দাউদকান্দিতে আশ্রয় প্রকল্পে অগ্নিকাণ্ড
দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ হরিপুর গ্রামে ভূমিহীনদের জন্য সরকারের দেওয়া আশ্রয় প্রকল্পের একটি ঘর আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আশ্রয় প্রকল্পের ৭ নম্বর ঘরটিতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের সহকারী আনোয়ার হোসেন জানান, আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘরটি বরাদ্দ ছিল স্বামীহারা ও হতদরিদ্র রাজিয়া বেগমের নামে। ওই ঘরেই তিনি তাঁর একমাত্র প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে বসবাস করতেন। আগুনে ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ায় তিনি চরম মানবিক সংকটে পড়েছেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রাজিয়া বেগম বলেন, সরকারের কাছ থেকে যে ঘরটা পেয়েছিলাম, সেটাই ছিল আমার শেষ সম্বল। আজ সেটাও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। এখন আমি আর আমার প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে কোথায় থাকব? ঘরের আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছু আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, অসহায় এই নারী ও তাঁর প্রতিবন্ধী সন্তানের এখন মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁই নেই। দ্রুত সরকারি সহায়তা পেলে এই সংকটময় সময়ে তিনি কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে মত তাঁদের।
দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ওয়্যারহাউজ স্টেশনের ইন্সপেক্টর এরশাদ হোসাইন জানান, বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তিনি বলেন, সময়মতো আমরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছালে পাশের অন্যান্য ঘরেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দাউদকান্দির সচেতন মহল জানিয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে আরও সতর্ক থাকার পাশাপাশি অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ হরিপুর গ্রামে ভূমিহীনদের জন্য সরকারের দেওয়া আশ্রয় প্রকল্পের একটি ঘর আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আশ্রয় প্রকল্পের ৭ নম্বর ঘরটিতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের সহকারী আনোয়ার হোসেন জানান, আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘরটি বরাদ্দ ছিল স্বামীহারা ও হতদরিদ্র রাজিয়া বেগমের নামে। ওই ঘরেই তিনি তাঁর একমাত্র প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে বসবাস করতেন। আগুনে ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ায় তিনি চরম মানবিক সংকটে পড়েছেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রাজিয়া বেগম বলেন, সরকারের কাছ থেকে যে ঘরটা পেয়েছিলাম, সেটাই ছিল আমার শেষ সম্বল। আজ সেটাও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। এখন আমি আর আমার প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে কোথায় থাকব? ঘরের আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছু আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, অসহায় এই নারী ও তাঁর প্রতিবন্ধী সন্তানের এখন মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁই নেই। দ্রুত সরকারি সহায়তা পেলে এই সংকটময় সময়ে তিনি কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে মত তাঁদের।
দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ওয়্যারহাউজ স্টেশনের ইন্সপেক্টর এরশাদ হোসাইন জানান, বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তিনি বলেন, সময়মতো আমরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছালে পাশের অন্যান্য ঘরেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দাউদকান্দির সচেতন মহল জানিয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে আরও সতর্ক থাকার পাশাপাশি অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা।