দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম ঋণখেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ও প্রকাশ না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের করা পৃথক আবেদনের (লিভ টু আপিল) শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। এ অবস্থায় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে পারবেন কি না, তা আলোচনায় এসেছে। এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচন করছেন।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর তথ্য অনুসারে, মাম পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। এই কোম্পানির ঋণ ঘিরে ঋণখেলাপি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা না করতে এবং নাম সিআইবিতে না পাঠাতে ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে কোম্পানি ও তিনি মামলা করেন। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়, যা গত বছরের ৫ নভেম্বর খারিজ হয়। এরপর তিনি হাইকোর্টে বিবিধ আপিল করেন। শুনানি নিয়ে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুলসহ ওই আদেশ দেন।
হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স পৃথক লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। আবেদন দুটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের আজকের কার্যতালিকায় ওঠে।
আদালতে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী বিভূতি তরফদার শুনানিতে ছিলেন।
আদেশের পর আইডিএলসি ফাইন্যান্সের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, তাঁর (মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী) নাম বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনে (ঋণখেলাপি) প্রকাশিত হয়। এ নিয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। তাঁর নাম ঋণখেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত করে দিয়েছেন চেম্বার আদালত। এতে করে সিআইবি প্রতিবেদনে তাঁর নাম পুনর্বহাল হয়ে যাচ্ছে। ফলে তাঁর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ল।
অবশ্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন বলেন, তাঁর (মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী) মনোনয়নপত্র বাতিল করা হোক—লিভ টু আপিলকারী পক্ষের এমন কোনো প্রার্থনাও ছিল না। আদালত থেকে তাঁর প্রার্থীর বিষয়েও কিছু বলা হয়নি। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম ঋণখেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ও প্রকাশ না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের করা পৃথক আবেদনের (লিভ টু আপিল) শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। এ অবস্থায় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে পারবেন কি না, তা আলোচনায় এসেছে। এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচন করছেন।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর তথ্য অনুসারে, মাম পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। এই কোম্পানির ঋণ ঘিরে ঋণখেলাপি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা না করতে এবং নাম সিআইবিতে না পাঠাতে ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে কোম্পানি ও তিনি মামলা করেন। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়, যা গত বছরের ৫ নভেম্বর খারিজ হয়। এরপর তিনি হাইকোর্টে বিবিধ আপিল করেন। শুনানি নিয়ে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুলসহ ওই আদেশ দেন।
হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স পৃথক লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। আবেদন দুটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের আজকের কার্যতালিকায় ওঠে।
আদালতে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী বিভূতি তরফদার শুনানিতে ছিলেন।
আদেশের পর আইডিএলসি ফাইন্যান্সের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, তাঁর (মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী) নাম বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনে (ঋণখেলাপি) প্রকাশিত হয়। এ নিয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। তাঁর নাম ঋণখেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত করে দিয়েছেন চেম্বার আদালত। এতে করে সিআইবি প্রতিবেদনে তাঁর নাম পুনর্বহাল হয়ে যাচ্ছে। ফলে তাঁর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ল।
অবশ্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন বলেন, তাঁর (মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী) মনোনয়নপত্র বাতিল করা হোক—লিভ টু আপিলকারী পক্ষের এমন কোনো প্রার্থনাও ছিল না। আদালত থেকে তাঁর প্রার্থীর বিষয়েও কিছু বলা হয়নি। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।