• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> কুমিল্লা সিটি করপোরেশন

৮ ডিসেম্বর যেভাবে মুক্ত হয় কুমিল্লা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১: ০৬
logo

৮ ডিসেম্বর যেভাবে মুক্ত হয় কুমিল্লা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১: ০৬
Photo

আজ ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে কুমিল্লা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয়। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধ আর নির্যাতনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীসহ সর্বস্তরের জনগণের উল্লাস ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে এই অঞ্চল।

কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক নুরে আলম ভূঁইয়া জানান, ৭ ডিসেম্বর রাতে মিত্রবাহিনীর ৬১ ব্রিগেডের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল মাহেন্দ্রপাল সিং, বাংলাদেশের মেজর আইন উদ্দিন, ক্যাপ্টেন আশরাফ, লে. হারুন ও মুক্তিযোদ্ধা রেজাউর রহমান বুলবুল, মো. শাহ আলম ও সফিউল আহমেদ বাবুলদের নেতৃত্বে বিমান বন্দরের পাকিস্তানি সেনাদের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে।

রাতের মধ্যে বিমান বন্দরের যৌথ বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে হানাদার সেনাদের প্রধান ঘাঁটির পতন হয়। অনেক হানাদার সেনা নিহত হন। তখন নির্যাতিত অনেকে এসে তাদের লাশের মুখে থু-থু ছিটায়। কুমিল্লা বিমান বন্দরের ঘাঁটিতে কয়েকজন পাক হানাদার সেনা আত্মসমর্পণ করে। কিছু সেনা বিমানবন্দরের ঘাঁটি ত্যাগ করে শেষ রাতে বরুড়ার দিকে এবং সেনানিবাসে ফিরে যায়। পরদিন ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা পাক হানাদার সেনা মুক্ত হয়।

এদিন ভোরে মুক্তি সেনারা শহরের চকবাজার টমছমব্রিজ ও গোমতী পাড়ের ভাটপাড়া দিয়ে আনন্দ উল্লাস করে শহরে প্রবেশ করে। তখন রাস্তায় জনতার ঢল নামে। কুমিল্লার জনগণ সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেন। পরে এদিন বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্রবাহিনী ও জনতার উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। তৎকালীন পশ্চিম পূর্বাঞ্চলের প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জহুর আহমেদ চৌধুরী দলীয় পতাকা এবং কুমিল্লার প্রথম প্রশাসক অ্যাডভোকেট আহমেদ আলী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

দিবসটি উপলক্ষে আজ বিকেল তিনটায় কান্দিরপাড় টাউন হল মাঠ থেকে শোভাযাত্রা বের হবে। শোভাযাত্রাটি রাজগঞ্জ ও সার্কিট হাউজ মোড় হয়ে জিলা স্কুলের সামনে দিয়ে পুনরায় টাউন হল মাঠে এসে শেষ হবে।

Thumbnail image

আজ ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে কুমিল্লা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয়। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধ আর নির্যাতনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীসহ সর্বস্তরের জনগণের উল্লাস ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে এই অঞ্চল।

কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক নুরে আলম ভূঁইয়া জানান, ৭ ডিসেম্বর রাতে মিত্রবাহিনীর ৬১ ব্রিগেডের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্নেল মাহেন্দ্রপাল সিং, বাংলাদেশের মেজর আইন উদ্দিন, ক্যাপ্টেন আশরাফ, লে. হারুন ও মুক্তিযোদ্ধা রেজাউর রহমান বুলবুল, মো. শাহ আলম ও সফিউল আহমেদ বাবুলদের নেতৃত্বে বিমান বন্দরের পাকিস্তানি সেনাদের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে।

রাতের মধ্যে বিমান বন্দরের যৌথ বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে হানাদার সেনাদের প্রধান ঘাঁটির পতন হয়। অনেক হানাদার সেনা নিহত হন। তখন নির্যাতিত অনেকে এসে তাদের লাশের মুখে থু-থু ছিটায়। কুমিল্লা বিমান বন্দরের ঘাঁটিতে কয়েকজন পাক হানাদার সেনা আত্মসমর্পণ করে। কিছু সেনা বিমানবন্দরের ঘাঁটি ত্যাগ করে শেষ রাতে বরুড়ার দিকে এবং সেনানিবাসে ফিরে যায়। পরদিন ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা পাক হানাদার সেনা মুক্ত হয়।

এদিন ভোরে মুক্তি সেনারা শহরের চকবাজার টমছমব্রিজ ও গোমতী পাড়ের ভাটপাড়া দিয়ে আনন্দ উল্লাস করে শহরে প্রবেশ করে। তখন রাস্তায় জনতার ঢল নামে। কুমিল্লার জনগণ সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেন। পরে এদিন বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্রবাহিনী ও জনতার উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। তৎকালীন পশ্চিম পূর্বাঞ্চলের প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জহুর আহমেদ চৌধুরী দলীয় পতাকা এবং কুমিল্লার প্রথম প্রশাসক অ্যাডভোকেট আহমেদ আলী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

দিবসটি উপলক্ষে আজ বিকেল তিনটায় কান্দিরপাড় টাউন হল মাঠ থেকে শোভাযাত্রা বের হবে। শোভাযাত্রাটি রাজগঞ্জ ও সার্কিট হাউজ মোড় হয়ে জিলা স্কুলের সামনে দিয়ে পুনরায় টাউন হল মাঠে এসে শেষ হবে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালন

২

ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক ও চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

৩

বরুড়ায় বৃত্তি পেল ২৫৫ শিক্ষার্থী

৪

ভাড়াবাসায় পিকআপ চালকের অর্ধগলিত মরদেহ

৫

দেবীদ্বারে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

সম্পর্কিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালন

৭ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক ও চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক ও চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

৯ ঘণ্টা আগে
বরুড়ায় বৃত্তি পেল ২৫৫ শিক্ষার্থী

বরুড়ায় বৃত্তি পেল ২৫৫ শিক্ষার্থী

৯ ঘণ্টা আগে
ভাড়াবাসায় পিকআপ চালকের অর্ধগলিত মরদেহ

ভাড়াবাসায় পিকআপ চালকের অর্ধগলিত মরদেহ

৯ ঘণ্টা আগে