দেবীদ্বার প্রতিনিধি
প্রস্তাবিত নিয়োগবিধি- ২০২৪ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে কুমিল্লার দেবীদ্বারে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ৯২ জন কর্মচারী অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন। ‘এক দফা, এক দাবি’ শ্লোগানে তারা ২ ডিসেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেবীদ্বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেন ‘পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা’, ‘পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক’ ও ‘পরিবার কল্যাণ সহকারী’রা।

ধর্মঘটে বক্তব্য রাখেন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা আনোয়ারা বেগম, ডালিয়া বেগম, সাইদা সুলতানা, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. আবুল বাশার, মো. আক্তারুজ্জামান, মো. মহিউদ্দিন বাহারুল এবং পরিবার কল্যাণ সহকারী লিমা শারমিন, মর্জিনা বেগম ও ফেরদৌসী বেগম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, “আমরাই পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মূল চাবিকাঠি। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম, গর্ভকালীন নিরাপদ প্রসব, নবজাতক ও প্রসবোত্তর সেবা, কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি কার্যক্রম, টিকাদান কর্মসূচি থেকে শুরু করে মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে আমরা ঘরে ঘরে সেবা দিয়ে আসছি। দেশ-বিদেশে এই কাজের জন্য যথেষ্ট সুনাম অর্জন করলেও এখনো আমাদের চাকরিতে কোনো স্থায়ী নিয়োগবিধি নেই।”
তারা আরও বলেন, “২০২৪ সালের প্রস্তাবিত নিয়োগবিধি আমাদের ন্যায্য ও মৌলিক অধিকার। তা দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে ১১ ডিসেম্বরের পর বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।”
ধর্মঘট কর্মসূচিতে এলাকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া দেখা যায়।
প্রস্তাবিত নিয়োগবিধি- ২০২৪ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে কুমিল্লার দেবীদ্বারে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ৯২ জন কর্মচারী অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন। ‘এক দফা, এক দাবি’ শ্লোগানে তারা ২ ডিসেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেবীদ্বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেন ‘পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা’, ‘পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক’ ও ‘পরিবার কল্যাণ সহকারী’রা।

ধর্মঘটে বক্তব্য রাখেন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা আনোয়ারা বেগম, ডালিয়া বেগম, সাইদা সুলতানা, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. আবুল বাশার, মো. আক্তারুজ্জামান, মো. মহিউদ্দিন বাহারুল এবং পরিবার কল্যাণ সহকারী লিমা শারমিন, মর্জিনা বেগম ও ফেরদৌসী বেগম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, “আমরাই পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মূল চাবিকাঠি। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম, গর্ভকালীন নিরাপদ প্রসব, নবজাতক ও প্রসবোত্তর সেবা, কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি কার্যক্রম, টিকাদান কর্মসূচি থেকে শুরু করে মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে আমরা ঘরে ঘরে সেবা দিয়ে আসছি। দেশ-বিদেশে এই কাজের জন্য যথেষ্ট সুনাম অর্জন করলেও এখনো আমাদের চাকরিতে কোনো স্থায়ী নিয়োগবিধি নেই।”
তারা আরও বলেন, “২০২৪ সালের প্রস্তাবিত নিয়োগবিধি আমাদের ন্যায্য ও মৌলিক অধিকার। তা দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে ১১ ডিসেম্বরের পর বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।”
ধর্মঘট কর্মসূচিতে এলাকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া দেখা যায়।