বাঙ্গুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বার উপজেলার গৌরব ও ঐতিহ্যের প্রতীক, জ্ঞানপ্রদীপ খ্যাত ৬৯ নং বাঙ্গুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তার শতবর্ষ উদযাপন যেন রূপ নেয় এক হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিমাখা উৎসবে। নবীন-প্রবীণের মিলনমেলায় ভেসে ওঠে শৈশবের দিন, শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয় শিক্ষাগুরুর অবদান, আর ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে মুখর হয় পুরো প্রাঙ্গণ।
র্যালি, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গতকাল শুক্রবার দিনব্যাপী বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এ শতবর্ষী মহামিলনমেলা। আবেগ, আনন্দ আর গর্বের উচ্ছ্বাসে উৎসবটি হয়ে ওঠে অনন্য ও স্মরণীয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি, লেখক ও সাহিত্যিক সাইফুল ইসলাম। বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং মাজহারুল ইসলাম, রুহুল আমিন ও সুলতান আহমেদের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ পর্বে অংশ নেন, সামসুল হক মাস্টার, দুদকের বিভাগীয় পরিচালক মো. আক্তার হামিদ ভূঁইয়া, জনতা ব্যাংকের ডিজিএম ফেরদৌস রিয়াজ হাসান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, সফিকুল ইসলাম মাস্টার, গাজীউর রহমান খানসহ আরও অনেকে। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।
বক্তারা বিদ্যালয়ের শতবর্ষের গৌরবময় ইতিহাস, শিক্ষা বিস্তারের অবদান ও আগামী দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
আলোচনা শেষে কৃতীজনদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয় এবং আয়োজন করা হয় এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, আবৃত্তি ও পরিবেশনায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল, যেন শতবর্ষের আলোয় নতুন করে জ্বলে ওঠে স্মৃতি, আশা ও স্বপ্নের প্রদীপ।
উল্লেখ্য, ওই সভায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা বিস্তারে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন এবং এক শিক্ষার্থী ১০ শতাংশ জমি মৌখিকভাবে দান করে দেন।

দেবীদ্বার উপজেলার গৌরব ও ঐতিহ্যের প্রতীক, জ্ঞানপ্রদীপ খ্যাত ৬৯ নং বাঙ্গুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তার শতবর্ষ উদযাপন যেন রূপ নেয় এক হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিমাখা উৎসবে। নবীন-প্রবীণের মিলনমেলায় ভেসে ওঠে শৈশবের দিন, শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয় শিক্ষাগুরুর অবদান, আর ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে মুখর হয় পুরো প্রাঙ্গণ।
র্যালি, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গতকাল শুক্রবার দিনব্যাপী বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এ শতবর্ষী মহামিলনমেলা। আবেগ, আনন্দ আর গর্বের উচ্ছ্বাসে উৎসবটি হয়ে ওঠে অনন্য ও স্মরণীয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি, লেখক ও সাহিত্যিক সাইফুল ইসলাম। বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং মাজহারুল ইসলাম, রুহুল আমিন ও সুলতান আহমেদের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ পর্বে অংশ নেন, সামসুল হক মাস্টার, দুদকের বিভাগীয় পরিচালক মো. আক্তার হামিদ ভূঁইয়া, জনতা ব্যাংকের ডিজিএম ফেরদৌস রিয়াজ হাসান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, সফিকুল ইসলাম মাস্টার, গাজীউর রহমান খানসহ আরও অনেকে। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।
বক্তারা বিদ্যালয়ের শতবর্ষের গৌরবময় ইতিহাস, শিক্ষা বিস্তারের অবদান ও আগামী দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
আলোচনা শেষে কৃতীজনদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয় এবং আয়োজন করা হয় এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, আবৃত্তি ও পরিবেশনায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল, যেন শতবর্ষের আলোয় নতুন করে জ্বলে ওঠে স্মৃতি, আশা ও স্বপ্নের প্রদীপ।
উল্লেখ্য, ওই সভায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা বিস্তারে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন এবং এক শিক্ষার্থী ১০ শতাংশ জমি মৌখিকভাবে দান করে দেন।