নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের উত্তর পেন্নাই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সমিলের অবৈধ গাছ কাটা ও ফেলার কারণে বিভিন্ন ভবন ও মসজিদে ফাটল দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এ বিষয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা তদন্তে গিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গৌরীপুর-হোমনা সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ‘ওহাব অ্যান্ড সন্স সমিল’ নিয়ম অমান্য করে বড় বড় গাছ ট্রাক থেকে মাটিতে ফেলে দিচ্ছে। গাছ নামানোর সময় বিকট শব্দ ও প্রচণ্ড কম্পনের কারণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এতে শিশু, বৃদ্ধ ও গৃহবধূদের জন্য ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় মুক্তি মেডিকেল সেন্টারের মালিক মো. মোজাম্মেল হক জানান, বৃদ্ধ ও শিশুসহ সব বাসিন্দা গাছ নামানোর সময় আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। ঘরবাড়ি ও মসজিদের দেয়ালে সূক্ষ্ম ফাটল দেখা দিয়েছে। বারবার অনুরোধ করেছি নিরাপদ পদ্ধতিতে গাছ নামাতে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
এলাকার বয়োবৃদ্ধ খালেক হাজারি বলেন, দেয়ালে ফাটল ক্রমশ বড় হচ্ছে। গাছ নামানোর সময় কম্পনের কারণে পুরো এলাকা আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে মসজিদের ফ্লোরে ফাটল ধরেছে, নামাজের সময় আমরা ভয় পাচ্ছি। বিষয়টি খুবই গুরুতর।
ভুক্তভোগী হাসেম হাজারী জানান, ভারী গাছ যান্ত্রিক পদ্ধতি বা ক্রেন ব্যবহার করে নামানো হলে ঝুঁকি অনেক কমানো সম্ভব। দীর্ঘদিনের অনুরোধের পরও মিল কর্তৃপক্ষ উদাসীন। আমাদের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে গত রোববার স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগপত্রে সমিল কর্তৃপক্ষকে নিয়ম মেনে, নিরাপদভাবে গাছ নামানোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন মো. জাকির হোসেন, খালেক হাজারি, আতিকুর রহমান, মো. সুমন, হাসেম হাজারী সুমন, আব্দুল কাদের, আতাউর রহমান, মিজানুর রহমান, সোবহান হাজারী ও আব্দুর রহমান।
সমিলের মালিক রনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে আরো ৮-৯ মাস সময় দিতে হবে। তার আগে এইভাবে গাছ নামানো হবে।
তদন্ত কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন জানান, আমাকে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের উত্তর পেন্নাই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সমিলের অবৈধ গাছ কাটা ও ফেলার কারণে বিভিন্ন ভবন ও মসজিদে ফাটল দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এ বিষয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা তদন্তে গিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গৌরীপুর-হোমনা সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ‘ওহাব অ্যান্ড সন্স সমিল’ নিয়ম অমান্য করে বড় বড় গাছ ট্রাক থেকে মাটিতে ফেলে দিচ্ছে। গাছ নামানোর সময় বিকট শব্দ ও প্রচণ্ড কম্পনের কারণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এতে শিশু, বৃদ্ধ ও গৃহবধূদের জন্য ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় মুক্তি মেডিকেল সেন্টারের মালিক মো. মোজাম্মেল হক জানান, বৃদ্ধ ও শিশুসহ সব বাসিন্দা গাছ নামানোর সময় আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। ঘরবাড়ি ও মসজিদের দেয়ালে সূক্ষ্ম ফাটল দেখা দিয়েছে। বারবার অনুরোধ করেছি নিরাপদ পদ্ধতিতে গাছ নামাতে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
এলাকার বয়োবৃদ্ধ খালেক হাজারি বলেন, দেয়ালে ফাটল ক্রমশ বড় হচ্ছে। গাছ নামানোর সময় কম্পনের কারণে পুরো এলাকা আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে মসজিদের ফ্লোরে ফাটল ধরেছে, নামাজের সময় আমরা ভয় পাচ্ছি। বিষয়টি খুবই গুরুতর।
ভুক্তভোগী হাসেম হাজারী জানান, ভারী গাছ যান্ত্রিক পদ্ধতি বা ক্রেন ব্যবহার করে নামানো হলে ঝুঁকি অনেক কমানো সম্ভব। দীর্ঘদিনের অনুরোধের পরও মিল কর্তৃপক্ষ উদাসীন। আমাদের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে গত রোববার স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগপত্রে সমিল কর্তৃপক্ষকে নিয়ম মেনে, নিরাপদভাবে গাছ নামানোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন মো. জাকির হোসেন, খালেক হাজারি, আতিকুর রহমান, মো. সুমন, হাসেম হাজারী সুমন, আব্দুল কাদের, আতাউর রহমান, মিজানুর রহমান, সোবহান হাজারী ও আব্দুর রহমান।
সমিলের মালিক রনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে আরো ৮-৯ মাস সময় দিতে হবে। তার আগে এইভাবে গাছ নামানো হবে।
তদন্ত কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন জানান, আমাকে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।