নিজস্ব প্রতিবেদক

মনোনয়ন বাতিল হয়নি বলে দাবি করেছেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই দাবি করেন।
ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, নিউজ মিডিয়া যেভাবে বিষয়টি প্রচার করছে, সেটি সত্য নয়। মনোনয়ন নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। তাই এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ইনশাআল্লাহ সবকিছু স্বাভাবিক ও সঠিকভাবেই চলছে।
ভিডিও চলাকালে তিনি তাঁর আইনজীবীকে ফোনে যুক্ত করেন। আইনজীবী এই বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেন। আইনজীবী জানান, ব্যক্তি মুন্সীর ঋণখেলাপি নেই। তাঁর কোম্পানি নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। এ কারণে চেম্বার আদালত আগের স্টে অর্ডারটি স্থগিত করে। আমরা রোববারে এটি নিয়ে আপিল করব। ওই আইনজীবী দাবি করেন, স্টে অর্ডার স্থগিত হওয়া মানে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাওয়া নয়।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান জানান, এটি আপিলে নিষ্পত্তি হবে। আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নই।
এর আগে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেম্বার আদালতে আবেদন করে।
গতকাল বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার।
চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ কার্যকর না থাকায় ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আইনগতভাবে ঋণখেলাপি হিসেবেই বিবেচিত থাকবেন। প্রচলিত আইন অনুযায়ী, ঋণখেলাপিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মনোনয়ন বাতিল হয়নি বলে দাবি করেছেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই দাবি করেন।
ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, নিউজ মিডিয়া যেভাবে বিষয়টি প্রচার করছে, সেটি সত্য নয়। মনোনয়ন নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। তাই এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ইনশাআল্লাহ সবকিছু স্বাভাবিক ও সঠিকভাবেই চলছে।
ভিডিও চলাকালে তিনি তাঁর আইনজীবীকে ফোনে যুক্ত করেন। আইনজীবী এই বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেন। আইনজীবী জানান, ব্যক্তি মুন্সীর ঋণখেলাপি নেই। তাঁর কোম্পানি নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। এ কারণে চেম্বার আদালত আগের স্টে অর্ডারটি স্থগিত করে। আমরা রোববারে এটি নিয়ে আপিল করব। ওই আইনজীবী দাবি করেন, স্টে অর্ডার স্থগিত হওয়া মানে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাওয়া নয়।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান জানান, এটি আপিলে নিষ্পত্তি হবে। আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নই।
এর আগে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেম্বার আদালতে আবেদন করে।
গতকাল বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার।
চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ কার্যকর না থাকায় ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আইনগতভাবে ঋণখেলাপি হিসেবেই বিবেচিত থাকবেন। প্রচলিত আইন অনুযায়ী, ঋণখেলাপিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।