কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হয়রানি, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে মাইনরস লেখা, বিশ্ববিদ্যালয়ে কুমিল্লার সন্তানদের হয়রানি, খুঁজে খুঁজে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের এনে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় জড়িত , ভিন্নমতের শিক্ষকদের চাকরিচ্যুত, হয়রানি, নাজেহাল, কর্মকর্তাদের বদলিসহ নানাভাবে হয়রানি, সদ্য বিদায়ী উপাচার্যকে আইনের ধারা, সংবিধি সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা প্রদান, অপছন্দের ব্যক্তিকে ঘায়েল ও নিজে ডিন পদ বাগিয়ে নেওয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত বিতর্কিত ও সমালোচিত রেজিস্ট্রার গণিত বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বলেছেন, আনোয়ারের সব অনিয়ম ও হয়রানির বিচার হতে হবে। রেজিস্ট্রার পদে বসে তিনি চরম স্বেচ্ছাচারিতা করেছেন। সব নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে বিদায়ী উপাচার্যের শেষ সময়ে নিজের প্রত্যাশিত ডিন পদ বাগিয়ে নেন।
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে, গত ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসন মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড এম এম শরীফুল করীম যোগদানের পর প্রথমেই আনোয়ারকে অব্যাহতি দেন।
আনোয়ার কে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত পাঁচজন শিক্ষক বলেন, সিন্ডিকেটের ১০৯তম সভা গত ৭ মে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াজোঁ অফিসে হওয়ার কথা। কিন্তু গোপনে তা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। আনোয়ারের প্রতি ক্ষিপ্ত ছিল শিক্ষক সমিতি।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আহবায়ক ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, তাঁর আমলে সিন্ডিকেটে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতো। কিন্তু পরে কিছু মাইনরসে দেখা গেছে অন্য সিদ্ধান্ত।
সাবেক রেজিস্ট্রার মো মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, আমাকে সরিয়ে আনোয়ারকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দেওয়া হয় নিজেদের লোক নিয়োগ দিতে।

স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হয়রানি, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে মাইনরস লেখা, বিশ্ববিদ্যালয়ে কুমিল্লার সন্তানদের হয়রানি, খুঁজে খুঁজে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের এনে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় জড়িত , ভিন্নমতের শিক্ষকদের চাকরিচ্যুত, হয়রানি, নাজেহাল, কর্মকর্তাদের বদলিসহ নানাভাবে হয়রানি, সদ্য বিদায়ী উপাচার্যকে আইনের ধারা, সংবিধি সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা প্রদান, অপছন্দের ব্যক্তিকে ঘায়েল ও নিজে ডিন পদ বাগিয়ে নেওয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত বিতর্কিত ও সমালোচিত রেজিস্ট্রার গণিত বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বলেছেন, আনোয়ারের সব অনিয়ম ও হয়রানির বিচার হতে হবে। রেজিস্ট্রার পদে বসে তিনি চরম স্বেচ্ছাচারিতা করেছেন। সব নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে বিদায়ী উপাচার্যের শেষ সময়ে নিজের প্রত্যাশিত ডিন পদ বাগিয়ে নেন।
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে, গত ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসন মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড এম এম শরীফুল করীম যোগদানের পর প্রথমেই আনোয়ারকে অব্যাহতি দেন।
আনোয়ার কে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত পাঁচজন শিক্ষক বলেন, সিন্ডিকেটের ১০৯তম সভা গত ৭ মে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াজোঁ অফিসে হওয়ার কথা। কিন্তু গোপনে তা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। আনোয়ারের প্রতি ক্ষিপ্ত ছিল শিক্ষক সমিতি।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আহবায়ক ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, তাঁর আমলে সিন্ডিকেটে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতো। কিন্তু পরে কিছু মাইনরসে দেখা গেছে অন্য সিদ্ধান্ত।
সাবেক রেজিস্ট্রার মো মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, আমাকে সরিয়ে আনোয়ারকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দেওয়া হয় নিজেদের লোক নিয়োগ দিতে।