সাজিদুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

‘সবার আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আমার প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়’- এমন আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক ও কুমিল্লার সন্তান হিসেবে দায়িত্ব পালনে সবার দোয়া কামনা করেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম এসব কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠা নিয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, তৎকালীন এমপি জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরীসহ অন্যান্য এমপিরা কুমিল্লায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানায়। সেই দাবির প্রেক্ষিতে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার ঐকান্তিক ইচ্ছায় ২০০৬ সালে সংসদে আইন পাস হয় এবং ২০০৭ সালের ২৮ মে থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রথমে সেবা দিতে চাই। সকল শিক্ষকদের নিয়ে গবেষণার কালচার তৈরি করতে চাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সমস্যা, সংকটগুলোকে দেশ ও সরকারের সাধ্য অনুযায়ী এবং আমাদের মেধা, পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করব।
তিনি আরো বলেন, যারা আমাকে ভালোবেসেছে, তাদেরকে ভালোবাসার সম্মান দিতে চাই। আমি যেনো অহংকারী হয়ে না যাই, আমার চোখ যেন বন্ধ না হয়ে যায়, আমি সেই দোয়া করি। এই চেয়ারে বসে আমি যেন সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি সকলের নিকট সেই দোয়া চাই।

‘সবার আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আমার প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়’- এমন আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক ও কুমিল্লার সন্তান হিসেবে দায়িত্ব পালনে সবার দোয়া কামনা করেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম এসব কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠা নিয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, তৎকালীন এমপি জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরীসহ অন্যান্য এমপিরা কুমিল্লায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানায়। সেই দাবির প্রেক্ষিতে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার ঐকান্তিক ইচ্ছায় ২০০৬ সালে সংসদে আইন পাস হয় এবং ২০০৭ সালের ২৮ মে থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রথমে সেবা দিতে চাই। সকল শিক্ষকদের নিয়ে গবেষণার কালচার তৈরি করতে চাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সমস্যা, সংকটগুলোকে দেশ ও সরকারের সাধ্য অনুযায়ী এবং আমাদের মেধা, পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করব।
তিনি আরো বলেন, যারা আমাকে ভালোবেসেছে, তাদেরকে ভালোবাসার সম্মান দিতে চাই। আমি যেনো অহংকারী হয়ে না যাই, আমার চোখ যেন বন্ধ না হয়ে যায়, আমি সেই দোয়া করি। এই চেয়ারে বসে আমি যেন সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি সকলের নিকট সেই দোয়া চাই।