আমার শহর ডেস্ক

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে দাউদকান্দি উপজেলার ষোলপাড়া এলাকায় দলের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করা হয়।
জামায়াতের নারীনেত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, কয়েক দিন ধরে দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থক তাঁদের ওপর হামলা করেছেন এবং প্রচারে বাধা দিয়েছেন। এ ঘটনায় গত বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত বুধবার উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের নৈয়ার গ্রামে ও ৩১ জানুয়ারি গৌরীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে নারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পদুয়া, সুন্দলপুর ও পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রচারের সময় নারীদের হিজাব ধরে টানাটানি ও শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা ঘটে। মেঘনা উপজেলার বড়কান্দা ইউনিয়নেও একই ধরনের বাধা ও হুমকির ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা প্রচারণার মাইক ভাঙচুর করেছেন এবং নারী কর্মীদের এলাকা ত্যাগের হুমকি দেন। এসব ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতের নারী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা জাহান, পৌর জামায়াতের মহিলা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক শিরিন হক, সহকারী সাধারণ সম্পাদক খোরশেদা আক্তার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিনা মমতাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আবদুল হালিম বলেন, ‘অভিযোগ আমরা পেয়েছি এবং বিষয়টি নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।’
দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেদওয়ান ইসলাম বলেন, উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর বুধবার একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করা হবে। তবে নির্বাচনী জরুরি সভার কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে দাউদকান্দি উপজেলার ষোলপাড়া এলাকায় দলের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করা হয়।
জামায়াতের নারীনেত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, কয়েক দিন ধরে দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থক তাঁদের ওপর হামলা করেছেন এবং প্রচারে বাধা দিয়েছেন। এ ঘটনায় গত বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত বুধবার উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের নৈয়ার গ্রামে ও ৩১ জানুয়ারি গৌরীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে নারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পদুয়া, সুন্দলপুর ও পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রচারের সময় নারীদের হিজাব ধরে টানাটানি ও শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা ঘটে। মেঘনা উপজেলার বড়কান্দা ইউনিয়নেও একই ধরনের বাধা ও হুমকির ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা প্রচারণার মাইক ভাঙচুর করেছেন এবং নারী কর্মীদের এলাকা ত্যাগের হুমকি দেন। এসব ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতের নারী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা জাহান, পৌর জামায়াতের মহিলা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক শিরিন হক, সহকারী সাধারণ সম্পাদক খোরশেদা আক্তার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিনা মমতাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আবদুল হালিম বলেন, ‘অভিযোগ আমরা পেয়েছি এবং বিষয়টি নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।’
দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেদওয়ান ইসলাম বলেন, উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর বুধবার একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করা হবে। তবে নির্বাচনী জরুরি সভার কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।