দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আত্মসাৎ চক্রের কথিত মূলহোতা এবং এলাকায় ‘হানি ট্র্যাপ’ খ্যাত ও ‘লেডি ডন’ হিসেবে পরিচিত লাইলি আক্তারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এবার মাদক বিক্রয়কালে তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া দুইটায় দেবীদ্বার নিউমার্কেট এলাকার (রহমানিয়া সুপার মার্কেটের পেছনে) ভাড়া বাসা ‘আহসান মঞ্জিল’ থেকে ইয়াবাসহ লাইলিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক সাগর বড়ুয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালায় ।
গ্রেপ্তারকৃত লাইলি আক্তার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ঘোষঘর গ্রামের আব্দুর রশিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ আহসান মঞ্জিলে ভাড়া থেকে এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্রের সহযোগিতায় নারী ও মাদক ব্যবসার আড়ালে কৌশলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতেন। এরপর মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল এই চক্রের প্রধান কাজ।
এর আগে চলতি বছরের ৭ এপ্রিল ওই একই বাসায় (‘আহসান মঞ্জিল’) অবস্থান করাকালে পর্নগ্রাফি মামলায় হানিট্র্যাপ খ্যাত লাইলি আক্তার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেলেও জামিনে এসে একই বাসায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন।

লাইলির হানিট্রাপ থেকে বাদ যায়নি প্রায় অর্ধশত বিএনপি, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার লোকজন।
সম্প্রতি উপজেলার জাফরগঞ্জ মাজেদার আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক মুকবল হোসেনের উপর নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে প্রশাসনের টনক নড়ে। পুলিশ ওই বাসায় আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে টাকার জন্য বেঁধে রেখে বেধড়ক মারধর করা অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেন। ওই শিক্ষকের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
গত ৭ এপ্রিল মুকবল হোসেন বাদী হয়ে অভিযুক্ত লাইলি আক্তারকে এজহারভূক্ত করে এবং অজ্ঞাত ৩ নারী ও ৫ পুরুষের নামে পর্ণগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাইলি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে দেবীদ্বারসহ আশেপাশের এলাকায় একটি শক্তিশালী অপরাধ চক্র পরিচালনা করে আসছিলেন। তার মূল কৌশল ছিল প্রভাবশালী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী পরিবারগুলোকে টার্গেট করা। চক্রের তরুণীদের ব্যবহার করে প্রথমে প্রেমের অভিনয় বা ‘হানি ট্র্যাপ’-এর ফাঁদ পাতা হতো
দেবীদ্বার থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লাইলি আক্তারের অপরাধ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এলাকায় কোনো ধরনের অপরাধমূলক ও মাদক সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলা দায়েরের মাধ্যমে পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক প্রতিবেশী এক ব্যক্তি জানান, লাইলি দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ নারী দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। এবং দেহ ব্যবসার আড়ালে গোপন ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বিত্তশালীদের টার্গেট করতেন সে। একই সাথে মাদক চোরা কারবারিতেও বেশ প্রভাব বিস্তার করে। ওই চক্রটি নানা কৌশলে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। এ ঘটনায় বাসার মালিকের ছেলে এবং লাইলির এক নিকট আত্মীয়ের সেন্টারে দিব্বি অপরাধ সংঘটিত করে আসছে।
লাইলি আক্তার বলেন, আমি ভালো হয়ে গেছি। আমার ছেলে মাদক ব্যবসা করে। ছেলে রাতে ঘুমিয়েছিল, তখন তার বন্ধুরা এসে ইয়াবা চাইলে আমি জানালা দিয়ে ইয়াবা দেয়ার সময় কেউ পুলিশ দিয়ে আমাকে ধরিয়ে দেয়।
