কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ১২৫ কোটি ৯ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ১৫ তলা বিশিষ্ট নগর ভবন নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করেছে। গত ১৮ মে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা ওই দরপত্র আহ্বান করেন।
এতে বলা হয়, ১৫ তলা ফাউন্ডেশন হবে। এখন নয় তলা পর্যন্ত হবে। আগামী ১৭ জুন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দরপত্র কেনা যাবে। ১৮ জুন দুপুর ১২ টায় দরপত্র খোলা হবে।
প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দুইটি বেজমেন্টসহ ভবনের নকশা অনুমোদন হয়েছে। তিন বছরের মধ্যে ওই ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। কুমিল্লা নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওই ভবন হচ্ছে। মেগাপ্রকল্পের অর্থায়নে ভবনটি হচ্ছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. আবু সায়েম ভূঁইয়া বলেন, ভবনটি দৃষ্টিনন্দন হবে। এখন প্রাথমিকভাবে ১০ তলার অনুমোদন মিলেছে। পরে বাকি পাঁচতলা করা হবে।
নগর ভবন হলে সেবা বাড়বে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সুন্দর পরিবেশে কাজ করতে পারবে। এটা কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি।
জানা গেছে, বিএনপি দলীয় বর্তমান একজন সংসদ সদস্য ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নগর ভবন নির্মাণে বাধা দেন বলে স্থানীয় সরকারের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লার এক সমাবেশে বলেছিলেন। পরে নগর ভবনে খোঁজ নিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে।
ওই সংসদ সদস্যের দাবি, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়তন যে এলাকায় বেশি, সেখানে নগর ভবন নির্মাণ হোক। তাঁর এমন অযৌক্তিক দাবিতে ক্ষুব্ধ নগরবাসী। যে কারণে নগর ভবন নির্মাণ হতে দেরি হয়।
কুমিল্লা নগরের উন্নয়নের জন্য মেগা প্রকল্পের আওতায় চার বছর আগে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে নগর ভবনের দরপত্র আহবান করা হয়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নানা কারণে এতোদিন নগর ভবন নির্মাণ হয়নি। এখন নগর ভবন হচ্ছে। এটি দৃষ্টিনন্দন ভবন হবে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ১২৫ কোটি ৯ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ১৫ তলা বিশিষ্ট নগর ভবন নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করেছে। গত ১৮ মে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা ওই দরপত্র আহ্বান করেন।
এতে বলা হয়, ১৫ তলা ফাউন্ডেশন হবে। এখন নয় তলা পর্যন্ত হবে। আগামী ১৭ জুন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দরপত্র কেনা যাবে। ১৮ জুন দুপুর ১২ টায় দরপত্র খোলা হবে।
প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দুইটি বেজমেন্টসহ ভবনের নকশা অনুমোদন হয়েছে। তিন বছরের মধ্যে ওই ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। কুমিল্লা নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওই ভবন হচ্ছে। মেগাপ্রকল্পের অর্থায়নে ভবনটি হচ্ছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. আবু সায়েম ভূঁইয়া বলেন, ভবনটি দৃষ্টিনন্দন হবে। এখন প্রাথমিকভাবে ১০ তলার অনুমোদন মিলেছে। পরে বাকি পাঁচতলা করা হবে।
নগর ভবন হলে সেবা বাড়বে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সুন্দর পরিবেশে কাজ করতে পারবে। এটা কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি।
জানা গেছে, বিএনপি দলীয় বর্তমান একজন সংসদ সদস্য ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নগর ভবন নির্মাণে বাধা দেন বলে স্থানীয় সরকারের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লার এক সমাবেশে বলেছিলেন। পরে নগর ভবনে খোঁজ নিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে।
ওই সংসদ সদস্যের দাবি, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়তন যে এলাকায় বেশি, সেখানে নগর ভবন নির্মাণ হোক। তাঁর এমন অযৌক্তিক দাবিতে ক্ষুব্ধ নগরবাসী। যে কারণে নগর ভবন নির্মাণ হতে দেরি হয়।
কুমিল্লা নগরের উন্নয়নের জন্য মেগা প্রকল্পের আওতায় চার বছর আগে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে নগর ভবনের দরপত্র আহবান করা হয়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নানা কারণে এতোদিন নগর ভবন নির্মাণ হয়নি। এখন নগর ভবন হচ্ছে। এটি দৃষ্টিনন্দন ভবন হবে।