• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> দাউদকান্দি

দাউদকান্দিতে কোরবানির চামড়ার বাজারে অস্থিরতা

দাউদকান্দি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৬, ২১: ২৭
logo

দাউদকান্দিতে কোরবানির চামড়ার বাজারে অস্থিরতা

দাউদকান্দি প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৬, ২১: ২৭
Photo

দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা। ক্রেতা সংকট, অস্বাভাবিক দরপতন ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের অভিযোগে ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী, সংগ্রাহক এবং এতিমখানা কর্তৃপক্ষ।

আজ শুক্রবার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ বাজারে চামড়ার আড়ত ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক ও পিকআপভর্তি চামড়া নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাক্সিক্ষত ক্রেতা পাচ্ছেন না। আড়তের বিভিন্ন স্থানে স্তূপ হয়ে পড়ে আছে হাজার হাজার পশুর চামড়া। কোথাও কোথাও শ্রমিক সংকটের কারণে গাড়িচালকদের দিয়েই চামড়া নামাতে দেখা গেছে।

অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ে বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করলেও আড়তে এসে তাঁরা পাচ্ছেন খুবই কম দাম। এতে পরিবহন খরচও উঠছে না। ক্ষোভে কেউ কেউ সড়কের পাশে চামড়া ফেলে চলে গেছেন। যথাযথ সংরক্ষণ না থাকায় অনেক চামড়ায় ইতিমধ্যে পচন ধরেছে এবং ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।

দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে কাঁচা চামড়া। এতে স্থানীয়দের ভোগান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মৌসুমি ব্যবসায়ীদের দাবি, একটি প্রভাবশালী চক্র বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রথমে বেশি দামের প্রতিযোগিতা তৈরি করে চামড়া সংগ্রহ করা হলেও পরে আড়তে এসে কৃত্রিমভাবে দাম কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, ৪০০ থেকে ৭০০ টাকায় কেনা গরুর চামড়া আড়তে বিক্রি করতে হচ্ছে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায়।

এদিকে চামড়া বিক্রির আয়ের ওপর নির্ভরশীল এতিমখানা ও কওমি মাদ্রাসাগুলোও আর্থিক সংকটে পড়েছে।

দাউদকান্দির এক মাদ্রাসাশিক্ষক বলেন, প্রতি বছর কোরবানির চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে এতিম শিশুদের ভরণপোষণ ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার খরচের একটি বড় অংশ মেটানো হয়। কিন্তু এবার প্রত্যাশিত অর্থ না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা।

তবে সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় আড়তদাররা। তাদের দাবি, ট্যানারিগুলোর চাহিদা কমে যাওয়া, বকেয়া অর্থ পরিশোধ না হওয়া এবং শ্রমিক সংকটের কারণেই বাজারে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যে চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা হাজার হাজার টাকায় বিক্রি হয়, সেই কাঁচা চামড়ার দাম এত কমে যাওয়ার পেছনে প্রকৃত কারণ কী। সচেতন মহলের দাবি, চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও বাজারে অস্থিরতা রোধে দ্রæত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Thumbnail image

দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা। ক্রেতা সংকট, অস্বাভাবিক দরপতন ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের অভিযোগে ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী, সংগ্রাহক এবং এতিমখানা কর্তৃপক্ষ।

আজ শুক্রবার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ বাজারে চামড়ার আড়ত ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক ও পিকআপভর্তি চামড়া নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাক্সিক্ষত ক্রেতা পাচ্ছেন না। আড়তের বিভিন্ন স্থানে স্তূপ হয়ে পড়ে আছে হাজার হাজার পশুর চামড়া। কোথাও কোথাও শ্রমিক সংকটের কারণে গাড়িচালকদের দিয়েই চামড়া নামাতে দেখা গেছে।

অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ে বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করলেও আড়তে এসে তাঁরা পাচ্ছেন খুবই কম দাম। এতে পরিবহন খরচও উঠছে না। ক্ষোভে কেউ কেউ সড়কের পাশে চামড়া ফেলে চলে গেছেন। যথাযথ সংরক্ষণ না থাকায় অনেক চামড়ায় ইতিমধ্যে পচন ধরেছে এবং ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।

দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে কাঁচা চামড়া। এতে স্থানীয়দের ভোগান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মৌসুমি ব্যবসায়ীদের দাবি, একটি প্রভাবশালী চক্র বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রথমে বেশি দামের প্রতিযোগিতা তৈরি করে চামড়া সংগ্রহ করা হলেও পরে আড়তে এসে কৃত্রিমভাবে দাম কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, ৪০০ থেকে ৭০০ টাকায় কেনা গরুর চামড়া আড়তে বিক্রি করতে হচ্ছে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায়।

এদিকে চামড়া বিক্রির আয়ের ওপর নির্ভরশীল এতিমখানা ও কওমি মাদ্রাসাগুলোও আর্থিক সংকটে পড়েছে।

দাউদকান্দির এক মাদ্রাসাশিক্ষক বলেন, প্রতি বছর কোরবানির চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে এতিম শিশুদের ভরণপোষণ ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার খরচের একটি বড় অংশ মেটানো হয়। কিন্তু এবার প্রত্যাশিত অর্থ না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা।

তবে সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় আড়তদাররা। তাদের দাবি, ট্যানারিগুলোর চাহিদা কমে যাওয়া, বকেয়া অর্থ পরিশোধ না হওয়া এবং শ্রমিক সংকটের কারণেই বাজারে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যে চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা হাজার হাজার টাকায় বিক্রি হয়, সেই কাঁচা চামড়ার দাম এত কমে যাওয়ার পেছনে প্রকৃত কারণ কী। সচেতন মহলের দাবি, চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও বাজারে অস্থিরতা রোধে দ্রæত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

সরকার জুলাই সনদকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে: গোলাম পরওয়ার

২

ব্রাহ্মণপাড়ায় বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

৩

চান্দিনায় কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

৪

নিজ ক্যাম্পাসেই গায়ে হলুদ করে বিয়ে করছেন দুই শিক্ষার্থী

৫

বাঁশবোঝাই ভ্যান ও সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১

সম্পর্কিত

সরকার জুলাই সনদকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে: গোলাম পরওয়ার

সরকার জুলাই সনদকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে: গোলাম পরওয়ার

৬ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণপাড়ায় বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণপাড়ায় বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

৬ ঘণ্টা আগে
চান্দিনায় কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

চান্দিনায় কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

৬ ঘণ্টা আগে
নিজ ক্যাম্পাসেই গায়ে হলুদ করে বিয়ে করছেন দুই শিক্ষার্থী

নিজ ক্যাম্পাসেই গায়ে হলুদ করে বিয়ে করছেন দুই শিক্ষার্থী

৭ ঘণ্টা আগে