এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জয়পুর গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক সংস্কার জমি সংক্রান্ত ভ্রাতৃকলহের জেরে প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় ফতেহাবাদ ও সুবিল ইউনিয়নের অন্তত আটটি গ্রামের শত শত মানুষ এই সড়ক ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গত বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে আহামুদ্দিন সরকার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার এই সংযোগ সড়কটি ফতেহাবাদ ইউনিয়নের আসানপুর সড়ক হয়ে সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর বাজার সড়কের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু জয়পুর গ্রামের আজিজ সরকার বাড়ির পারিবারিক বিরোধের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির উন্নয়ন কাজ বন্ধ রয়েছে।
মো. শামমিয়া সানু মেম্বার বলেন, সড়কটি তাঁর ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে নির্মাণ হচ্ছে এবং সড়কের জন্য আরও অতিরিক্ত জমি নেওয়ার প্রয়োজন হলে তাও আমি দিতে রাজি। সড়কের দু’পাশের জমির মালিক আমি নিজেই। তবে বাড়ির দেয়াল ভেঙ্গে নয়।
তিনি আরও বলেন, দু’জন ব্যক্তি আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। আমি চাঁদা না দেয়ায় ওরা এলাকার লোকজন এবং সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আমার সম্মানহানি করেছে।
তিনি আরও জানান, সড়কের উত্তর পাশে তার ২ দশমিক ৬০ শতক জমি রয়েছে, যা পারিবারিক বিরোধের কারণে অন্যরা দখল হয়ে করে নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। আদালতে অভিযুক্তরা হাজির হয়ে জমি ছেড়ে দেয়ার অঙ্গীকার করলেও ওরা দখল ছাড়ছে না।
সানু মেম্বারের চাচাতো ভাই অরুন সরকার জানান, তথ্য গোপন করে আমাদের পারিবারিক ইজমালিক সম্পত্তি থেকে মফিজুল ইসলামের সঙ্গে সাথে সানু মেম্বার-আমার এবং সানু মেম্বারের আপন ভাই খালেক সরকারের সামনের সাড়ে ৪ শতক জমি বিনিময় দলিল করে সমস্যা সৃষ্টি করেছেন। ওই ঘটনায় আমাদের দুই পরিবারের নারী-পুরুষসহ ৯জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
অপরদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসী সুলতান আহমেদসহ কয়েকজন অভিযোগ করেন, সানু মেম্বারের বাড়ির দেয়াল ভেঙে দিলে সড়কটি সোজা ও সুন্দর করা সম্ভব। দেয়াল না ভাঙ্গায় উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। তারা আরো জানান, সড়কটির সৌন্দর্যবর্ধনে এলাকাবাসী মানব বন্ধন করেও কোর প্রতিকার পায়নি।
সড়ক সংস্কারে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘খান এন্টার প্রাইজ লিমিটেড’র স্বত্ত্বাধিকারী মো. সফিউল্লাহ বলেন, জয়পুর সড়ক সংস্কার কাজটি ১০ ফুট প্রস্থ, ৮৩৭ মিটার দৈর্ঘ্য। প্রাক্কলন ব্যায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা। সড়ক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রয়েছে, স্থানীয় কিছু লোক আমার উপর চাপ প্রয়োগ করছেন,- সানু মেম্বারের বাড়ির দেয়াল ভেঙ্গে সোজা করে সড়ক সংস্কার করতে। তবে জমি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় তিনি হস্তক্ষেপ করতে পারছেন না। এর পরও দেয়াল না ভেঙ্গেও সড়ক সংস্কার করা সম্ভব।
জানতে চাইলে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারণেই সড়ক সংস্কার আটকে আছে। জমিসংক্রান্ত বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং বিতর্কিত জায়গাটি খাস জমি নয়, ব্যক্তি মালিকানাধীন। জমির মালিক এবং স্থানীয়রা সমঝোতায় গেলে সড়ক সংস্কারে কোন সমস্যা থাকার কথা নয়।

