বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিষয়ক সংগঠন থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার ক্যাফেটেরিয়ার ২য় তলায় ১২ নম্বর রুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন, থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, আমাদের সোসাইটিতে নানা ধরনের সমস্যা, সুবিধা রাষ্ট্রের সমস্যা এগুলো থিয়েটারের মাধ্যমে নাটক, গল্প, কবিতা ও উপন্যাসের মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে এবং সে জায়গা থেকে কাজ করছে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। আমি এখানে প্ল্যান করার পর থেকে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আছি। আমি থিয়েটারের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি এবং রোজা রেখে আজকের এই সুন্দর আয়োজনের সাথে যারা জড়িত ছিলেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক রায়হান মিথ বলেন, আমাদের ২০২৫-২৬ কমিটির এটা ছিলো প্রথম প্রোগ্রাম। অনুষ্ঠানটা আমাদের জন্য বেশ উপভোগ্য ছিলো আর ছিলো বেশ চ্যালেঞ্জিং। সবকিছু মিলে অনুষ্ঠানটা আমরা অনেক ভালোভাবে নামাতে পেরেছি, এটাই আলহামদুলিল্লাহ।
থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি তন্ময় সরকার বলেন, সারাদিনের ক্লাস আর শত ব্যস্ততার পর আজকের এই সন্ধ্যায় আমরা সবাই একসাথে ইফতার করতে বসেছি, এই দৃশ্যটি সত্যিই চমৎকার। থিয়েটার আমার কাছে শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি আমাদের একটি পরিবার। আর একটি পরিবারের সৌন্দর্যই হলো যেকোনো উৎসবে বা আয়োজনে সবাই একসাথে মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, উৎসব বা আয়োজন যেটাই হোক না কেন, থিয়েটারের এই প্রাঙ্গণে আমরা সবাই এক। এখানে আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়—আমরা শিল্পী, আমরা মানুষ এবং আমরা থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্বিত সদস্য। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা এবং একে অপরের আনন্দে আনন্দিত হওয়া—এটাই আমাদের থিয়েটারের ঐতিহ্য। আজকের এই সুন্দর ও গোছানো আয়োজনটি সফল করার পেছনে আমাদের যে সকল কর্মীরা নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তাদের সবাইকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি আশা রাখি, আমাদের এই সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধন অটুট থাকবে এবং আমাদের থিয়েটারকে সামনের দিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিষয়ক সংগঠন থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার ক্যাফেটেরিয়ার ২য় তলায় ১২ নম্বর রুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন, থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, আমাদের সোসাইটিতে নানা ধরনের সমস্যা, সুবিধা রাষ্ট্রের সমস্যা এগুলো থিয়েটারের মাধ্যমে নাটক, গল্প, কবিতা ও উপন্যাসের মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে এবং সে জায়গা থেকে কাজ করছে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। আমি এখানে প্ল্যান করার পর থেকে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আছি। আমি থিয়েটারের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি এবং রোজা রেখে আজকের এই সুন্দর আয়োজনের সাথে যারা জড়িত ছিলেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক রায়হান মিথ বলেন, আমাদের ২০২৫-২৬ কমিটির এটা ছিলো প্রথম প্রোগ্রাম। অনুষ্ঠানটা আমাদের জন্য বেশ উপভোগ্য ছিলো আর ছিলো বেশ চ্যালেঞ্জিং। সবকিছু মিলে অনুষ্ঠানটা আমরা অনেক ভালোভাবে নামাতে পেরেছি, এটাই আলহামদুলিল্লাহ।
থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি তন্ময় সরকার বলেন, সারাদিনের ক্লাস আর শত ব্যস্ততার পর আজকের এই সন্ধ্যায় আমরা সবাই একসাথে ইফতার করতে বসেছি, এই দৃশ্যটি সত্যিই চমৎকার। থিয়েটার আমার কাছে শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি আমাদের একটি পরিবার। আর একটি পরিবারের সৌন্দর্যই হলো যেকোনো উৎসবে বা আয়োজনে সবাই একসাথে মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, উৎসব বা আয়োজন যেটাই হোক না কেন, থিয়েটারের এই প্রাঙ্গণে আমরা সবাই এক। এখানে আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়—আমরা শিল্পী, আমরা মানুষ এবং আমরা থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্বিত সদস্য। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা এবং একে অপরের আনন্দে আনন্দিত হওয়া—এটাই আমাদের থিয়েটারের ঐতিহ্য। আজকের এই সুন্দর ও গোছানো আয়োজনটি সফল করার পেছনে আমাদের যে সকল কর্মীরা নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তাদের সবাইকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি আশা রাখি, আমাদের এই সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধন অটুট থাকবে এবং আমাদের থিয়েটারকে সামনের দিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।