রাজনৈতিক মতবিরোধে শুরুতেই বাধাগ্রস্ত কুমিল্লার উন্নয়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের দরপত্র কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তাঁর আধা সরকারিপত্রের (ডিও লেটার) প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ নগর ভবনের দরপত্র কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ১৮ মে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা ওই দরপত্র আহবান করেন। আগামী ১৭ জুন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দরপত্র কেনাবেচার সময় নির্ধারণ ছিল।
জানতে চাইলে গতকাল রাতে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী আমার শহরকে বলেন, ‘স্থানীয় এমপিকে কিছু না জানিয়ে নগর ভবন নির্মাণের দরপত্র আহবান করা হয়, যা বিতর্ক করেছে। আগের কাউন্সিলররাও বর্তমান স্থানে নগর ভবন নির্মাণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে আমি মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেই। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের চুড়ান্ত সীমানা নির্ধারণ ও নির্বাচিত মেয়র না আসা পর্যন্ত নতুন নগর ভবন নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য আমি বলেছি।’
এ প্রসঙ্গে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য ডিও লেটার দিয়ে নগর ভবন নির্মাণ কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া স্থগিত করান। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মধ্যবর্তী স্থানে নগর ভবন হচ্ছে। ভৌগলিক ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বর্তমান নগর ভবনের স্থানেই আধুনিক ভবন হচ্ছে।’
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল শাখা থেকে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ১২৫ কোটি ৯ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ১৫ তলা বিশিষ্ট নগর ভবন নির্মাণের দরপত্র আহবান করে। গত ১৮ মে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা ওই দরপত্র আহবান করেন। এতে বলা হয়, ১৫ তলা ফাউন্ডেশন হবে। এখন নয় তলা পর্যন্ত হবে। আগামী ১৭ জুন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দরপত্র কেনা যাবে। ১৮ জুন দুপুর ১২ টায় দরপত্র খোলা হবে।
প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দুইটি বেজমেন্টসহ ভবনের নকশা অনুমোদন হয়েছে। তিন বছরের মধ্যে ওই ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। কুমিল্লা নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওই ভবন হচ্ছে। মেগাপ্রকল্পের অর্থায়নে ভবনটি হচ্ছে।
জানা গেছে, কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নগর ভবন নির্মাণে বাধা দেন। সম্প্র্রতি স্থানীয় সরকারের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লার এক সমাবেশে একথা বলেছিলেন। পরে নগর ভবনে খোঁজ নিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। এখন মনিরুল হক চৌধুরী ডিও লেটার দেওয়ায় সেটি আরও স্পষ্ট হলো।
গত ৪ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখার উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নতুন ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত সকল তথ্যসহ লে-আউট প্ল্যান এবং নতুন ভবন নির্মাণের স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত তথ্য এ বিভাগে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। সে সাথে নতুন ভবন নির্মাণের তথ্য ও স্থান নির্ধারণ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের চূড়ান্ত মতামত না পাওয়া পর্যন্ত নতুন ভবন নির্মাণের টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্থানীয় সরকার বিভাগের ওই চিঠি পাঠানো হয়।
কুমিল্লা নগরের উন্নয়নের জন্য মেগা প্রকল্পের আওতায় চার বছর আগে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে নগর ভবনের দরপত্র আহবান করা হয়।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের দরপত্র কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তাঁর আধা সরকারিপত্রের (ডিও লেটার) প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ নগর ভবনের দরপত্র কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ১৮ মে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা ওই দরপত্র আহবান করেন। আগামী ১৭ জুন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দরপত্র কেনাবেচার সময় নির্ধারণ ছিল।
জানতে চাইলে গতকাল রাতে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী আমার শহরকে বলেন, ‘স্থানীয় এমপিকে কিছু না জানিয়ে নগর ভবন নির্মাণের দরপত্র আহবান করা হয়, যা বিতর্ক করেছে। আগের কাউন্সিলররাও বর্তমান স্থানে নগর ভবন নির্মাণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে আমি মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেই। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের চুড়ান্ত সীমানা নির্ধারণ ও নির্বাচিত মেয়র না আসা পর্যন্ত নতুন নগর ভবন নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য আমি বলেছি।’
এ প্রসঙ্গে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য ডিও লেটার দিয়ে নগর ভবন নির্মাণ কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া স্থগিত করান। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মধ্যবর্তী স্থানে নগর ভবন হচ্ছে। ভৌগলিক ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বর্তমান নগর ভবনের স্থানেই আধুনিক ভবন হচ্ছে।’
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল শাখা থেকে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ১২৫ কোটি ৯ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ১৫ তলা বিশিষ্ট নগর ভবন নির্মাণের দরপত্র আহবান করে। গত ১৮ মে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা ওই দরপত্র আহবান করেন। এতে বলা হয়, ১৫ তলা ফাউন্ডেশন হবে। এখন নয় তলা পর্যন্ত হবে। আগামী ১৭ জুন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দরপত্র কেনা যাবে। ১৮ জুন দুপুর ১২ টায় দরপত্র খোলা হবে।
প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দুইটি বেজমেন্টসহ ভবনের নকশা অনুমোদন হয়েছে। তিন বছরের মধ্যে ওই ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। কুমিল্লা নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওই ভবন হচ্ছে। মেগাপ্রকল্পের অর্থায়নে ভবনটি হচ্ছে।
জানা গেছে, কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নগর ভবন নির্মাণে বাধা দেন। সম্প্র্রতি স্থানীয় সরকারের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লার এক সমাবেশে একথা বলেছিলেন। পরে নগর ভবনে খোঁজ নিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। এখন মনিরুল হক চৌধুরী ডিও লেটার দেওয়ায় সেটি আরও স্পষ্ট হলো।
গত ৪ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখার উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নতুন ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত সকল তথ্যসহ লে-আউট প্ল্যান এবং নতুন ভবন নির্মাণের স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত তথ্য এ বিভাগে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। সে সাথে নতুন ভবন নির্মাণের তথ্য ও স্থান নির্ধারণ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের চূড়ান্ত মতামত না পাওয়া পর্যন্ত নতুন ভবন নির্মাণের টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্থানীয় সরকার বিভাগের ওই চিঠি পাঠানো হয়।
কুমিল্লা নগরের উন্নয়নের জন্য মেগা প্রকল্পের আওতায় চার বছর আগে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে নগর ভবনের দরপত্র আহবান করা হয়।