দেবীদ্বার প্রতিনিধি

খাল খনন ও পুনর্খনন এবং খালের উভয় পাড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার অর্ধশতাধিক খালের মধ্যে ২টি খাল পুনর্খননের বরাদ্দ পেয়েছে। ওই কর্মসূচির আওতায় প্রথম প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের দক্ষিণখাঁর গ্রামের জয়নালের বাড়ির মসজিদ থেকে পদুয়া গ্রাম হয়ে তেবাড়িয়া পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ১৫ কিলোমিটার খাল পুনর্খননের উদ্বোধন করেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, বিএনপি উপজেলা আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য সচিব কাদী মাসুদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, এনসিপি উপজেলা সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর আলম, ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ওই খালটি প্রায় ৩ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৫ ফুট থেকে কোথাও কোথাও ৩৫ ফুট প্রশস্ত। খনন কাজে প্রতিদিন ১৭৮ জন শ্রমিক ৫ শত টাকা পারিশ্রমিকে ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় কাজ সম্পন্ন করবেন। একই জনবলে এবং অর্থায়নে রসুলপুরের প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২৫ ফুট প্রশস্তে খাল পুনর্খনন করা হবে।
দেবীদ্বারের ওই খালটি কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো. আবুল হাসনাত আগামীকাল শনিবার নিজ ইউনিয়ন রসুলপুর ইউনিয়নে রসুলপুর সৈয়দালী বাড়ির ব্রিজ থেকে গোপালনগর হয়ে বুড়িনদী পর্যন্ত খালটি পুনর্খনন কাজ বাস্তবায়ন পরিকল্পনায় উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। ইজিপি কর্মসূচির আওতায় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় দেবীদ্বার কার্যালয়ের অর্থায়নে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে।
দেবীদ্বারের উল্লেখযোগ্য শত শত বছরের ঐতিহ্যবহনকারী খাল মরজরা, গুয়াদ্বারা খাল, দোয়াইর খাল, রামপ্রাসাদ খাল, মনোয়ারা খাল, ভিংলাবাড়ি খাল, মরিচা খাল, খিরদ নদী, বুড়িনদীসহ প্রায় অর্ধশতাধিক খালের অধিকাংশই গোমতী, মেঘনা, তিতাস, মন্দবাগসহ বিভিন্ন নদীর সাথে সংযোগ ছিল। যেগুলো আজ দখলদারদের আবাসন, স্থাপনা, মার্কেট এবং আবাদী জমির দখলে।
গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো খনন ও পুনর্খননের পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে, একদিকে যেমন জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়, দেশি মাছ উৎপাদনে এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ খাল দুটি ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ১৭৮ জন শ্রমিক ৫ শত টাকার বিনিময়ে সম্পন্ন করা হবে। দুটি প্রকল্পের প্রাক্কলন ব্যয় হবে প্রায় ৭২ থেকে ৭৫ লাখ টাকা।
খাল খনন উদ্বোধনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, খাল খনন বর্তমান সরকার্র একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। খাল খননের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষির উন্নয়ন, দেশি মাছের উৎপাদন, খালপাড়ে বনায়নসহ পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় এক অভূতপূর্ব অবদান রাখবে।

খাল খনন ও পুনর্খনন এবং খালের উভয় পাড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার অর্ধশতাধিক খালের মধ্যে ২টি খাল পুনর্খননের বরাদ্দ পেয়েছে। ওই কর্মসূচির আওতায় প্রথম প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের দক্ষিণখাঁর গ্রামের জয়নালের বাড়ির মসজিদ থেকে পদুয়া গ্রাম হয়ে তেবাড়িয়া পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ১৫ কিলোমিটার খাল পুনর্খননের উদ্বোধন করেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, বিএনপি উপজেলা আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য সচিব কাদী মাসুদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, এনসিপি উপজেলা সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর আলম, ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ওই খালটি প্রায় ৩ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৫ ফুট থেকে কোথাও কোথাও ৩৫ ফুট প্রশস্ত। খনন কাজে প্রতিদিন ১৭৮ জন শ্রমিক ৫ শত টাকা পারিশ্রমিকে ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় কাজ সম্পন্ন করবেন। একই জনবলে এবং অর্থায়নে রসুলপুরের প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২৫ ফুট প্রশস্তে খাল পুনর্খনন করা হবে।
দেবীদ্বারের ওই খালটি কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো. আবুল হাসনাত আগামীকাল শনিবার নিজ ইউনিয়ন রসুলপুর ইউনিয়নে রসুলপুর সৈয়দালী বাড়ির ব্রিজ থেকে গোপালনগর হয়ে বুড়িনদী পর্যন্ত খালটি পুনর্খনন কাজ বাস্তবায়ন পরিকল্পনায় উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। ইজিপি কর্মসূচির আওতায় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় দেবীদ্বার কার্যালয়ের অর্থায়নে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে।
দেবীদ্বারের উল্লেখযোগ্য শত শত বছরের ঐতিহ্যবহনকারী খাল মরজরা, গুয়াদ্বারা খাল, দোয়াইর খাল, রামপ্রাসাদ খাল, মনোয়ারা খাল, ভিংলাবাড়ি খাল, মরিচা খাল, খিরদ নদী, বুড়িনদীসহ প্রায় অর্ধশতাধিক খালের অধিকাংশই গোমতী, মেঘনা, তিতাস, মন্দবাগসহ বিভিন্ন নদীর সাথে সংযোগ ছিল। যেগুলো আজ দখলদারদের আবাসন, স্থাপনা, মার্কেট এবং আবাদী জমির দখলে।
গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো খনন ও পুনর্খননের পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে, একদিকে যেমন জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়, দেশি মাছ উৎপাদনে এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ খাল দুটি ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ১৭৮ জন শ্রমিক ৫ শত টাকার বিনিময়ে সম্পন্ন করা হবে। দুটি প্রকল্পের প্রাক্কলন ব্যয় হবে প্রায় ৭২ থেকে ৭৫ লাখ টাকা।
খাল খনন উদ্বোধনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, খাল খনন বর্তমান সরকার্র একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। খাল খননের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষির উন্নয়ন, দেশি মাছের উৎপাদন, খালপাড়ে বনায়নসহ পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় এক অভূতপূর্ব অবদান রাখবে।