নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন কে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতি, ইউট্যাব ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাঁরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে খুঁজে খুঁজে বেছে বেছে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের নিয়োগ, পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন।
মন্ত্রী শিক্ষক ও ছাত্রনেতাদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনের অধীনে কোন নিয়োগ হবে না বলেও নিশ্চিত করেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনে বিএনপি পরিচয়ে থাকা গুপ্ত জামায়াতের পদবিধারীদের নিয়েও আলোচনা হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ আগস্টের ৩০ জন শিক্ষক, ২১ জন কর্মচারী ও ১৭ জনকে মাস্টাররোলে চাকরি দেওয়া হয়। এদের ৯০ শতাংশই জামায়াত শিবিরের। একই সঙ্গে প্রশাসনের শীর্ষ পদে জামায়াতপন্থী শিক্ষকেরাই বসেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার কুমিল্লার পুলিশ লাইনের একটি কনভেনশন হলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা যুবদলের এক নেতার বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর শিক্ষামন্ত্রী বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বোর্ডের কর্মকর্তা, জেলার স্বনামধন্য বিভিন্ন স্কুল কলেজের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ওই সভা শেষে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি , বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাবের শিক্ষক নেতা ও ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এম এম শরীফুল করীম, কুমিল্লা বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আহবায়ক ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, শিক্ষক সমিতির আহবায়ক কমিটির সদস্য শামীমা নাসরিন, ড. মো. মহিউদ্দিন, ইউট্যাবের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিন, ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ ও যুগ্ম আহবায়ক আবুল বাসার।
বৈঠকে উপস্থিত অন্তত তিনজন জানান, জামায়াতের শিক্ষককে বিএনপি বলে যে রাজনীতিবিদ (বিএনপি নেতা) প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলোতে বসানোর সুপারিশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। বর্তমান প্রশাসন শর্ত পূরণ হওয়া সত্বেও কুমিল্লার ছেলেমেয়েদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করেছে। নীতিমালা ও বিশ্ববিদ্যালয় আইন লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অদক্ষ প্রশাসন আইনের অপব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষকদের নানাভাবে হয়রানি করেছে। চাহিদা না থাকা সত্বেও আসবাব কিনে টাকা নয়ছয় করেছে। ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রির টাকাও নয়ছয় করে।
ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ছাত্রদলকে বর্তমান প্রশাসন নানাভাবে হয়রানি করেছে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন কে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতি, ইউট্যাব ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাঁরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে খুঁজে খুঁজে বেছে বেছে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের নিয়োগ, পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন।
মন্ত্রী শিক্ষক ও ছাত্রনেতাদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনের অধীনে কোন নিয়োগ হবে না বলেও নিশ্চিত করেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনে বিএনপি পরিচয়ে থাকা গুপ্ত জামায়াতের পদবিধারীদের নিয়েও আলোচনা হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ আগস্টের ৩০ জন শিক্ষক, ২১ জন কর্মচারী ও ১৭ জনকে মাস্টাররোলে চাকরি দেওয়া হয়। এদের ৯০ শতাংশই জামায়াত শিবিরের। একই সঙ্গে প্রশাসনের শীর্ষ পদে জামায়াতপন্থী শিক্ষকেরাই বসেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার কুমিল্লার পুলিশ লাইনের একটি কনভেনশন হলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা যুবদলের এক নেতার বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর শিক্ষামন্ত্রী বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বোর্ডের কর্মকর্তা, জেলার স্বনামধন্য বিভিন্ন স্কুল কলেজের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ওই সভা শেষে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি , বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাবের শিক্ষক নেতা ও ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এম এম শরীফুল করীম, কুমিল্লা বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আহবায়ক ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, শিক্ষক সমিতির আহবায়ক কমিটির সদস্য শামীমা নাসরিন, ড. মো. মহিউদ্দিন, ইউট্যাবের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিন, ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ ও যুগ্ম আহবায়ক আবুল বাসার।
বৈঠকে উপস্থিত অন্তত তিনজন জানান, জামায়াতের শিক্ষককে বিএনপি বলে যে রাজনীতিবিদ (বিএনপি নেতা) প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলোতে বসানোর সুপারিশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। বর্তমান প্রশাসন শর্ত পূরণ হওয়া সত্বেও কুমিল্লার ছেলেমেয়েদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করেছে। নীতিমালা ও বিশ্ববিদ্যালয় আইন লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অদক্ষ প্রশাসন আইনের অপব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষকদের নানাভাবে হয়রানি করেছে। চাহিদা না থাকা সত্বেও আসবাব কিনে টাকা নয়ছয় করেছে। ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রির টাকাও নয়ছয় করে।
ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ছাত্রদলকে বর্তমান প্রশাসন নানাভাবে হয়রানি করেছে।