দাউদকান্দি প্রতিনিধি

দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা। ক্রেতা সংকট, অস্বাভাবিক দরপতন ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের অভিযোগে ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী, সংগ্রাহক এবং এতিমখানা কর্তৃপক্ষ।
আজ শুক্রবার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ বাজারে চামড়ার আড়ত ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক ও পিকআপভর্তি চামড়া নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাক্সিক্ষত ক্রেতা পাচ্ছেন না। আড়তের বিভিন্ন স্থানে স্তূপ হয়ে পড়ে আছে হাজার হাজার পশুর চামড়া। কোথাও কোথাও শ্রমিক সংকটের কারণে গাড়িচালকদের দিয়েই চামড়া নামাতে দেখা গেছে।
অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ে বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করলেও আড়তে এসে তাঁরা পাচ্ছেন খুবই কম দাম। এতে পরিবহন খরচও উঠছে না। ক্ষোভে কেউ কেউ সড়কের পাশে চামড়া ফেলে চলে গেছেন। যথাযথ সংরক্ষণ না থাকায় অনেক চামড়ায় ইতিমধ্যে পচন ধরেছে এবং ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।
দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে কাঁচা চামড়া। এতে স্থানীয়দের ভোগান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মৌসুমি ব্যবসায়ীদের দাবি, একটি প্রভাবশালী চক্র বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রথমে বেশি দামের প্রতিযোগিতা তৈরি করে চামড়া সংগ্রহ করা হলেও পরে আড়তে এসে কৃত্রিমভাবে দাম কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, ৪০০ থেকে ৭০০ টাকায় কেনা গরুর চামড়া আড়তে বিক্রি করতে হচ্ছে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায়।
এদিকে চামড়া বিক্রির আয়ের ওপর নির্ভরশীল এতিমখানা ও কওমি মাদ্রাসাগুলোও আর্থিক সংকটে পড়েছে।
দাউদকান্দির এক মাদ্রাসাশিক্ষক বলেন, প্রতি বছর কোরবানির চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে এতিম শিশুদের ভরণপোষণ ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার খরচের একটি বড় অংশ মেটানো হয়। কিন্তু এবার প্রত্যাশিত অর্থ না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা।
তবে সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় আড়তদাররা। তাদের দাবি, ট্যানারিগুলোর চাহিদা কমে যাওয়া, বকেয়া অর্থ পরিশোধ না হওয়া এবং শ্রমিক সংকটের কারণেই বাজারে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যে চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা হাজার হাজার টাকায় বিক্রি হয়, সেই কাঁচা চামড়ার দাম এত কমে যাওয়ার পেছনে প্রকৃত কারণ কী। সচেতন মহলের দাবি, চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও বাজারে অস্থিরতা রোধে দ্রæত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা। ক্রেতা সংকট, অস্বাভাবিক দরপতন ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের অভিযোগে ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী, সংগ্রাহক এবং এতিমখানা কর্তৃপক্ষ।
আজ শুক্রবার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ বাজারে চামড়ার আড়ত ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক ও পিকআপভর্তি চামড়া নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাক্সিক্ষত ক্রেতা পাচ্ছেন না। আড়তের বিভিন্ন স্থানে স্তূপ হয়ে পড়ে আছে হাজার হাজার পশুর চামড়া। কোথাও কোথাও শ্রমিক সংকটের কারণে গাড়িচালকদের দিয়েই চামড়া নামাতে দেখা গেছে।
অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ে বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করলেও আড়তে এসে তাঁরা পাচ্ছেন খুবই কম দাম। এতে পরিবহন খরচও উঠছে না। ক্ষোভে কেউ কেউ সড়কের পাশে চামড়া ফেলে চলে গেছেন। যথাযথ সংরক্ষণ না থাকায় অনেক চামড়ায় ইতিমধ্যে পচন ধরেছে এবং ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।
দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে কাঁচা চামড়া। এতে স্থানীয়দের ভোগান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মৌসুমি ব্যবসায়ীদের দাবি, একটি প্রভাবশালী চক্র বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রথমে বেশি দামের প্রতিযোগিতা তৈরি করে চামড়া সংগ্রহ করা হলেও পরে আড়তে এসে কৃত্রিমভাবে দাম কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, ৪০০ থেকে ৭০০ টাকায় কেনা গরুর চামড়া আড়তে বিক্রি করতে হচ্ছে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায়।
এদিকে চামড়া বিক্রির আয়ের ওপর নির্ভরশীল এতিমখানা ও কওমি মাদ্রাসাগুলোও আর্থিক সংকটে পড়েছে।
দাউদকান্দির এক মাদ্রাসাশিক্ষক বলেন, প্রতি বছর কোরবানির চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে এতিম শিশুদের ভরণপোষণ ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার খরচের একটি বড় অংশ মেটানো হয়। কিন্তু এবার প্রত্যাশিত অর্থ না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা।
তবে সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় আড়তদাররা। তাদের দাবি, ট্যানারিগুলোর চাহিদা কমে যাওয়া, বকেয়া অর্থ পরিশোধ না হওয়া এবং শ্রমিক সংকটের কারণেই বাজারে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যে চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা হাজার হাজার টাকায় বিক্রি হয়, সেই কাঁচা চামড়ার দাম এত কমে যাওয়ার পেছনে প্রকৃত কারণ কী। সচেতন মহলের দাবি, চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও বাজারে অস্থিরতা রোধে দ্রæত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।