নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্ভাব্য এমপিদের নিকট কুমিল্লাবাসীর পক্ষে ২৭টি দাবি তুলে ধরেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লা জেলা ও মহানগর কমিটি। গতকাল সোমবার বিকেলে নগরের রাজগঞ্জে একটি মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুজন কুমিল্লা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান টিটু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান। দাবিতে তারা জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কুমিল্লা নামে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করা। কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু করা। ঢাকা- কুমিল্লা সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপন করা। কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়ককে ফোরলেনে উন্নত করা। কুমিল্লা- নোয়াখালী মহাসড়কের বাকি অংশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফোরলেনের কাজ সম্পূর্ণ করা। গোমতী নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, গোমতী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা, গোমতী নদীর পাড় দখল উদ্ধার করে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করে পর্যটন স্থানে রূপান্তরিত করা। জেলার সকল খাল, নদী দখল উচ্ছেদ করা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সেগুলো পুনখনন করে দুই পাশে বনায়ন ও ওয়াকওয়ে তৈরি করা। সকল সরকারি জায়গা অবৈধ দখল মুক্ত করা। মহাসড়কের গড়ে ওঠা বাজার সমূহকে মহাসড়ক থেকে স্থানান্তর করা। মহানগরসহ পুরো জেলা শহর ও উপজেলার ফুটপাত দখল মুক্ত করে যানজট নিরসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সীমান্ত এলাকার চোরাকারবারি ও মাদক বন্ধ করা। কিশোর গ্যাং সমূলে উৎপাটন করা। সকলের নিরাপদ চলাফেরার নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ গ্রহণ। শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধিতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা। লালমাই পাহাড় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কুমিল্লা দৌলতপুর চিশতিয়া টেক্সটাইলস মেইল ও রাণীর বাজার এলাকার কুমিল্লা কো-অপারেটিভ কারখানা পুনরায় চালুকরণ। কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলায় খাদিশিল্প অঞ্চল গড়ে তোলা। কুমিল্লায় কৃষি জমি, জলাশয় ভরাট ও পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণ ও অপরিকল্পিত বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধ করা। দাউদকান্দি থেকে কটক বাজার পর্যন্ত গোমতী নদী মাস্টার ড্রেজিং করা এবং কটক বাজার স্থল-বন্দর আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা, যাতে কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায়। কুমিল্লা ইপিজেড, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা।
কুমিল্লা সার্ভে ইন্সটিটিউট আধুনিকায়ন ও কলেজে উন্নীতকরণ। বেকারত্ব দূরীকরণে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ। জাঙ্গালিয়া মৎস-বীজ উৎপাদন কেন্দ্র/খামার আধুনিকায়ন। কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি করা। গ্যাস সংকটে সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা। মহানগরসহ পুরো জেলায় অটোরিকশা, মিশুক, ব্যাটারিচালিত রিকশা, সিএনজি অটোরিকশা চলাচলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা। পুরাতন গোমতী নদী দখলমুক্ত করে হাতিরঝিলের মতো করে সৌন্দর্যবর্ধন ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা। কুমিল্লা ব্রাহ্মণবাড়িয় মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা সুজনের সহসভাপতি হুমায়ুন কবির,মহানগর সুজনের সভাপতি শামীমা আক্তার জাহান ও সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সাংবাদিক খায়রুল আহসান মানিক, হাঙ্গার প্রজেক্টের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী সৈয়দ মো. নাছির উদ্দিন প্রমুখ।

সম্ভাব্য এমপিদের নিকট কুমিল্লাবাসীর পক্ষে ২৭টি দাবি তুলে ধরেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লা জেলা ও মহানগর কমিটি। গতকাল সোমবার বিকেলে নগরের রাজগঞ্জে একটি মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুজন কুমিল্লা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান টিটু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান। দাবিতে তারা জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কুমিল্লা নামে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করা। কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু করা। ঢাকা- কুমিল্লা সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপন করা। কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়ককে ফোরলেনে উন্নত করা। কুমিল্লা- নোয়াখালী মহাসড়কের বাকি অংশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফোরলেনের কাজ সম্পূর্ণ করা। গোমতী নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, গোমতী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা, গোমতী নদীর পাড় দখল উদ্ধার করে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করে পর্যটন স্থানে রূপান্তরিত করা। জেলার সকল খাল, নদী দখল উচ্ছেদ করা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সেগুলো পুনখনন করে দুই পাশে বনায়ন ও ওয়াকওয়ে তৈরি করা। সকল সরকারি জায়গা অবৈধ দখল মুক্ত করা। মহাসড়কের গড়ে ওঠা বাজার সমূহকে মহাসড়ক থেকে স্থানান্তর করা। মহানগরসহ পুরো জেলা শহর ও উপজেলার ফুটপাত দখল মুক্ত করে যানজট নিরসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সীমান্ত এলাকার চোরাকারবারি ও মাদক বন্ধ করা। কিশোর গ্যাং সমূলে উৎপাটন করা। সকলের নিরাপদ চলাফেরার নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ গ্রহণ। শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধিতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা। লালমাই পাহাড় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কুমিল্লা দৌলতপুর চিশতিয়া টেক্সটাইলস মেইল ও রাণীর বাজার এলাকার কুমিল্লা কো-অপারেটিভ কারখানা পুনরায় চালুকরণ। কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলায় খাদিশিল্প অঞ্চল গড়ে তোলা। কুমিল্লায় কৃষি জমি, জলাশয় ভরাট ও পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণ ও অপরিকল্পিত বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধ করা। দাউদকান্দি থেকে কটক বাজার পর্যন্ত গোমতী নদী মাস্টার ড্রেজিং করা এবং কটক বাজার স্থল-বন্দর আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা, যাতে কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায়। কুমিল্লা ইপিজেড, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা।
কুমিল্লা সার্ভে ইন্সটিটিউট আধুনিকায়ন ও কলেজে উন্নীতকরণ। বেকারত্ব দূরীকরণে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ। জাঙ্গালিয়া মৎস-বীজ উৎপাদন কেন্দ্র/খামার আধুনিকায়ন। কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি করা। গ্যাস সংকটে সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা। মহানগরসহ পুরো জেলায় অটোরিকশা, মিশুক, ব্যাটারিচালিত রিকশা, সিএনজি অটোরিকশা চলাচলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা। পুরাতন গোমতী নদী দখলমুক্ত করে হাতিরঝিলের মতো করে সৌন্দর্যবর্ধন ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা। কুমিল্লা ব্রাহ্মণবাড়িয় মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা সুজনের সহসভাপতি হুমায়ুন কবির,মহানগর সুজনের সভাপতি শামীমা আক্তার জাহান ও সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সাংবাদিক খায়রুল আহসান মানিক, হাঙ্গার প্রজেক্টের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী সৈয়দ মো. নাছির উদ্দিন প্রমুখ।