দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বারে ৭ বছর বয়সী প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত আরমান হোসেন ভূঁইয়া (১৭) উপজেলার গোপালনগর ভূঁইয়া বাড়ির মোবারক হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে। আরমান স্থানীয় গোপালনগর হাজী মীর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। গত ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দেবীদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের বিলের মাঝখানের নির্জন এলাকায় পরিত্যক্ত একটি ভবনে ঘটনাটি ঘটে।
ওই ঘটনার পর প্রভাবশালী ধর্ষক পরিবারের হুমকির মুখে ভিক্টিম শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিতে পারেনি। শিশুটি রক্তক্ষরণে প্রায় মৃতঅবস্থায় দেখে ঘটনার ৩ দিন পর প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্য নিজ দায়িত্বে গত বুধবার শিশুটিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। বর্তমানে শিশুটি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ২১ ডিসেম্বর বিকেলে শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে আরবি পড়ে বাড়ি যাওয়ার পথে আরমান তাকে ফুঁসলে নিয়ে প্রথমে বাড়ির পাশে একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে নিরাপদ না হওয়ায় বিলের ধানখেতে নিয়ে যায়। সেখানে পানি থাকায় বিলের মাঝে পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরলে ধর্ষকের পরিবার তাকে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবা দিতে নিয়ে আসতে দেয়নি। শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও ধর্ষক পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
শিশুর বাবা ট্রাক্টর চালক জানান, ধর্ষকের পরিবার প্রভাবশালী, আমি নিরুপায়। চিকিৎসা সেবা দিতে হাসপাতাল নিতে পারিনি। এ ঘটনা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে পরিণতি খারাপ হবে বলে ওরা হুমকি দেয়। আমি বাড়ির লোকদের কাছে বিচার চাইলে মোবারক ভূঁইয়ার লোকজন আমাকে মারতে আসে। ধর্ষক আরমান তার বাবার প্রশ্রয়ে এলাকায় ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। অভাবের সংসার, আমি আজ ৪-৫ দিন কোন কাজে যেতে পারছি না। মান সম্মানের ভয়ে এক রকম গৃহবন্দী অবস্থায় আছি।
এ ব্যাপারে ধর্ষক আরমানের বাবা মোবারক ভূঁইয়া বলেন, শুনেছি ধর্ষণের চেষ্টা করেছে, ধর্ষণ করেনি। ডাক্তারি পরীক্ষা নিরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পায়নি, তবে ধর্ষণচেষ্টার প্রমান পেয়েছে। উভয়ই শিশু এবং নাবালক। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে উভয় পরিবারের সম্মানহানি ঘটবে। তাই বিষয়টি স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ভিক্টিমের পরিবারের সঙ্গে মীমাংসা করে নিয়েছি। ভিক্টিমের বাবাও সম্মানহানির ভয়ে মামলা করতে রাজি না।
দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, ওই ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠিয়েছি। ভিক্টিমের বাবাকে থানায় আসতে বলেছি। সেও তিন দিন ধরে আসছে না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।

দেবীদ্বারে ৭ বছর বয়সী প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত আরমান হোসেন ভূঁইয়া (১৭) উপজেলার গোপালনগর ভূঁইয়া বাড়ির মোবারক হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে। আরমান স্থানীয় গোপালনগর হাজী মীর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। গত ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দেবীদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের বিলের মাঝখানের নির্জন এলাকায় পরিত্যক্ত একটি ভবনে ঘটনাটি ঘটে।
ওই ঘটনার পর প্রভাবশালী ধর্ষক পরিবারের হুমকির মুখে ভিক্টিম শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিতে পারেনি। শিশুটি রক্তক্ষরণে প্রায় মৃতঅবস্থায় দেখে ঘটনার ৩ দিন পর প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্য নিজ দায়িত্বে গত বুধবার শিশুটিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। বর্তমানে শিশুটি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ২১ ডিসেম্বর বিকেলে শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে আরবি পড়ে বাড়ি যাওয়ার পথে আরমান তাকে ফুঁসলে নিয়ে প্রথমে বাড়ির পাশে একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে নিরাপদ না হওয়ায় বিলের ধানখেতে নিয়ে যায়। সেখানে পানি থাকায় বিলের মাঝে পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরলে ধর্ষকের পরিবার তাকে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবা দিতে নিয়ে আসতে দেয়নি। শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও ধর্ষক পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
শিশুর বাবা ট্রাক্টর চালক জানান, ধর্ষকের পরিবার প্রভাবশালী, আমি নিরুপায়। চিকিৎসা সেবা দিতে হাসপাতাল নিতে পারিনি। এ ঘটনা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে পরিণতি খারাপ হবে বলে ওরা হুমকি দেয়। আমি বাড়ির লোকদের কাছে বিচার চাইলে মোবারক ভূঁইয়ার লোকজন আমাকে মারতে আসে। ধর্ষক আরমান তার বাবার প্রশ্রয়ে এলাকায় ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। অভাবের সংসার, আমি আজ ৪-৫ দিন কোন কাজে যেতে পারছি না। মান সম্মানের ভয়ে এক রকম গৃহবন্দী অবস্থায় আছি।
এ ব্যাপারে ধর্ষক আরমানের বাবা মোবারক ভূঁইয়া বলেন, শুনেছি ধর্ষণের চেষ্টা করেছে, ধর্ষণ করেনি। ডাক্তারি পরীক্ষা নিরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পায়নি, তবে ধর্ষণচেষ্টার প্রমান পেয়েছে। উভয়ই শিশু এবং নাবালক। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে উভয় পরিবারের সম্মানহানি ঘটবে। তাই বিষয়টি স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ভিক্টিমের পরিবারের সঙ্গে মীমাংসা করে নিয়েছি। ভিক্টিমের বাবাও সম্মানহানির ভয়ে মামলা করতে রাজি না।
দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, ওই ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠিয়েছি। ভিক্টিমের বাবাকে থানায় আসতে বলেছি। সেও তিন দিন ধরে আসছে না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।