নিজস্ব প্রতিবেদক, দাউদকান্দি

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামে নির্মিত মারকাজ মসজিদের কমিটি নিয়ে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে আবার সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় চলা এ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৭ জনকে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা আহত সাইফুল্লাহ বলেন, গ্রামের মরহুম হাজি জৈনুদ্দিনের দান করা সাড়ে চার বিঘা জমিতে মারকাজ মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। দলিল মোতাবেক স্থানীয় বাসিন্দাদের মসজিদ উন্নয়ন কমিটিতে থাকার কথা। কিন্তু বহিরাগত ব্যক্তিরা আধিপত্য বিস্তারের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের কমিটি থেকে বাদ দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে একক প্রাধান্য বিস্তার করছেন। দান করা জায়গায় মাদ্রাসা নির্মাণ করে বহিরাগত ব্যক্তিরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।
সাইফুল্লাহর অভিযোগ, দান করা সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা চলছে। তাঁরা সম্পত্তি রক্ষার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দা প্রবাসী দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে বহিরাগত দল তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে তাঁর অভিযোগ। এতে তাঁদের পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রবাসী দুলাল মিয়ার ভাষ্য, তাঁরা চাচ্ছেন হাজি জৈনদ্দিনের দান করা সম্পত্তি আলেম সমাজের মাধ্যমে পরিচালিত হোক। এই নিয়ে গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্ব›দ্ব, হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা চলছে।
দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আবদুল লতিফ বলেন, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে তাঁরা দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই ভর্তি আছেন। তাঁদের শরীরে ধারালো অস্ত্র, টেঁটা ও ইটপাটকেলের আঘাত আছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, তিনি মসজিদের কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের মারামারির বিষয়টি শুনেছেন। থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরীন আক্তার বলেন, সরেজমিন পরিদর্শনের পর আইনগতভাবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিরোধের জেরে গত ২২ মার্চ থেকে মারকাজ মসজিদে তালা ঝুলছে। এর আগে ২৮ এপ্রিল মসজিদের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে ওয়াক্ফ সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অমান্য এবং আলোচনায় অনাগ্রহের অভিযোগ করেছে।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামে নির্মিত মারকাজ মসজিদের কমিটি নিয়ে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে আবার সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় চলা এ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৭ জনকে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা আহত সাইফুল্লাহ বলেন, গ্রামের মরহুম হাজি জৈনুদ্দিনের দান করা সাড়ে চার বিঘা জমিতে মারকাজ মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। দলিল মোতাবেক স্থানীয় বাসিন্দাদের মসজিদ উন্নয়ন কমিটিতে থাকার কথা। কিন্তু বহিরাগত ব্যক্তিরা আধিপত্য বিস্তারের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের কমিটি থেকে বাদ দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে একক প্রাধান্য বিস্তার করছেন। দান করা জায়গায় মাদ্রাসা নির্মাণ করে বহিরাগত ব্যক্তিরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।
সাইফুল্লাহর অভিযোগ, দান করা সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা চলছে। তাঁরা সম্পত্তি রক্ষার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দা প্রবাসী দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে বহিরাগত দল তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে তাঁর অভিযোগ। এতে তাঁদের পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রবাসী দুলাল মিয়ার ভাষ্য, তাঁরা চাচ্ছেন হাজি জৈনদ্দিনের দান করা সম্পত্তি আলেম সমাজের মাধ্যমে পরিচালিত হোক। এই নিয়ে গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্ব›দ্ব, হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা চলছে।
দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আবদুল লতিফ বলেন, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে তাঁরা দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই ভর্তি আছেন। তাঁদের শরীরে ধারালো অস্ত্র, টেঁটা ও ইটপাটকেলের আঘাত আছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, তিনি মসজিদের কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের মারামারির বিষয়টি শুনেছেন। থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরীন আক্তার বলেন, সরেজমিন পরিদর্শনের পর আইনগতভাবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিরোধের জেরে গত ২২ মার্চ থেকে মারকাজ মসজিদে তালা ঝুলছে। এর আগে ২৮ এপ্রিল মসজিদের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে ওয়াক্ফ সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অমান্য এবং আলোচনায় অনাগ্রহের অভিযোগ করেছে।