দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তায় বিনামূল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আজ রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি নাছরীন আক্তার। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, আউশ ধানের আবাদ সম্প্রসারণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে এই প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার কৃষকদের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
উপকারভোগী ইউনিয়নগুলো হলো মোহাম্মদপুর, বিটেশ্বর, মারুকা, মালিগাঁও, জিংলাতলী, পাঁচগাছিয়া, ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ও গোয়ালমারি। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে ৩৫০ জন এবং বিটেশ্বর ও মারুকা ইউনিয়নে ২৫০ জন করে কৃষক সহায়তা পেয়েছেন। অন্যান্য ইউনিয়নেও নির্ধারিত সংখ্যক কৃষকের মধ্যে উপকরণ দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহ জোগাবে এবং আউশ ধানের ফলন বাড়াতে সহায়ক হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের কল্যাণে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তায় বিনামূল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আজ রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি নাছরীন আক্তার। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, আউশ ধানের আবাদ সম্প্রসারণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে এই প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার কৃষকদের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
উপকারভোগী ইউনিয়নগুলো হলো মোহাম্মদপুর, বিটেশ্বর, মারুকা, মালিগাঁও, জিংলাতলী, পাঁচগাছিয়া, ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ও গোয়ালমারি। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে ৩৫০ জন এবং বিটেশ্বর ও মারুকা ইউনিয়নে ২৫০ জন করে কৃষক সহায়তা পেয়েছেন। অন্যান্য ইউনিয়নেও নির্ধারিত সংখ্যক কৃষকের মধ্যে উপকরণ দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহ জোগাবে এবং আউশ ধানের ফলন বাড়াতে সহায়ক হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের কল্যাণে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।