চামড়া বাজার উন্মুক্ত ও ন্যায্যমূল্যের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

কোরবানির চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং চামড়া বিক্রির বাজার উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠন। অন্যথায় আগামী কোরবানি মৌসুমে মাদ্রাসাগুলোর পক্ষ থেকে চামড়া সংগ্রহ না করাসহ ভিন্ন যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লার লাকসাম রোডস্থ সংগঠন কার্যালয়ে (জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি ও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সংগঠনের সভাপতি মো. নুরুল হকের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, চামড়া বাংলাদেশের একটি অন্যতম জাতীয় সম্পদ এবং দেশের অর্থনীতিতে এর অবদান সর্বজনস্বীকৃত। কিন্তু বিগত সরকারের আমল থেকেই এক অদৃশ্য ইশারায় এই শিল্পে ধস নামতে শুরু করেছে। দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলো যুগ যুগ ধরে কোরবানি মৌসুমে চামড়া সংগ্রহ করে তা বিক্রির টাকা দিয়ে এতিম, অসহায় ও অসচ্ছল ছাত্রদের ভরণপোষণ ও দ্বীনি শিক্ষার ব্যবস্থা করে আসছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় চামড়া সংগ্রহ, পরিবহন ও আনুষঙ্গিক খরচ তুলতে গিয়ে মাদ্রাসাগুলো চরম আর্থিক লোকসানের মুখে পড়ছে। ফলে মাদ্রাসা পরিচালনায় তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার কথা তুলে ধরে বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে চামড়া সংরক্ষণের নামে মাদ্রাসার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চামড়ায় লবণ দেওয়ার যে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অধিকাংশ মাদ্রাসায় লবণ দেওয়ার মতো অভিজ্ঞ জনবল এবং উপযুক্ত পরিবেশ বা জায়গা নেই। এই অবাস্তব নির্দেশনা মানতে গিয়ে গত বছরগুলোতে হাজার হাজার চামড়া নষ্ট হয়েছে এবং পরিবেশ রক্ষার্থে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব খরচে তা আবর্জনার স্তূপে ফেলে দিতে হয়েছে। নেতৃবৃন্দ এটিকে চামড়া শিল্প ধ্বংসের এক গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন।
নতুন সরকারের প্রতি আহŸান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমান সরকার একদিকে অসহায় মানুষের সুবিধার্থে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড প্রকল্প চালু করছে-যা প্রশংসনীয়। কিন্তু অপরদিকে চামড়ার ন্যায্য মূল্যের পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় গরিব, দরিদ্র ও অসহায় মানুষ আর্থিক সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে চামড়ার ন্যায্যমূল্যের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে চামড়া বিক্রির বাজারকে উন্মুক্ত করে দেওয়া, বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে পূর্বের ন্যায় সরাসরি বিভিন্ন ট্যানারির সাথে যোগাযোগ করে চামড়া বিক্রির সুযোগ দেওয়ার আহŸান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেনÑ কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর সেক্রেটারি মুফতি শামছুল ইসলাম জিখালী, সদর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ, চান্দিনা সভাপতি মাওলানা আহমাদুল্লাহ, চৌদ্দগ্রাম সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার, বরুড়া সেক্রেটারি মাওলানা ইলিয়াস, লাকসাম সভাপতি মাওলানা ইউসুফ, নাঙ্গলকোট সেক্রেটারি মাওলানা ইয়াকুব এবং লালমাই সভাপতি মাওলানা নবীর প্রমুখ।

কোরবানির চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং চামড়া বিক্রির বাজার উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠন। অন্যথায় আগামী কোরবানি মৌসুমে মাদ্রাসাগুলোর পক্ষ থেকে চামড়া সংগ্রহ না করাসহ ভিন্ন যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লার লাকসাম রোডস্থ সংগঠন কার্যালয়ে (জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি ও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সংগঠনের সভাপতি মো. নুরুল হকের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, চামড়া বাংলাদেশের একটি অন্যতম জাতীয় সম্পদ এবং দেশের অর্থনীতিতে এর অবদান সর্বজনস্বীকৃত। কিন্তু বিগত সরকারের আমল থেকেই এক অদৃশ্য ইশারায় এই শিল্পে ধস নামতে শুরু করেছে। দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলো যুগ যুগ ধরে কোরবানি মৌসুমে চামড়া সংগ্রহ করে তা বিক্রির টাকা দিয়ে এতিম, অসহায় ও অসচ্ছল ছাত্রদের ভরণপোষণ ও দ্বীনি শিক্ষার ব্যবস্থা করে আসছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় চামড়া সংগ্রহ, পরিবহন ও আনুষঙ্গিক খরচ তুলতে গিয়ে মাদ্রাসাগুলো চরম আর্থিক লোকসানের মুখে পড়ছে। ফলে মাদ্রাসা পরিচালনায় তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার কথা তুলে ধরে বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে চামড়া সংরক্ষণের নামে মাদ্রাসার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চামড়ায় লবণ দেওয়ার যে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অধিকাংশ মাদ্রাসায় লবণ দেওয়ার মতো অভিজ্ঞ জনবল এবং উপযুক্ত পরিবেশ বা জায়গা নেই। এই অবাস্তব নির্দেশনা মানতে গিয়ে গত বছরগুলোতে হাজার হাজার চামড়া নষ্ট হয়েছে এবং পরিবেশ রক্ষার্থে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব খরচে তা আবর্জনার স্তূপে ফেলে দিতে হয়েছে। নেতৃবৃন্দ এটিকে চামড়া শিল্প ধ্বংসের এক গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন।
নতুন সরকারের প্রতি আহŸান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমান সরকার একদিকে অসহায় মানুষের সুবিধার্থে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড প্রকল্প চালু করছে-যা প্রশংসনীয়। কিন্তু অপরদিকে চামড়ার ন্যায্য মূল্যের পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় গরিব, দরিদ্র ও অসহায় মানুষ আর্থিক সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে চামড়ার ন্যায্যমূল্যের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে চামড়া বিক্রির বাজারকে উন্মুক্ত করে দেওয়া, বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে পূর্বের ন্যায় সরাসরি বিভিন্ন ট্যানারির সাথে যোগাযোগ করে চামড়া বিক্রির সুযোগ দেওয়ার আহŸান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেনÑ কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর সেক্রেটারি মুফতি শামছুল ইসলাম জিখালী, সদর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ, চান্দিনা সভাপতি মাওলানা আহমাদুল্লাহ, চৌদ্দগ্রাম সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার, বরুড়া সেক্রেটারি মাওলানা ইলিয়াস, লাকসাম সভাপতি মাওলানা ইউসুফ, নাঙ্গলকোট সেক্রেটারি মাওলানা ইয়াকুব এবং লালমাই সভাপতি মাওলানা নবীর প্রমুখ।