ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুটি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইটভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে মোট ৮ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়সাল উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের ডালকরপাড় এলাকার ‘সনি ব্রিক ফিল্ড’-কে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর ১৫(১) ধারায় অবৈধভাবে পরিচালনার দায়ে নগদ ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট ও ভাটার চুল্লি ভেঙ্গে দেওয়া হয়।

অপরদিকে একই ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকার ‘এম এম ব্রিকস’-কে একই আইনে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রস্ততকৃত পোড়া ইট, কাঁচা ইট ও চুল্লি ধ্বংস করা হয়।
উল্লেখ্য, উভয় ইটভাটারই কোনো পরিবেশ ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি। জানা যায়, ভাটাগুলোর মালিক ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক থাকায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছিল।
অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লার সিনিয়র কেমিস্ট মো. রায়হান মোরশেদ, মেজর মো. সানিউল আজমের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি দল এবং দেবীদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু তাহেরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল উদ্দিন জানান, দেবীদ্বার উপজেলায় মোট ২২টি ইটভাটার মধ্যে অধিকাংশই পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন ও অবৈধ। এসব ভাটা রাতের আঁধারে গোমতী নদীর চর থেকে মাটি কেটে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুটি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইটভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে মোট ৮ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়সাল উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের ডালকরপাড় এলাকার ‘সনি ব্রিক ফিল্ড’-কে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর ১৫(১) ধারায় অবৈধভাবে পরিচালনার দায়ে নগদ ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট ও ভাটার চুল্লি ভেঙ্গে দেওয়া হয়।

অপরদিকে একই ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকার ‘এম এম ব্রিকস’-কে একই আইনে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রস্ততকৃত পোড়া ইট, কাঁচা ইট ও চুল্লি ধ্বংস করা হয়।
উল্লেখ্য, উভয় ইটভাটারই কোনো পরিবেশ ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি। জানা যায়, ভাটাগুলোর মালিক ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক থাকায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছিল।
অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লার সিনিয়র কেমিস্ট মো. রায়হান মোরশেদ, মেজর মো. সানিউল আজমের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি দল এবং দেবীদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু তাহেরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল উদ্দিন জানান, দেবীদ্বার উপজেলায় মোট ২২টি ইটভাটার মধ্যে অধিকাংশই পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন ও অবৈধ। এসব ভাটা রাতের আঁধারে গোমতী নদীর চর থেকে মাটি কেটে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।