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জয়পুর গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক সংস্কার জমি সংক্রান্ত ভ্রাতৃকলহের জেরে প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় ফতেহাবাদ ও সুবিল ইউনিয়নের অন্তত আটটি গ্রামের শত শত মানুষ এই সড়ক ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গত বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে আহামুদ্দিন সরকার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার এই সংযোগ সড়কটি ফতেহাবাদ ইউনিয়নের আসানপুর সড়ক হয়ে সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর বাজার সড়কের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু জয়পুর গ্রামের আজিজ সরকার বাড়ির পারিবারিক বিরোধের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির উন্নয়ন কাজ বন্ধ রয়েছে।
মো. শামমিয়া সানু মেম্বার বলেন, সড়কটি তাঁর ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে নির্মাণ হচ্ছে এবং সড়কের জন্য আরও অতিরিক্ত জমি নেওয়ার প্রয়োজন হলে তাও আমি দিতে রাজি। সড়কের দু’পাশের জমির মালিক আমি নিজেই। তবে বাড়ির দেয়াল ভেঙ্গে নয়।
তিনি আরও বলেন, দু’জন ব্যক্তি আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। আমি চাঁদা না দেয়ায় ওরা এলাকার লোকজন এবং সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আমার সম্মানহানি করেছে।
তিনি আরও জানান, সড়কের উত্তর পাশে তার ২ দশমিক ৬০ শতক জমি রয়েছে, যা পারিবারিক বিরোধের কারণে অন্যরা দখল হয়ে করে নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। আদালতে অভিযুক্তরা হাজির হয়ে জমি ছেড়ে দেয়ার অঙ্গীকার করলেও ওরা দখল ছাড়ছে না।
সানু মেম্বারের চাচাতো ভাই অরুন সরকার জানান, তথ্য গোপন করে আমাদের পারিবারিক ইজমালিক সম্পত্তি থেকে মফিজুল ইসলামের সঙ্গে সাথে সানু মেম্বার-আমার এবং সানু মেম্বারের আপন ভাই খালেক সরকারের সামনের সাড়ে ৪ শতক জমি বিনিময় দলিল করে সমস্যা সৃষ্টি করেছেন। ওই ঘটনায় আমাদের দুই পরিবারের নারী-পুরুষসহ ৯জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
অপরদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসী সুলতান আহমেদসহ কয়েকজন অভিযোগ করেন, সানু মেম্বারের বাড়ির দেয়াল ভেঙে দিলে সড়কটি সোজা ও সুন্দর করা সম্ভব। দেয়াল না ভাঙ্গায় উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। তারা আরো জানান, সড়কটির সৌন্দর্যবর্ধনে এলাকাবাসী মানব বন্ধন করেও কোর প্রতিকার পায়নি।
সড়ক সংস্কারে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘খান এন্টার প্রাইজ লিমিটেড’র স্বত্ত্বাধিকারী মো. সফিউল্লাহ বলেন, জয়পুর সড়ক সংস্কার কাজটি ১০ ফুট প্রস্থ, ৮৩৭ মিটার দৈর্ঘ্য। প্রাক্কলন ব্যায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা। সড়ক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রয়েছে, স্থানীয় কিছু লোক আমার উপর চাপ প্রয়োগ করছেন,- সানু মেম্বারের বাড়ির দেয়াল ভেঙ্গে সোজা করে সড়ক সংস্কার করতে। তবে জমি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় তিনি হস্তক্ষেপ করতে পারছেন না। এর পরও দেয়াল না ভেঙ্গেও সড়ক সংস্কার করা সম্ভব।
জানতে চাইলে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারণেই সড়ক সংস্কার আটকে আছে। জমিসংক্রান্ত বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং বিতর্কিত জায়গাটি খাস জমি নয়, ব্যক্তি মালিকানাধীন। জমির মালিক এবং স্থানীয়রা সমঝোতায় গেলে সড়ক সংস্কারে কোন সমস্যা থাকার কথা নয়।