এসআই সাগর বড়ুয়া বলেন, অভিযানকালে লাইলি আক্তারের দখলে থাকা ১৫ পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রয়ের টাকা, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদীসহ তাঁকে আটক করি।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ নারী খুবই ধুরন্ধর, সে জামিনে এসে আবারও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে। পূর্বের পর্ণগ্রাফির মামলাটিও চলমান রয়েছে। এখন এ মামলার সূত্রধরে তাঁর সহযোগীদের আটকের চেষ্টা করব।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আত্মসাৎ চক্রের কথিত মূলহোতা এবং এলাকায় ‘হানি ট্র্যাপ’ খ্যাত ও ‘লেডি ডন’ হিসেবে পরিচিত লাইলি আক্তারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এবার মাদক বিক্রয়কালে তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া দুইটায় দেবীদ্বার নিউমার্কেট এলাকার (রহমানিয়া সুপার মার্কেটের পেছনে) ভাড়া বাসা ‘আহসান মঞ্জিল’ থেকে ইয়াবাসহ লাইলিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক সাগর বড়ুয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালায় ।
গ্রেপ্তারকৃত লাইলি আক্তার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ঘোষঘর গ্রামের আব্দুর রশিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ আহসান মঞ্জিলে ভাড়া থেকে এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্রের সহযোগিতায় নারী ও মাদক ব্যবসার আড়ালে কৌশলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতেন। এরপর মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল এই চক্রের প্রধান কাজ।
এর আগে চলতি বছরের ৭ এপ্রিল ওই একই বাসায় (‘আহসান মঞ্জিল’) অবস্থান করাকালে পর্নগ্রাফি মামলায় হানিট্র্যাপ খ্যাত লাইলি আক্তার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেলেও জামিনে এসে একই বাসায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন।

লাইলির হানিট্রাপ থেকে বাদ যায়নি প্রায় অর্ধশত বিএনপি, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার লোকজন।
সম্প্রতি উপজেলার জাফরগঞ্জ মাজেদার আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক মুকবল হোসেনের উপর নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে প্রশাসনের টনক নড়ে। পুলিশ ওই বাসায় আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে টাকার জন্য বেঁধে রেখে বেধড়ক মারধর করা অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেন। ওই শিক্ষকের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
গত ৭ এপ্রিল মুকবল হোসেন বাদী হয়ে অভিযুক্ত লাইলি আক্তারকে এজহারভূক্ত করে এবং অজ্ঞাত ৩ নারী ও ৫ পুরুষের নামে পর্ণগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাইলি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে দেবীদ্বারসহ আশেপাশের এলাকায় একটি শক্তিশালী অপরাধ চক্র পরিচালনা করে আসছিলেন। তার মূল কৌশল ছিল প্রভাবশালী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী পরিবারগুলোকে টার্গেট করা। চক্রের তরুণীদের ব্যবহার করে প্রথমে প্রেমের অভিনয় বা ‘হানি ট্র্যাপ’-এর ফাঁদ পাতা হতো
দেবীদ্বার থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লাইলি আক্তারের অপরাধ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এলাকায় কোনো ধরনের অপরাধমূলক ও মাদক সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলা দায়েরের মাধ্যমে পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক প্রতিবেশী এক ব্যক্তি জানান, লাইলি দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ নারী দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। এবং দেহ ব্যবসার আড়ালে গোপন ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বিত্তশালীদের টার্গেট করতেন সে। একই সাথে মাদক চোরা কারবারিতেও বেশ প্রভাব বিস্তার করে। ওই চক্রটি নানা কৌশলে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। এ ঘটনায় বাসার মালিকের ছেলে এবং লাইলির এক নিকট আত্মীয়ের সেন্টারে দিব্বি অপরাধ সংঘটিত করে আসছে।
লাইলি আক্তার বলেন, আমি ভালো হয়ে গেছি। আমার ছেলে মাদক ব্যবসা করে। ছেলে রাতে ঘুমিয়েছিল, তখন তার বন্ধুরা এসে ইয়াবা চাইলে আমি জানালা দিয়ে ইয়াবা দেয়ার সময় কেউ পুলিশ দিয়ে আমাকে ধরিয়ে দেয়।
এসআই সাগর বড়ুয়া বলেন, অভিযানকালে লাইলি আক্তারের দখলে থাকা ১৫ পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রয়ের টাকা, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদীসহ তাঁকে আটক করি।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ নারী খুবই ধুরন্ধর, সে জামিনে এসে আবারও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে। পূর্বের পর্ণগ্রাফির মামলাটিও চলমান রয়েছে। এখন এ মামলার সূত্রধরে তাঁর সহযোগীদের আটকের চেষ্টা করব।