সাজিদুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

শীতের সকালের নরম রোদ, হিমেল বাতাস আর পিঠার মিষ্টি ঘ্রাণে মুখর হয়ে উঠেছিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বাংলা বিভাগের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে পৌষ পার্বণ ১৪৩২।
‘পৌষ পার্বণের এই লগ্নে, বাংলা বিভাগ টানে পিঠার ঘ্রাণে’ এই হৃদয়ছোঁয়া স্লোগানকে ধারণ করে আজ বুধবার, ৩০ পৌষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাডমিন্টন কোর্টে দিনব্যাপী এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

শীতের আমেজে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলির সম্ভার যেন এক টুকরো গ্রামীণ বাংলাদেশ এনে দেয় ক্যাম্পাসে। মালপোয়া, পায়েস, পাটিসাপটা, চিতইসহ নানা ধরনের দেশীয় পিঠার সুবাসে পুরো উৎসব প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও রঙিন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিদের অংশগ্রহণে উৎসবটি রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।
বাংলা ভাষা-সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি এমদাদুল হক উৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, পৌষ মাস যেন বাঙালির জীবনে এক আলাদা রঙ নিয়ে আসে। শীতের কুয়াশাভেজা সকাল, নতুন ধানের মিষ্টি সুবাস আর পিঠা-পুলির স্বাদ সবকিছু মিলেই পৌষকে করে তোলে অনন্য। তাঁর ভাষায়, এই পার্বণ কেবল একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি ও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক অনুভূতির নাম। বাংলা বিভাগের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাঙালিয়ানা সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে, যা বিভাগের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শীতের দিনে এই আয়োজনের ভাবনা ও লক্ষ্য সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম জানান, শীত ঋতু নিজেই আনন্দ ও মিলনের বার্তা নিয়ে আসে। বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো ‘পৌষ পার্বণ-১৪৩২’ আয়োজন করে তাঁরা মূলত নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে নতুন করে সংযোগ স্থাপন করতে চেয়েছেন। তাঁর মতে, বাঙালির যে নিজস্ব সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার ঐতিহ্য রয়েছে, তা বিভাগীয় পরিসর থেকেই চর্চা শুরু হওয়া প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এই আয়োজন আরও বিস্তৃত করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পিঠা উৎসবে রূপ দেওয়ার স্বপ্নও তুলে ধরেন তিনি।

বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী বলেন, পৌষ পার্বণ বাঙালির চিরন্তন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পৌষের শেষ দিনে বাংলার ঘরে ঘরে যে পিঠা-পায়েসের আয়োজন হয়, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাঙালির আবেগ, আন্তরিকতা ও পারিবারিক বন্ধনের গল্প। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাকে ধারণ করতেই বাংলা বিভাগ পরিবার এই উৎসবের আয়োজন করেছে। তাঁর কথায়, এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের কেবল বিনোদনই দেয় না, বরং তাদের সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগও করে দেয়।
উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, ড. সুমাইয়া আফরীন সানি প্রমুখ।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে পিঠা উৎসবের পাশাপাশি সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয় বাঙালিয়ানা গানের আড্ডা। লোকজ সুর, আড্ডা আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে কেবল একটি আয়োজন নয়, বরং বাঙালি সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত উদযাপনে পরিণত হয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

শীতের সকালের নরম রোদ, হিমেল বাতাস আর পিঠার মিষ্টি ঘ্রাণে মুখর হয়ে উঠেছিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বাংলা বিভাগের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে পৌষ পার্বণ ১৪৩২।
‘পৌষ পার্বণের এই লগ্নে, বাংলা বিভাগ টানে পিঠার ঘ্রাণে’ এই হৃদয়ছোঁয়া স্লোগানকে ধারণ করে আজ বুধবার, ৩০ পৌষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাডমিন্টন কোর্টে দিনব্যাপী এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

শীতের আমেজে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলির সম্ভার যেন এক টুকরো গ্রামীণ বাংলাদেশ এনে দেয় ক্যাম্পাসে। মালপোয়া, পায়েস, পাটিসাপটা, চিতইসহ নানা ধরনের দেশীয় পিঠার সুবাসে পুরো উৎসব প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও রঙিন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিদের অংশগ্রহণে উৎসবটি রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।
বাংলা ভাষা-সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি এমদাদুল হক উৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, পৌষ মাস যেন বাঙালির জীবনে এক আলাদা রঙ নিয়ে আসে। শীতের কুয়াশাভেজা সকাল, নতুন ধানের মিষ্টি সুবাস আর পিঠা-পুলির স্বাদ সবকিছু মিলেই পৌষকে করে তোলে অনন্য। তাঁর ভাষায়, এই পার্বণ কেবল একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি ও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক অনুভূতির নাম। বাংলা বিভাগের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাঙালিয়ানা সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে, যা বিভাগের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শীতের দিনে এই আয়োজনের ভাবনা ও লক্ষ্য সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম জানান, শীত ঋতু নিজেই আনন্দ ও মিলনের বার্তা নিয়ে আসে। বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো ‘পৌষ পার্বণ-১৪৩২’ আয়োজন করে তাঁরা মূলত নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে নতুন করে সংযোগ স্থাপন করতে চেয়েছেন। তাঁর মতে, বাঙালির যে নিজস্ব সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার ঐতিহ্য রয়েছে, তা বিভাগীয় পরিসর থেকেই চর্চা শুরু হওয়া প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এই আয়োজন আরও বিস্তৃত করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পিঠা উৎসবে রূপ দেওয়ার স্বপ্নও তুলে ধরেন তিনি।

বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী বলেন, পৌষ পার্বণ বাঙালির চিরন্তন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পৌষের শেষ দিনে বাংলার ঘরে ঘরে যে পিঠা-পায়েসের আয়োজন হয়, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাঙালির আবেগ, আন্তরিকতা ও পারিবারিক বন্ধনের গল্প। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাকে ধারণ করতেই বাংলা বিভাগ পরিবার এই উৎসবের আয়োজন করেছে। তাঁর কথায়, এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের কেবল বিনোদনই দেয় না, বরং তাদের সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগও করে দেয়।
উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, ড. সুমাইয়া আফরীন সানি প্রমুখ।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে পিঠা উৎসবের পাশাপাশি সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয় বাঙালিয়ানা গানের আড্ডা। লোকজ সুর, আড্ডা আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে কেবল একটি আয়োজন নয়, বরং বাঙালি সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত উদযাপনে পরিণত হয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে।