১৪ ধাপ এগিয়ে নবম
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

স্পেনভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিমাগো ইনস্টিটিউশন ২০২৬ সালের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। এ র্যাঙ্কিংয়ে সারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল ও দেশের মোট ১০ হাজার ৮২৭ টি প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৪৯১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৯৬৪ তম। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে নবম স্থানে।
র্যাঙ্কিংয়ের তথ্যে দেখা যায়, এ বছর বাংলাদেশের মোট ৪৭ টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তালিকাভুক্ত হয়েছে। ৪৭ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নবম। ২০২৫ সালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল ২৩ তম, আর ২০২৪ সালে ছিল অষ্টম। অর্থাৎ ২০২৪ সালে অষ্টম অবস্থানে থাকলেও ২০২৫ সালে তা নেমে ২৩ তমে যায়। তবে ২০২৬ সালে ১৪ ধাপ এগিয়ে আবারও নবম স্থানে উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
গবেষণা, সামাজিক প্রভাব ও উদ্ভাবন—এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে সিমাগো র্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি পৃথকভাবে প্রতিটি সূচকের র্যাঙ্কিং এবং সমন্বিতভাবে সার্বিক র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। সার্বিক মূল্যায়নে গবেষণায় ৫০ শতাংশ, উদ্ভাবনে ৩০ শতাংশ এবং সামাজিক প্রভাবে ২০ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সিমাগো ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, গবেষণা, সামাজিক প্রভাব ও উদ্ভাবন সূচকে দেশে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান যথাক্রমে পঞ্চম, ২২তম ও ৩৪তম। এই তিনটি সূচকের সমন্বয়ে সার্বিকভাবে দেশের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান নবম । তুলনামূলকভাবে ২০২৫ সালে এ তিন সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ছিল যথাক্রমে ২৩তম, ২৩তম ও ৩৮তম। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর তিনটি ক্ষেত্রেই অগ্রগতি হয়েছে।
সিমাগো র্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, দেশের সেরা দশ বিশ্ববিদ্যালয় হলো—মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে। গবেষণা বাড়ালে আরও এগিয়ে যাবে। সমন্বিত উদ্যোগ ও যৌথ গবেষণা বাড়ালে এই বিশ্ববিদ্যালয় সামনে আসবে।

স্পেনভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিমাগো ইনস্টিটিউশন ২০২৬ সালের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। এ র্যাঙ্কিংয়ে সারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল ও দেশের মোট ১০ হাজার ৮২৭ টি প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৪৯১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৯৬৪ তম। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে নবম স্থানে।
র্যাঙ্কিংয়ের তথ্যে দেখা যায়, এ বছর বাংলাদেশের মোট ৪৭ টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তালিকাভুক্ত হয়েছে। ৪৭ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নবম। ২০২৫ সালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল ২৩ তম, আর ২০২৪ সালে ছিল অষ্টম। অর্থাৎ ২০২৪ সালে অষ্টম অবস্থানে থাকলেও ২০২৫ সালে তা নেমে ২৩ তমে যায়। তবে ২০২৬ সালে ১৪ ধাপ এগিয়ে আবারও নবম স্থানে উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
গবেষণা, সামাজিক প্রভাব ও উদ্ভাবন—এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে সিমাগো র্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি পৃথকভাবে প্রতিটি সূচকের র্যাঙ্কিং এবং সমন্বিতভাবে সার্বিক র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। সার্বিক মূল্যায়নে গবেষণায় ৫০ শতাংশ, উদ্ভাবনে ৩০ শতাংশ এবং সামাজিক প্রভাবে ২০ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সিমাগো ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, গবেষণা, সামাজিক প্রভাব ও উদ্ভাবন সূচকে দেশে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান যথাক্রমে পঞ্চম, ২২তম ও ৩৪তম। এই তিনটি সূচকের সমন্বয়ে সার্বিকভাবে দেশের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান নবম । তুলনামূলকভাবে ২০২৫ সালে এ তিন সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ছিল যথাক্রমে ২৩তম, ২৩তম ও ৩৮তম। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর তিনটি ক্ষেত্রেই অগ্রগতি হয়েছে।
সিমাগো র্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, দেশের সেরা দশ বিশ্ববিদ্যালয় হলো—মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে। গবেষণা বাড়ালে আরও এগিয়ে যাবে। সমন্বিত উদ্যোগ ও যৌথ গবেষণা বাড়ালে এই বিশ্ববিদ্যালয় সামনে আসবে।