চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কোরবানির গরুর চামড়া নিয়ে বিপকে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা। সকাল থেকে রাত গড়িয়ে গেলেও ক্রেতার দেখা মিলছে না অনেক বাজারে।
ওই কারণে উপজেলার অনেক স্থানে চামড়া পড়ে আছে। কিছু বাজারে ক্রেতার দেখা মিললেও তারা প্রতিটি চামড়া ক্রয় করছেন ১০০ টাকা করে।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ৩০০ টাকায় প্রতিটি চামড়া ক্রয় করে বিপাকে পড়েছেন। ঈদের দিন রাত ৯টার পর উপজেলার কাশিনগর বাজারে এসে দেখা গেছে কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী গ্রাম অঞ্চল থেকে চামড়া কিনে লাভের আশায় চামড়া নিয়ে স্তুপ করে বসে আছেন।
তবে চামড় ব্যবসায়ীদের দেখা মিলছে না। আবার গ্রামে যারা কোরবানি করেছেন চামড়া বিক্রি করতে পারেননি তারা এই চামড়া নিয়ে বাজারে আসলে কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী প্রতিটি চামড়া কিনছেন ১০০ টাকা করে।
রাত ১০টায় কলাবাগান বাজারের মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী ওয়াদুদ ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, দাম কমবেশি তো সমস্যা না, এখন পর্যন্ত একজন এসেও চামরার দাম জিজ্ঞেস করলে না। রাতে বিক্রি করতে না পারলে নদীতে ফেলে চলে যাব। কোনো সরকারই চামড়ার সিন্ডিকেট ভাঙতে পারল না। আমাদের জীবন শেষ।’
উপজেলার কাশিনগর বাজারের শহীদ নামে এক মৌসুমি ব্যবসায়ী জানান, সকালে গ্রাম থেকে প্রতিটি চামড়া কিনেছি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে কিন্ত এখন এই চামড়া নিয়েও বিপাকে পড়েছি। চামড়া ব্যবসায়ীদের দেখা মিলছে না।
আল হেরা দারুল সুন্নত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, মানুষ কষ্ট করে মাদ্রাসায় চামড়া দান করেছে। প্রায় ৬০০ চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছি। মানুষ দান করেছে এখন চামড়াগুলো ফেলে দিতে পারছি না। সরকার যে দাম নিধারণ করল বাস্তবে তার বাস্তবায়ন নেই।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কোরবানির গরুর চামড়া নিয়ে বিপকে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা। সকাল থেকে রাত গড়িয়ে গেলেও ক্রেতার দেখা মিলছে না অনেক বাজারে।
ওই কারণে উপজেলার অনেক স্থানে চামড়া পড়ে আছে। কিছু বাজারে ক্রেতার দেখা মিললেও তারা প্রতিটি চামড়া ক্রয় করছেন ১০০ টাকা করে।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ৩০০ টাকায় প্রতিটি চামড়া ক্রয় করে বিপাকে পড়েছেন। ঈদের দিন রাত ৯টার পর উপজেলার কাশিনগর বাজারে এসে দেখা গেছে কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী গ্রাম অঞ্চল থেকে চামড়া কিনে লাভের আশায় চামড়া নিয়ে স্তুপ করে বসে আছেন।
তবে চামড় ব্যবসায়ীদের দেখা মিলছে না। আবার গ্রামে যারা কোরবানি করেছেন চামড়া বিক্রি করতে পারেননি তারা এই চামড়া নিয়ে বাজারে আসলে কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী প্রতিটি চামড়া কিনছেন ১০০ টাকা করে।
রাত ১০টায় কলাবাগান বাজারের মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী ওয়াদুদ ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, দাম কমবেশি তো সমস্যা না, এখন পর্যন্ত একজন এসেও চামরার দাম জিজ্ঞেস করলে না। রাতে বিক্রি করতে না পারলে নদীতে ফেলে চলে যাব। কোনো সরকারই চামড়ার সিন্ডিকেট ভাঙতে পারল না। আমাদের জীবন শেষ।’
উপজেলার কাশিনগর বাজারের শহীদ নামে এক মৌসুমি ব্যবসায়ী জানান, সকালে গ্রাম থেকে প্রতিটি চামড়া কিনেছি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে কিন্ত এখন এই চামড়া নিয়েও বিপাকে পড়েছি। চামড়া ব্যবসায়ীদের দেখা মিলছে না।
আল হেরা দারুল সুন্নত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, মানুষ কষ্ট করে মাদ্রাসায় চামড়া দান করেছে। প্রায় ৬০০ চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছি। মানুষ দান করেছে এখন চামড়াগুলো ফেলে দিতে পারছি না। সরকার যে দাম নিধারণ করল বাস্তবে তার বাস্তবায়ন নেই।