• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> দেবীদ্বার

হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য ভারতের হাইকমিশনারকে লাথি দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত ছিল: হাসনাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২: ০২
logo

হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য ভারতের হাইকমিশনারকে লাথি দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত ছিল: হাসনাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২: ০২
Photo

জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাদের হাইকমিশনকে নাকি ভারত ডেকে ধমক দিয়েছে, কেন আমরা ওই কথা বলেছি। ভারতীয় হাই কমিশনারকে ওই খুনি হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য শুধু ধমক না লাথি দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত ছিল। আপনি আমার দেশের সন্ত্রাসকে পেলেপুষে বড় করবেন, তাদেরকে ট্রেনিং দিবেন, অর্থ দিবেন। অন্তত ত্রিশ হাজার আওয়ামী লীগের কর্মী ভিসা এবং পাসপোর্ট ছাড়া ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। তো আপনি আমার দেশের সন্ত্রাস পালবেন, বাংলাদেশ বিরক্তিকর করে রাখবেন। আর আমি আপনার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখব, এত ঠ্যাকা পড়ে নাই।

গতকাল বুধবার বিকেলে দেবিদ্বার উপজেলার ফুলতলী এলাকায় উঠান বৈঠকে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

হাসনাত বলেন, ভারতের সন্ত্রাসগুলো কয়দিন পরপর আমাদের দেশে ছেড়ে দেয়। বাংলাদেশের সন্ত্রাসগুলো ভারত আবার পাহারা দেয়, ট্রেনিং দেয়, অর্থ দেয়। অনেকদিন পরপর আমাদের দেশে ছাড়ে। আমাদের দেশে এসে দুষ্কর্ম করে। তাদেরকে বারবার করে বলা হয়েছে শোনে না। তো যেহেতু শোনে না, এখন আমাদের সন্ত্রাস যদি থেকে থাকে, যদি আমরা বলি যে আপনাদের দেশের সন্ত্রাসগুলো আমরা বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে টাকা পয়সা দিয়ে ট্রেনিং দিব, আপনার যদি সেটা বন্ধ না করেন এটা কি আমাদের অপরাধ?

তিনি আরও বলেন, সম্পর্ক হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। আপনি সন্ত্রাস ছাড়বেন, আপনার সার্বভৌমত্ব আমরা সম্মান করব। আপনার সীমান্তের প্রতি আমাদের সম্মান থাকবে। শর্ত হলো আমার সীমান্তকে আপনি সম্মান করতে হবে। আপনি যদি দেখামাত্রই গুলি মারা পলিসিতে বিশ্বাস করেন, আমি কেন আপনাকে দেখামাত্রই সালাম দেওয়া নীতিতে থাকব? আপনি যদি আমাকে দেখামাত্রই গুলি করতে পারেন, আমি আপনাকে দেখামাত্রই গুলি না করতে পারি, অন্তত ঢিল ছুড়ে হলেও প্রতিবাদ করব।

এনসিপির এই নেতা বলেন, আমাদের বাসায় বাসায় ডিস এন্টেনা ঢুকিয়ে, এই ভারতীয় সংস্কৃতি ঢুকিয়ে আমাদেরকে এটা বুঝিয়েছে যে আমরা ভারতের ওপর নির্ভর করে থাকতে হবে। কিন্তু আমাদেরকে আত্মনির্ভর হতে হবে। এখানেই তরুণ প্রজন্ম যারা আছেন আমাদের পূর্বের প্রজন্ম লড়াই আর করবে না। তারা ফোনে যোগাযোগ রাখে ওপেনে রাখে না। তার মানে তাদের সাহস যেটা বোঝার বুঝে গেছে। কারণ তাদের হিসাব কিতাব আছে অনেক কিছু।

তিনি আরও বলেন, ইন্ডিয়া নামে একটা ঠাকুর আছে, এটা বেজার হবে বলেই আমার দেশের অনেক রাজনীতিবিদ মুখে তালা দিয়ে রাখে। কিন্তু আমরা মুখে তালা দিয়ে রাখব না। এই মাটি আমাদের, স্বাধীনতা আমাদের, সার্বভৌমত্ব আমাদের।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিল স্বামী এবং স্ত্রীর সম্পর্কের মতো। এখন ভারত এটাকে মেনে উঠতে পারছে না- হঠাৎ করে তাদের মুখোমুখি আমরা দাঁড়িয়েছি। সম্পর্ক হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। আপনি আমাকে সম্মান দেবেন আমি আপনাকে সম্মান দেব। আমি আপনাকে শুধু ফুল দিয়ে যাব, আপনি আমাকে ফেলানীর মত কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখবেন, ওই ধরনের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আর বাংলাদেশে থাকবে না।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে বছরের পর বছর জঙ্গি হিসেবে ভারতের ট্রিট করা হয়েছে। যারাই ভারত বিরোধিতা করেছে, তাদেরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সেই সিরিয়ালে আমার ভাই হাদি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আমাদেরকে টার্গেট করেছে। তো কী হবে? কিছুই হবে না। আমি যদি মারা যাই এমন অনেক মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাবে। আমাদের ইনসাফের লড়াই আমাদের আজাদির যে সিলসিলা এটা অব্যাহত থাকবে।

এসময় জাতীয় নাগরিক পার্টির দেবিদ্বার উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Thumbnail image

জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাদের হাইকমিশনকে নাকি ভারত ডেকে ধমক দিয়েছে, কেন আমরা ওই কথা বলেছি। ভারতীয় হাই কমিশনারকে ওই খুনি হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য শুধু ধমক না লাথি দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত ছিল। আপনি আমার দেশের সন্ত্রাসকে পেলেপুষে বড় করবেন, তাদেরকে ট্রেনিং দিবেন, অর্থ দিবেন। অন্তত ত্রিশ হাজার আওয়ামী লীগের কর্মী ভিসা এবং পাসপোর্ট ছাড়া ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। তো আপনি আমার দেশের সন্ত্রাস পালবেন, বাংলাদেশ বিরক্তিকর করে রাখবেন। আর আমি আপনার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখব, এত ঠ্যাকা পড়ে নাই।

গতকাল বুধবার বিকেলে দেবিদ্বার উপজেলার ফুলতলী এলাকায় উঠান বৈঠকে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

হাসনাত বলেন, ভারতের সন্ত্রাসগুলো কয়দিন পরপর আমাদের দেশে ছেড়ে দেয়। বাংলাদেশের সন্ত্রাসগুলো ভারত আবার পাহারা দেয়, ট্রেনিং দেয়, অর্থ দেয়। অনেকদিন পরপর আমাদের দেশে ছাড়ে। আমাদের দেশে এসে দুষ্কর্ম করে। তাদেরকে বারবার করে বলা হয়েছে শোনে না। তো যেহেতু শোনে না, এখন আমাদের সন্ত্রাস যদি থেকে থাকে, যদি আমরা বলি যে আপনাদের দেশের সন্ত্রাসগুলো আমরা বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে টাকা পয়সা দিয়ে ট্রেনিং দিব, আপনার যদি সেটা বন্ধ না করেন এটা কি আমাদের অপরাধ?

তিনি আরও বলেন, সম্পর্ক হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। আপনি সন্ত্রাস ছাড়বেন, আপনার সার্বভৌমত্ব আমরা সম্মান করব। আপনার সীমান্তের প্রতি আমাদের সম্মান থাকবে। শর্ত হলো আমার সীমান্তকে আপনি সম্মান করতে হবে। আপনি যদি দেখামাত্রই গুলি মারা পলিসিতে বিশ্বাস করেন, আমি কেন আপনাকে দেখামাত্রই সালাম দেওয়া নীতিতে থাকব? আপনি যদি আমাকে দেখামাত্রই গুলি করতে পারেন, আমি আপনাকে দেখামাত্রই গুলি না করতে পারি, অন্তত ঢিল ছুড়ে হলেও প্রতিবাদ করব।

এনসিপির এই নেতা বলেন, আমাদের বাসায় বাসায় ডিস এন্টেনা ঢুকিয়ে, এই ভারতীয় সংস্কৃতি ঢুকিয়ে আমাদেরকে এটা বুঝিয়েছে যে আমরা ভারতের ওপর নির্ভর করে থাকতে হবে। কিন্তু আমাদেরকে আত্মনির্ভর হতে হবে। এখানেই তরুণ প্রজন্ম যারা আছেন আমাদের পূর্বের প্রজন্ম লড়াই আর করবে না। তারা ফোনে যোগাযোগ রাখে ওপেনে রাখে না। তার মানে তাদের সাহস যেটা বোঝার বুঝে গেছে। কারণ তাদের হিসাব কিতাব আছে অনেক কিছু।

তিনি আরও বলেন, ইন্ডিয়া নামে একটা ঠাকুর আছে, এটা বেজার হবে বলেই আমার দেশের অনেক রাজনীতিবিদ মুখে তালা দিয়ে রাখে। কিন্তু আমরা মুখে তালা দিয়ে রাখব না। এই মাটি আমাদের, স্বাধীনতা আমাদের, সার্বভৌমত্ব আমাদের।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিল স্বামী এবং স্ত্রীর সম্পর্কের মতো। এখন ভারত এটাকে মেনে উঠতে পারছে না- হঠাৎ করে তাদের মুখোমুখি আমরা দাঁড়িয়েছি। সম্পর্ক হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। আপনি আমাকে সম্মান দেবেন আমি আপনাকে সম্মান দেব। আমি আপনাকে শুধু ফুল দিয়ে যাব, আপনি আমাকে ফেলানীর মত কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখবেন, ওই ধরনের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আর বাংলাদেশে থাকবে না।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে বছরের পর বছর জঙ্গি হিসেবে ভারতের ট্রিট করা হয়েছে। যারাই ভারত বিরোধিতা করেছে, তাদেরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সেই সিরিয়ালে আমার ভাই হাদি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আমাদেরকে টার্গেট করেছে। তো কী হবে? কিছুই হবে না। আমি যদি মারা যাই এমন অনেক মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাবে। আমাদের ইনসাফের লড়াই আমাদের আজাদির যে সিলসিলা এটা অব্যাহত থাকবে।

এসময় জাতীয় নাগরিক পার্টির দেবিদ্বার উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট

২

জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

৩

সরকার জুলাই সনদকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে: গোলাম পরওয়ার

৪

ব্রাহ্মণপাড়ায় বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

৫

চান্দিনায় কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

সম্পর্কিত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট

১ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে
সরকার জুলাই সনদকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে: গোলাম পরওয়ার

সরকার জুলাই সনদকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছে: গোলাম পরওয়ার

১৭ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণপাড়ায় বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণপাড়ায় বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

১৭ ঘণ্টা আগে