প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মানববন্ধন, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, কোনো কিছু মানছে না কারা কর্তৃপক্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুকুর ও জলাশয় ভরাটের পর এবার সড়ক সংকীর্ণ করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ কুমিল্লা নগরবাসী। তাঁরা গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে ওই নির্মাণাধীন স্থানে মানববন্ধন করে। সচেতন নাগরিক কমিটির ব্যানারে ওই মানববন্ধন করা হলেও বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক, যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতারা এতে অংশ নেন। এর বাইরে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহজাহান চৌধুরী ও নাট্যশিল্পী বশির উল আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।
১৭৯২ সালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার প্রতিষ্ঠা হয়। ২৩৪ বছর পর কারাগার কর্তৃপক্ষ গ্র্যান্ড ট্যাংক সড়ক ( পুরাতন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক) সংকুচিত করে প্রাচীর নির্মাণ করছে। কোন ধরনের জায়গা ছাড় না দিয়েই কারাগার কর্তৃপক্ষ সীমানা প্রাচীর দিচ্ছে। এরই প্রতিবাদে গতকাল মানববন্ধন হয়।
জানা গেছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সীমানা প্রাচীরের দক্ষিণ পূর্ব পাশে ফুলের বাগান নষ্ট এবং জনগণের চলাচলের সড়ক সংকীর্ণ করে নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে সচেতন নাগরিক কমিটির ব্যানারে।
মানববন্ধনে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নির্মাণ সামগ্রী সরাতে হবে। এই নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় আবার কর্মসূচি দেওয়া হবে। গ্র্যান্ড ট্যাংক সড়ক সংকুচিত করে প্রাচীর নির্মাণ চলবে না।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. বিল্লাল, কালবেলার স্টাফ রিপোর্টার মাসুক আলতাফ চৌধুরী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার প্রমুখ।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সাজ্জাদুল কবীর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর সদস্য সচিব সাহেদ পান্না, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক নাহিদ রানা প্রমুখ।
তবে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার রেজাউল করিম ও জান্নাতুল রাকিবা বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের জায়গায় আমরা সীমানা প্রাচীর করছি। আমাদের কারা মহাপরিদর্শক মহোদয়ের নির্দেশে এই কাজ হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন ও কারাগারের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত সীমানা প্রাচীর করছি। এই জন্য কাজ শুরু করা হয়। আট ফুট উঁচু এই সীমানা প্রাচীর হচ্ছে। এখন কাজ বন্ধ করার জন্য বলছে নাগরিকেরা।
জানা গেছে, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার পুনঃনির্মাণ ( প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় ৬৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্য ভবনসহ নানা ধরণের কাজ চলমান আছে ২০২১ সাল থেকে। প্রথমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকার জলাধার ভরাট করে ১৪ তলার চারটি ভবন করে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক আপত্তি করে। মামলা করে। কিন্তু কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ কোন কিছু না মেনে ভবন করে। এইক্ষেত্রে তারা পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন ছাড়াই জলাধার ভরাট করে। ওই জলাধারে প্রতি বছর অতিথি পাখি আসতো। পরবর্তীতে তারা কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ও জেল সুপারের সামনের পুকুরও ভরাট করে ভবন করছে। এখন সড়কের গা ঘেঁষে সীমানা প্রাচীর করছে। কোন জায়গা ছাড় দিচ্ছে না।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম বলেন, সড়কের পাশে ফুলের বাগান ছিল। এই কারাগারের বয়স ২৩৪ বছর। এতোদিন সীমানা প্রাচীর করেনি। এখন করছে। এটা নিয়ে ক্ষুব্ধ নগরবাসী। আমি তাদের বলেছি, এভাবে সীমানা প্রাচীর হয় না। উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাব।

পুকুর ও জলাশয় ভরাটের পর এবার সড়ক সংকীর্ণ করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ কুমিল্লা নগরবাসী। তাঁরা গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে ওই নির্মাণাধীন স্থানে মানববন্ধন করে। সচেতন নাগরিক কমিটির ব্যানারে ওই মানববন্ধন করা হলেও বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক, যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতারা এতে অংশ নেন। এর বাইরে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহজাহান চৌধুরী ও নাট্যশিল্পী বশির উল আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।
১৭৯২ সালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার প্রতিষ্ঠা হয়। ২৩৪ বছর পর কারাগার কর্তৃপক্ষ গ্র্যান্ড ট্যাংক সড়ক ( পুরাতন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক) সংকুচিত করে প্রাচীর নির্মাণ করছে। কোন ধরনের জায়গা ছাড় না দিয়েই কারাগার কর্তৃপক্ষ সীমানা প্রাচীর দিচ্ছে। এরই প্রতিবাদে গতকাল মানববন্ধন হয়।
জানা গেছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সীমানা প্রাচীরের দক্ষিণ পূর্ব পাশে ফুলের বাগান নষ্ট এবং জনগণের চলাচলের সড়ক সংকীর্ণ করে নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে সচেতন নাগরিক কমিটির ব্যানারে।
মানববন্ধনে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নির্মাণ সামগ্রী সরাতে হবে। এই নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় আবার কর্মসূচি দেওয়া হবে। গ্র্যান্ড ট্যাংক সড়ক সংকুচিত করে প্রাচীর নির্মাণ চলবে না।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. বিল্লাল, কালবেলার স্টাফ রিপোর্টার মাসুক আলতাফ চৌধুরী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার প্রমুখ।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সাজ্জাদুল কবীর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর সদস্য সচিব সাহেদ পান্না, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক নাহিদ রানা প্রমুখ।
তবে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার রেজাউল করিম ও জান্নাতুল রাকিবা বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের জায়গায় আমরা সীমানা প্রাচীর করছি। আমাদের কারা মহাপরিদর্শক মহোদয়ের নির্দেশে এই কাজ হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন ও কারাগারের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত সীমানা প্রাচীর করছি। এই জন্য কাজ শুরু করা হয়। আট ফুট উঁচু এই সীমানা প্রাচীর হচ্ছে। এখন কাজ বন্ধ করার জন্য বলছে নাগরিকেরা।
জানা গেছে, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার পুনঃনির্মাণ ( প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় ৬৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্য ভবনসহ নানা ধরণের কাজ চলমান আছে ২০২১ সাল থেকে। প্রথমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকার জলাধার ভরাট করে ১৪ তলার চারটি ভবন করে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক আপত্তি করে। মামলা করে। কিন্তু কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ কোন কিছু না মেনে ভবন করে। এইক্ষেত্রে তারা পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন ছাড়াই জলাধার ভরাট করে। ওই জলাধারে প্রতি বছর অতিথি পাখি আসতো। পরবর্তীতে তারা কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ও জেল সুপারের সামনের পুকুরও ভরাট করে ভবন করছে। এখন সড়কের গা ঘেঁষে সীমানা প্রাচীর করছে। কোন জায়গা ছাড় দিচ্ছে না।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম বলেন, সড়কের পাশে ফুলের বাগান ছিল। এই কারাগারের বয়স ২৩৪ বছর। এতোদিন সীমানা প্রাচীর করেনি। এখন করছে। এটা নিয়ে ক্ষুব্ধ নগরবাসী। আমি তাদের বলেছি, এভাবে সীমানা প্রাচীর হয় না। উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাব।