নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে আজ মনোনয়ন ফরম নেবেন সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু। দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের কাছ থেকে তাঁর অনুসারীরা মনোনয়ন ফরম নেবেন। সাক্কু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম নেবেন।
গতকাল দুপুরে কুমিল্লা নগরের নানুয়া দিঘিরপাড়ে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে এ প্রতিবেদকের কাছে সাবেক মেয়র সাক্কু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমিন উর রশিদ ইয়াছিন নির্বাচন করলেই সাক্কু নির্বাচন করবেন। এজন্য তিনি আগাম মনোনয়ন ফরম তুলে রাখছেন। এটি সাক্কুর একটি কৌসুল। ইয়াছিনকে চাপে রাখতেই সাক্কু মনোনয়ন ফরম নিচ্ছেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে এখনই কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
জানা গেছে, ২০১২ ও ২০১৭ সালে সাক্কু টানা দুইবার কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে বিজয়ী হন। তিনি ২০২২ সাল পর্যন্ত মেয়রগিরি করেন। ২০২২ সালের ১৫ জুন ৩৪৩ ভোটে ও ২০২৪ সালের ৯ মার্চ প্রায় অর্ধেকের মতো ভোটের ব্যবধানে সাক্কু আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। সাক্কুর বিরুদ্ধে তখন প্রার্থী হন কুমিল্লা-৬ আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের শ্যালক মো. নিজাম উদ্দিন কায়সার। ইয়াছিন ও কায়সারের কারণে সাক্কু নির্বাচনে ফেল করেছেন বলে কুমিল্লা নগরে প্রচার রয়েছে।
জানতে চাইলে মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ইয়াছিন আমাকে ফেল করাতে তাঁর শ্যালক নিজাম উদ্দিন কায়সারকে দুইবার মেয়র পদে প্রার্থী করেছিলেন। তখন ইয়াছিন তলে তলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে জেতাতে নিজ শ্যালককে প্রার্থী করান। আমি তো সিটি করপোরেশন নিয়ে পড়ে ছিলাম। উনি আমাকে ডিস্টার্ব করেছিলেন।

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে আজ মনোনয়ন ফরম নেবেন সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু। দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের কাছ থেকে তাঁর অনুসারীরা মনোনয়ন ফরম নেবেন। সাক্কু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম নেবেন।
গতকাল দুপুরে কুমিল্লা নগরের নানুয়া দিঘিরপাড়ে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে এ প্রতিবেদকের কাছে সাবেক মেয়র সাক্কু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমিন উর রশিদ ইয়াছিন নির্বাচন করলেই সাক্কু নির্বাচন করবেন। এজন্য তিনি আগাম মনোনয়ন ফরম তুলে রাখছেন। এটি সাক্কুর একটি কৌসুল। ইয়াছিনকে চাপে রাখতেই সাক্কু মনোনয়ন ফরম নিচ্ছেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে এখনই কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
জানা গেছে, ২০১২ ও ২০১৭ সালে সাক্কু টানা দুইবার কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে বিজয়ী হন। তিনি ২০২২ সাল পর্যন্ত মেয়রগিরি করেন। ২০২২ সালের ১৫ জুন ৩৪৩ ভোটে ও ২০২৪ সালের ৯ মার্চ প্রায় অর্ধেকের মতো ভোটের ব্যবধানে সাক্কু আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। সাক্কুর বিরুদ্ধে তখন প্রার্থী হন কুমিল্লা-৬ আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের শ্যালক মো. নিজাম উদ্দিন কায়সার। ইয়াছিন ও কায়সারের কারণে সাক্কু নির্বাচনে ফেল করেছেন বলে কুমিল্লা নগরে প্রচার রয়েছে।
জানতে চাইলে মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ইয়াছিন আমাকে ফেল করাতে তাঁর শ্যালক নিজাম উদ্দিন কায়সারকে দুইবার মেয়র পদে প্রার্থী করেছিলেন। তখন ইয়াছিন তলে তলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে জেতাতে নিজ শ্যালককে প্রার্থী করান। আমি তো সিটি করপোরেশন নিয়ে পড়ে ছিলাম। উনি আমাকে ডিস্টার্ব করেছিলেন।