প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের উন্নয়নের জন্য চার বছর আগে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। জনবলের অভাবে মেগা প্রকল্পের ওই টাকা খরচ করতে পারছে না কুমিল্লা সিটি করপোরেশন। অদক্ষ জনবল ও অপরিকল্পিত প্রকল্প নেওয়ার কারণে নগরবাসী দৃশ্যমান দৃষ্টিনন্দন কোন স্থাপনা দেখতে পারছেন না। এ পর্যন্ত ৬৭৬ কোটি ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা খরচ করতে পেরেছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গতকাল পর্যন্ত সার্বিক রাজস্ব আয় ব্যয় ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়।
এতে বিভিন্ন প্রকল্প ও হিসাবের বিপরীতে স্থিতির বিবরণীতে সিআইডিপি (ডিপিপি) প্রকল্প অর্থাৎ মেগাপ্রকল্পের অর্থ প্রাপ্তি ও খরচ উপস্থাপন করা হয়। হিসাব শাখার কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াদুদ ওই তথ্য উপস্থাপন করেন। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। ওই বছর কোন খরচ হয়নি। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ২১২ কোটি ৫০ লাখ টাকার বিপরীতে খরচ ১৫৩ কোটি ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ১০৫ টাকা, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ৪৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৮ হাজার ৮০৫ টাকা পাওয়া গেছে। ওই অর্থ বছওে খরচ হয় ১৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৩২ হাজার ৮১৪ টাকা। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ২৪৯ কোটি ৭৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। ওই অর্থবছওে ২৪৫ কোটি ৭৩ লাখ ১৭ হাজার ১২১ টাকা খরচ হয়। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছওে কোন টাকা আসেনি। তবে এই সময়ে ১২০ কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৭ টাকা খরচ হয়। চারটি অর্থ বছরে টাকা পাওয়া গেছে প্রায় ৯৭৮ কোটি। খরচ হযেছে ৬৭৭ কোটি টাকা। ৩০১ কোটি টাকার মতো টাকা পড়ে আছে।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদেও নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কাজের জন্য ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকার প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। তিনবছর ওই প্রকল্পের মেয়াদ ছিল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় এক বছর বাড়ানো হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় দফা মেয়াদ শেষ হয়। তৃতীয় দফা মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. আবু সায়েম ভ‚ঁইয়া বলেন, বড় প্রকল্প ১৫ তলা নগর ভবন করা হবে ১২৫ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে, হাতির ঝিলের আদলে পুরাতন গোমতী নদী ও নগরের বিভিন্ন পুকুরের উন্নয়ন বাবদ বরাদ্দ ২১৪ কোটি টাকা ও ঢাকা-চট্টগøাম মহাসড়কের পাশে মোস্তফাপুর এলাকায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয় ।
এদিকে গতকাল কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়েছি ২৮ দিন হলো। আমার দায়িত্ব গ্রহণের দিনে বিভিন্ন প্রকল্পে কি পরিমাণ টাকা ছিল তা গণমাধ্যমকে জানানো হয়। আমি ১৫০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প নিয়েছি। আশা করি সেগুলোরও অনুমোদন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধন নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন।
এতে ইউডিসিজিপি. এলজিসিআরআরপি, এডিপি খাতের টাকা ও খরচের তথ্য তুলে ধরা হয়।

কুমিল্লা নগরের উন্নয়নের জন্য চার বছর আগে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। জনবলের অভাবে মেগা প্রকল্পের ওই টাকা খরচ করতে পারছে না কুমিল্লা সিটি করপোরেশন। অদক্ষ জনবল ও অপরিকল্পিত প্রকল্প নেওয়ার কারণে নগরবাসী দৃশ্যমান দৃষ্টিনন্দন কোন স্থাপনা দেখতে পারছেন না। এ পর্যন্ত ৬৭৬ কোটি ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা খরচ করতে পেরেছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গতকাল পর্যন্ত সার্বিক রাজস্ব আয় ব্যয় ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়।
এতে বিভিন্ন প্রকল্প ও হিসাবের বিপরীতে স্থিতির বিবরণীতে সিআইডিপি (ডিপিপি) প্রকল্প অর্থাৎ মেগাপ্রকল্পের অর্থ প্রাপ্তি ও খরচ উপস্থাপন করা হয়। হিসাব শাখার কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াদুদ ওই তথ্য উপস্থাপন করেন। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। ওই বছর কোন খরচ হয়নি। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ২১২ কোটি ৫০ লাখ টাকার বিপরীতে খরচ ১৫৩ কোটি ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ১০৫ টাকা, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ৪৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৮ হাজার ৮০৫ টাকা পাওয়া গেছে। ওই অর্থ বছওে খরচ হয় ১৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৩২ হাজার ৮১৪ টাকা। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ২৪৯ কোটি ৭৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। ওই অর্থবছওে ২৪৫ কোটি ৭৩ লাখ ১৭ হাজার ১২১ টাকা খরচ হয়। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছওে কোন টাকা আসেনি। তবে এই সময়ে ১২০ কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৭ টাকা খরচ হয়। চারটি অর্থ বছরে টাকা পাওয়া গেছে প্রায় ৯৭৮ কোটি। খরচ হযেছে ৬৭৭ কোটি টাকা। ৩০১ কোটি টাকার মতো টাকা পড়ে আছে।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদেও নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কাজের জন্য ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকার প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। তিনবছর ওই প্রকল্পের মেয়াদ ছিল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় এক বছর বাড়ানো হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় দফা মেয়াদ শেষ হয়। তৃতীয় দফা মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. আবু সায়েম ভ‚ঁইয়া বলেন, বড় প্রকল্প ১৫ তলা নগর ভবন করা হবে ১২৫ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে, হাতির ঝিলের আদলে পুরাতন গোমতী নদী ও নগরের বিভিন্ন পুকুরের উন্নয়ন বাবদ বরাদ্দ ২১৪ কোটি টাকা ও ঢাকা-চট্টগøাম মহাসড়কের পাশে মোস্তফাপুর এলাকায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয় ।
এদিকে গতকাল কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়েছি ২৮ দিন হলো। আমার দায়িত্ব গ্রহণের দিনে বিভিন্ন প্রকল্পে কি পরিমাণ টাকা ছিল তা গণমাধ্যমকে জানানো হয়। আমি ১৫০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প নিয়েছি। আশা করি সেগুলোরও অনুমোদন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধন নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন।
এতে ইউডিসিজিপি. এলজিসিআরআরপি, এডিপি খাতের টাকা ও খরচের তথ্য তুলে ধরা হয়।