষায় পরীক্ষা নিয়ে অভিভাবকদেরও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল বাসার ভূঁঞা বলেন, এ কেন্দ্রে আট কলেজের ২ হাজার ১০০ পরীক্ষার্থী আছে। মাঠে পানি থাকলেও রুমের ভেতর পানি নেই। যে সকল পরীক্ষার্থী একটু দেরিতে কেন্দ্রে এসেছে তাদের অতিরিক্ত সময় দিতে বোর্ড থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, সকালে পরীক্ষা শুরুর আগ থেকে তিনি সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের নিরাপদে কেন্দ্রে প্রবেশের কাজ তদারকি করেছেন।
এদিকে জলাবদ্ধতার সুযোগে রিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ভাড়া দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকেরা। অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।

১৩৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বৃষ্টিতে ভিজে, পানিতে নেমে, নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা যান। এক কথায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। শহরের প্রধান অপ্রধান ও গলির সড়কে পানি। বাসা বাড়িতে পানি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি।
জানতে চাইলে আবহাওয়া অফিস কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আরিফুর রহমান বলেন, আজ সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৩৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত কুমিল্লায় রেকর্ড করা হয়েছে। আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেনি অনেক পরীক্ষার্থী। রাস্তাঘাটে থৈথৈ পানির কারণে অনেক জায়গায় যানবাহন চলাচল কমে গেছে। এ অবস্থায় নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে ঢুকছে দেখা গেছে পরীক্ষার্থীদের।

নগরের মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ভেতর শিক্ষার্থীদের জন্য নৌকার ব্যবস্থা করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নৌকায় করে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে দেখা গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেছেন, ‘কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সহানুভ‚তির সঙ্গে দেখছে।’
মহিলা কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী তাছলিমা আক্তার বলেন, ‘এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগে সকল বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত রাখা উচিত ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে। এ সময় অধিকাংশ পরীক্ষার্থীকে ভেজা কাপড়ে কেন্দ্রে যেতে দেখা যায়। ডুবে যাওয়া সড়কে কাউকে কাউকে পড়ে যেতেও দেখা গেছে। বর্ষায় পরীক্ষা নিয়ে অভিভাবকদেরও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল বাসার ভূঁঞা বলেন, এ কেন্দ্রে আট কলেজের ২ হাজার ১০০ পরীক্ষার্থী আছে। মাঠে পানি থাকলেও রুমের ভেতর পানি নেই। যে সকল পরীক্ষার্থী একটু দেরিতে কেন্দ্রে এসেছে তাদের অতিরিক্ত সময় দিতে বোর্ড থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, সকালে পরীক্ষা শুরুর আগ থেকে তিনি সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের নিরাপদে কেন্দ্রে প্রবেশের কাজ তদারকি করেছেন।
এদিকে জলাবদ্ধতার সুযোগে রিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ভাড়া দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকেরা। অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।