• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> মনোহরগঞ্জ

মনোহরগঞ্জে ফাগুনেও দেখা মিলছে না শিমুলের

মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০: ৪৭
logo

মনোহরগঞ্জে ফাগুনেও দেখা মিলছে না শিমুলের

মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০: ৪৭
Photo

ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে প্রকৃতিতে এখন শিমুল ফুলের মেলা বসার কথা। গাছে গাছে লাল ফুলের সমারোহ দেখে বোঝার কথা শীত বিদায় নিয়ে এসেছে ফাগুন। কিন্তু কালের বিবর্তনে আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা থেকে বিলুপ্ত হতে বসেছে দৃষ্টি নন্দন শিমুল গাছ। একসময়ের আগুন ঝরা ফাগুন এখন শুধুই স্মৃতি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে এবং প্রবীণদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কয়েক বছর আগেও গ্রামের রাস্তার ধারে, বাড়ির আনাচে-কানাচে ও পতিত জমিতে প্রচুর শিমুল গাছ দেখা যেত। বসন্তের শুরুতেই গাছে গাছে লাল ফুল ফুটে প্রকৃতির শোভা বাড়িয়ে তুলত। কিন্তু বর্তমানে গাছ উজাড় হয়ে যাওয়ায় আগের মতো সেই নয়নাভিরাম দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শিমুল গাছ বিলুপ্তির পেছনে মূল কারণ হলো চারা রোপণে অনীহা এবং বন ও কৃষি বিভাগের সঠিক তদারকির অভাব।

মৈশাতুয়া গ্রামের বাসিন্দা হারুন অর ভূঁইয়া জানান, শিমুল গাছ প্রাকৃতিকভাবেই জন্মে। চৈত্র মাসে ফল পুষ্ট হয়ে বৈশাখ মাসে ফেটে গিয়ে বাতাসেই এর বীজ দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এখন নতুন করে গাছ জন্মানোর সুযোগ পাচ্ছে না। পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব শিমুল গাছ শুধু প্রকৃতির শোভাই বাড়ায় না, এর অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত গুরুত্বও অপরিসীম। ছিকটিয়া গ্রামের আবদুল মান্নান জানান, শিমুল তুলা লেপ-তোশক ও বালিশ তৈরির জন্য সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত।

আগে কৃষকরা শিমুল তুলা বিক্রি করে বাড়তি আয় করত। একটি বড় গাছ থেকে বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার তুলা পাওয়া সম্ভব। এছাড়া শিমুল গাছ পাখির নিরাপদ আবাসস্থল। গাছ কমে যাওয়ায় পাখিরাও তাদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে।

বিশেষ করে শিমুলের ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে যারা জানেন, তারা এই উপকারী গাছটি হারিয়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হাটিরপাড় গ্রামের সচেতন এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি খাস জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বড় বড় রাস্তার ধারে কৃষি বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিমুল গাছ রোপণের বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক।

তারা মনে করেন, সময়মতো উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কেবল বইয়ের পাতায় আর ছবিতে শিমুল ফুল দেখবে। কৃষিতে আধুনিকতার প্রয়োজন থাকলেও প্রকৃতির এই অকৃত্রিম দান রক্ষায় এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ।

Thumbnail image

ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে প্রকৃতিতে এখন শিমুল ফুলের মেলা বসার কথা। গাছে গাছে লাল ফুলের সমারোহ দেখে বোঝার কথা শীত বিদায় নিয়ে এসেছে ফাগুন। কিন্তু কালের বিবর্তনে আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা থেকে বিলুপ্ত হতে বসেছে দৃষ্টি নন্দন শিমুল গাছ। একসময়ের আগুন ঝরা ফাগুন এখন শুধুই স্মৃতি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে এবং প্রবীণদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কয়েক বছর আগেও গ্রামের রাস্তার ধারে, বাড়ির আনাচে-কানাচে ও পতিত জমিতে প্রচুর শিমুল গাছ দেখা যেত। বসন্তের শুরুতেই গাছে গাছে লাল ফুল ফুটে প্রকৃতির শোভা বাড়িয়ে তুলত। কিন্তু বর্তমানে গাছ উজাড় হয়ে যাওয়ায় আগের মতো সেই নয়নাভিরাম দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শিমুল গাছ বিলুপ্তির পেছনে মূল কারণ হলো চারা রোপণে অনীহা এবং বন ও কৃষি বিভাগের সঠিক তদারকির অভাব।

মৈশাতুয়া গ্রামের বাসিন্দা হারুন অর ভূঁইয়া জানান, শিমুল গাছ প্রাকৃতিকভাবেই জন্মে। চৈত্র মাসে ফল পুষ্ট হয়ে বৈশাখ মাসে ফেটে গিয়ে বাতাসেই এর বীজ দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এখন নতুন করে গাছ জন্মানোর সুযোগ পাচ্ছে না। পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব শিমুল গাছ শুধু প্রকৃতির শোভাই বাড়ায় না, এর অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত গুরুত্বও অপরিসীম। ছিকটিয়া গ্রামের আবদুল মান্নান জানান, শিমুল তুলা লেপ-তোশক ও বালিশ তৈরির জন্য সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত।

আগে কৃষকরা শিমুল তুলা বিক্রি করে বাড়তি আয় করত। একটি বড় গাছ থেকে বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার তুলা পাওয়া সম্ভব। এছাড়া শিমুল গাছ পাখির নিরাপদ আবাসস্থল। গাছ কমে যাওয়ায় পাখিরাও তাদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে।

বিশেষ করে শিমুলের ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে যারা জানেন, তারা এই উপকারী গাছটি হারিয়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হাটিরপাড় গ্রামের সচেতন এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি খাস জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বড় বড় রাস্তার ধারে কৃষি বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিমুল গাছ রোপণের বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক।

তারা মনে করেন, সময়মতো উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কেবল বইয়ের পাতায় আর ছবিতে শিমুল ফুল দেখবে। কৃষিতে আধুনিকতার প্রয়োজন থাকলেও প্রকৃতির এই অকৃত্রিম দান রক্ষায় এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

নাঙ্গলকোটের উন্নয়নে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার যত চ্যালেঞ্জ

২

কুমিল্লায় আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী উদ্ধার

৩

মনোহরগঞ্জে ফাগুনেও দেখা মিলছে না শিমুলের

৪

তিতাসে খাল উদ্ধারে উপজেলা পরিষদের যৌথ সভা

৫

সাংবাদিকদের বিভাজনের অন্যতম কারণ প্রেসক্লাব

সম্পর্কিত

নাঙ্গলকোটের উন্নয়নে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার যত চ্যালেঞ্জ

নাঙ্গলকোটের উন্নয়নে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার যত চ্যালেঞ্জ

১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লায় আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী উদ্ধার

কুমিল্লায় আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে
তিতাসে খাল উদ্ধারে উপজেলা পরিষদের যৌথ সভা

তিতাসে খাল উদ্ধারে উপজেলা পরিষদের যৌথ সভা

২ ঘণ্টা আগে
সাংবাদিকদের বিভাজনের অন্যতম কারণ প্রেসক্লাব

সাংবাদিকদের বিভাজনের অন্যতম কারণ প্রেসক্লাব

৭ ঘণ্টা আগে